Category: চিররোগ (মায়াজম)

মেটিরিয়া মেডিকা, ঔষধের শক্তি নির্বাচন এবং মায়াজম সম্বন্ধে কয়েকটি উপদেশ

★ যখন যে বইয়ের নাম শুনবে — কেনার জন্য ব্যস্ত হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। বেশীরভাগ বই বাজে, মিসগাইড করবে , ★ মেটিরিয়া মেডিকার একটি ঔষধ কোন বইয়ে 15 পৃষ্ঠা, 20 পৃষ্ঠা করে, অর্থাৎ প্রচুর লেখা আছে। তা থেকে ঔষধের আসল চরিত্রটি হৃদয়াঙ্গম করা যায় না । একটি ঔষধকে 10, 15 লাইনের মধ্যে হৃদয়াঙ্গম করা যায়

(2) Miasm (মায়াজম) এর পরিচয় – ডাঃ হাসান মীর্জা

মায়াজম হল হোমিওপ্যাথির গোড়ার কথা এবং এই গোড়ার কথাটি গোড়া থেকে বুঝে না নিলে এবং তদ্রুপ ব্যবস্থাপত্র অজানা থাকলে চিকিৎসকের সকল শ্রম যে পন্ডশ্রমে পরিণত হবে তাতে সন্দেহ নেই। সোরা যা পীড়া নামক অন্তর্নিহিত ধ্বংসের মূল- এই সোরা যখন সিফিলিস বা সাইকোসিসের সঙ্গে মিলিত হয়ে ধাতুগত দোষে পরিণত হয় তখন তা বংশগতভাবে প্রকাশ পেয়ে থাকে।

(1) মায়াজম কি? মায়াজম কত প্রকার ও কি কি?

মায়াজম (Miasm): কোন রোগ স্থুল ঔষধ প্রয়োগে বা অসম বিধানে চিকিৎসা করায় তার দ্বারা চাপা পড়ে শক্তিশালী রোগ বীজ নামে দেহাভ্যন্তরে অবস্থান করে। এটাই রোগ জীবানু বা উপবিশ (Miasm)। এই উপবিষই (Miasm) যা বংশ পরস্পরায় মানব দেহে চিরস্থায়ী রুপ লাভ করে। মায়াজম হচ্ছে এমন কিছু যা একবার মানব দেহে ঢুকলে এবং সুচিকিৎসিত না হলে এমন একটা অবস্থার

সোরার লক্ষণসমূহ

সোরার মানসিক লক্ষন: দার্শনিকের ন্যায় সর্বদা চিন্তা করে এবং অপরিস্কার, অপরিচ্ছন্ন, অগোছাল থাকার প্রকৃতি। ছেঁরা কাঁথায় শুয়ে রাজা হবার স্বপ্ন দেখে। ভীতু, কৃপন, স্বার্থপর, অলস্যপ্রিয়, ব্যস্তবাগীশ। সর্বদা অস্থির একস্থানে স্থির থাকতে পারে না। ধপাস করে এক স্থানে বসে পরে। ঈর্ষাপরায়ন, বকধার্মিক, হটকারিতায় পটু এবং হুকুম দেওয়া তার নৈমিওিক স্বভাব। গোসলে অনিচ্ছা এবং নিজের শরীরে দুর্গন্ধ নিজের

সাইকোসিসের লক্ষণসমূহ

সাইকোসিসের মানসিক লক্ষন: মেজাজ খিটখিটে, হিংসুটে, নিষ্ঠুর ও খুঁতখুঁতে স্বাভাব। প্রত্যেক কাজেই সন্দেহ করে, সব কিছু গোপন করার প্রবনতা, প্রচন্ড ভাবে স্বরন শক্তি লোপ পায়, বিশেষ করে বর্তমান ঘটনা ভুলে যায়। সর্বদাই ভাবে কোন অশরীর শক্তি তার উপর ভর করে আছে, নতুনত্ব তাহার নিকট ভাল লাগে না, কথা বলিতে শব্দ খুঁজে পায় না, মনটি সব সময়

সিফিলিসের লক্ষণসমূহ

#মানসিক লক্ষন: সর্বদা বিষন্ন ও মনমরা ভাব থাকে, নির্বোধ, শরীরিক ও মানসিক খর্বতা, ধীরস্থির, অহংকারী, নিষ্ঠুর ও একগুয়ে স্বভাবের। মনের জড়তার জন্য নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করতে পারে না। সহজেই মনে নৈরাশ্য আসে, ফলে নিজের প্রতি বিতৃষ্ণা আসে। তাই সে আতœহা করে বাঁচতে চায়, চিকিৎসককে অসুস্থতার কথা বলতে চায় না, স্বরন শক্তির অভাব, ক্ষমা করতে শর্ত

টিউবারকুলারের লক্ষণসমূহ

টিউবারকুলারের মানসিক লক্ষন: সর্ব বিষয়ে অসন্তষ্টি, পরিবর্তনশীলতা ও অস্থিরতাই ক্ষয়ধাতুর পরিচয়, বংশগত ক্ষয়দোষের কারনে আস্তে আস্তে ধ্বংসের দিকে যেতে থাকে। কুকুর, জিব জন্তু দেখলে ভয় পায়, সামান্য পরিশ্রমে প্রচুর ঘাম হয়, মুক্ত বাতাসে ঘুড়েবেড়ালে শরীর ও মন ভাল থাকে। যাহা সেবনে রোগের বৃদ্ধি হয় তাই সেবন করতে চায়, বুদ্ধির খর্বতা, বাচালতা কথায় কথায় শপথ করে ও