অ্যাকোনাইটাম ন্যাপেলাস (Aconitum Napellus)

DHMS (1st year).
সমনাম ঃ উলফ্ বেন, নেকড়ের বিষ।
ইংলিস ঃ হেলমেট ফ্লাওয়ার, বাংলা ঃকাঠ বিষ।
উপযোগিতাঃ যারা পূর্ণ রক্তপ্রধানধাতু বিশিষ্ট এবং অলস ভাবে সময় কাটায় ;আবহাওয়ার পরিবর্তনে সহজেই অসুস্হ হয়ে পড়ে।
ক্রিয়াস্হলঃ এটা স্নায়ুমন্ডল, পৃষ্টদেশ, মস্তিষ্ক, প্রভৃতির ওপর অধিক ক্রিয়া করে থাকে এবং রক্ত সঞ্চালনের আধিক্য ঘটায়।
ফিজিওলজিক্যাল কাজ (Physiological action)ঃ অ্যাকোনাই দ্বারা বিষাক্ত হলে Cerebro spinal nervous system অত্যন্ত অবসাদ প্রাপ্ত হয় অর্থাৎ মস্তিষ্ক কশেরুকা মজ্জায় বিধান (Cerebro spinal nervous system)এ অ্যাকোনাইট অবসাদক (Depresment) ঔষুধরুপে কাজ করে।
মূলকথা ঃ হৃষ্টপুষ্ট রক্তপ্রধান ধাতুবিশিষ্ট লোক, আকষ্মিকতা,ভীষণতা,উৎকণ্ঠা, মৃত্যুভয়, ভীতিব্যঞ্জক মুখের চেহারা,মানসিক ও শারীরিক অস্হিরতা , অস্বচ্ছন্দতা ও দীর্ঘশ্বাস, পিপাসা, প্রচণ্ড শীতের ও গরমের প্রকোপ, শুকনো শীতল বাতাসে বাড়ে। স্রাব নিঃসরণে কমে ও পরিবর্তনশীল মন। প্রসব ক্ষেত্র ও হৃদরোগ ব্যতীত সকল রোগে সম্পূর্ণ ঘামহীন। সংগীত অসহ্য।
অদ্ভূত লক্ষণঃ কল্পনা করে যেনো তাদের সব চিন্তা পাকস্থলী থেকে করে।
অনুভূতিঃ শরীরের বাইরের অংশে পোকা হাঁটার অনুভূতি।
ইচ্ছাঃ বীয়ার, অম্ল,মদ, ব্রান্ডি ও ঠান্ডা পানীয় পানের দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা।
অনিচ্ছা ঃ মুখে তিক্তস্বাদ হেতু খাদ্যে অনিচ্ছা, তামাক।
বৃদ্ধি ঃ সন্ধ্যায় (বুকের লক্ষণ ও ব্যথা), রাতে (মাঝরাতে), আলোতে,গোলমালে, আক্রান্ত পাশ চেপে শয়নে (হিপার, নাক্স-মস), সঙ্গীতের শব্দে, শ্বাস গ্রহণে, শুষ্ক শীতল বাতাসে, গরম কক্ষে গরম আচ্ছদনে, ধুমপানে, বিছানা হতে উঠলে, ভয় পেলে, বিরক্তি, মানসিক উত্তেজনায়,ঋতুকালে।
হ্রাসঃ মুক্ত বাতাসে (অ্যালুমিনা,ম্যাগ-কা, পালস, স্যাবাইনা।), ঘাম ও স্রাব নিঃসরণে, স্হিরভাবে উপবেশনে (বাত), বিশ্রামে, মদপানে, গায়ের কাপড় খুলে ফেললে।
কারণঃ ভয় – ভীতি, শক, মানসিক উৎকন্ঠা এবং ক্রুদ্ধতার পর, ঠান্ডা, শীতল আবহাওয়া, সূর্য্যের উত্তাপে, ইনজুরি, সার্জিক্যাল শক,ঠান্ডা বায়ুপ্রবাহ, ঘাম অবরুদ্ধ, অত্যধিক গরম আবহাওয়াজনিত।
ক্রিয়ানাশক ঃ অ্যাসিটিক -অ্যাসিড অ্যালকোহল, প্যারিস, স্পঞ্জি, বেল, ক্যামো, কফিয়া, সালফার, নাক্স, উদ্ভিদজাত অম্ল, লেমনেড।
এটি ক্রিয়ানাশক ঃ অ্যাক্টিয়া, ক্যামো, কফ, নাক্স-ভ, পেট্রো, সিপি, সালফ।
প্রয়োগ ঃ (ক) তরুন অবস্হায় ঘনঘন প্রয়াগ বাঞ্চনীয়।রক্তাধিক্য অবস্হা ও প্রদাহিত জ্বরে M/1 থেকে M/3 শক্তি, স্নায়ুশূলে M/6 স্নায়ুবিক উত্তেজনা ও মৃত্যুভীতির ক্ষেত্রে M/12 থেকে M/30 বা তদুর্ধ শক্তি। —ডাঃ নাজির হোসেন।
(খ) অসুস্হ রোগী যেখানে স্হির ও শান্ত থাকে সেক্ষেত্রে কখনও অ্যাকোনাইট দেবে না। -ডাঃ দাসগুপ্ত।
সতর্কতা ঃ ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, সেপটিক, ইত্যাদি দূষিত বা বিষাক্ত জ্বরে অ্যাকোনাইট ব্যবহৃত হয় না।
উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্য যে কোন রোগেই আমরা একোনাইট প্রয়োগ করতে পারবো।
লেখক-Dr. Moin Uddin
সূত্র-অনলাইন কালেকশন
ডা. এইচ এম আলীমুল হক, আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মুক্তিস্মরণী, চিটাগাংরোড, শিমরাইল মোড়, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। ০১৯২০-৮৬৬ ৬১০