হোমিওপ্যাথিক ঔষধের নিজস্বকথাঃ ৪র্থ পর্যায়

১. Abrotanum (অ্যাব্রোটেনাম): (১) পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রোগ বা রোগের রূপান্তর। (২) উদরাময়ে উপশম। (৩) ক্ষয়দোষ বা প্রবল ক্ষুধা সত্ত্বেও দেহ শুকাইয়া যায়। (৪) বাচালতা।
২. Acid Acetic (এসিড অ্যাসেটিক): (১) প্রচুর প্রস্রাব,প্রবল পিপাসা ও অরুচি। (২) দারুণ দূর্বলতা ও শ্বাসকষ্ট। (৩) জ্বরে পিপাসা নাই কিন্তু অন্য রোগের সাথে প্রবল পিপাসা।
৩. Acid Picric (এসিড পিকরিক): (১) অতিশয় ¯œায়ু দুর্বলতা। (২) সর্বদা মনমরা, শুয়ে থাকার ইচ্ছা, উদাসীনতা। (৩) চোখে অন্ধকার দেখা, পায়ে ভারবোধ, কোমরে বেদনা ও পায়ে ফোলা অনুভব। (৪) প্রস্রাবে ইউরিক এসিড, এলবুমেন ও সুগার এবং ক্রমশ দুর্বলতা।
৪. Acid-Sulp (এসিড সালফ): (১) কম্পন আভ্যন্তরীন, বাইরে দেখা যায় না । (২) কালো বর্ণের রক্তস্রাব। (৩) মস্তিষ্কে আঘাত লাগার ফলে সর্বাঙ্গ হিমশীতল ও ঘর্মাক্ত । (৪) অত্যন্ত ব্যস্তবাগীশ, বিষন্ন, ক্রন্দনশীল। (৫) সমুদয় রক্তপ্রদেশ হতে রক্তস্রাব।
৫. Ammon Carb (অ্যামোন কার্ব): (১) শ্বাসকষ্ট ও হৃদপিন্ডের দূর্বলতা (২) সকালে নাক দিয়ে রক্তপড়া। (৩) রাতে নাক বন্ধ। (৪) ঋতুকালে ভেদবমি।
৬. Ammon Mur (অ্যামোন মিউর): (১) স্থুলকায় ব্যক্তি অথচ হাত পা শীর্ণ। (২) সর্দি সাধারণত তরল ও ঘড়গড়ে। (৩) নাভিমূলে বেদনা, পরিবর্তনশীল মল, মলত্যাগের পরও কুন্থন। (৪) ঋতুকালে উদরাময়।
৭. Arsenic-Iod (আর্সেনিক আয়োড): (১) সর্বপ্রকার স্রাব রুক্ষ্ম। যেখানে লাগে সে স্থান হেজে যায়। স্রাবে দুর্গন্ধ।(২) গরমকাতর। সে ঠান্ডা ভালবাসে কিন্তু সহ্য হয় না।(৩) ক্ষুধার সময় খেতে না পেলে বৃদ্ধি। আহারে উপশম।(৪) অত্যন্ত চঞ্চল ও ব্যস্তবাগীশ। যক্ষ্মা ও ক্যান্সারের পরিণত অবস্থা।(৫) নাসিকার সর্দিস্রাব। নতুন ও পুরাতন সেই সঙ্গে অনবরত হাঁচি।
৮. Argent-Met (আর্জেন্ট মেট): (১) বুকের মধ্যে দারুন দুর্বলতা। (২) স্বরভঙ্গ দোষ। (৩) বাম ডিম্বকোষের ব্যথা ও জরায়ুর শিথিলতা। (৪) অতিরিক্ত শুক্রক্ষয় বা মানসিক পরিশ্রমবশত স্নায়বিক দূর্বলতা।
৯. Bismuthum Oxi (বিসমাথ): (১) একা থাকতে পারে না। (২) রোগী অত্যন্ত অস্থির প্রকৃতির, উঠে, বসে, শয়ন করে। (৩) খাদ্যদ্রব্য পাকস্থলীতে কিছুক্ষণ থাকে কিন্তু পানি পাকস্থলীতে স্পর্শ মাত্র বমন হয়ে যায়। (৪) চেহারা ফ্যাকাসে। পাকস্থলীতে একটি স্থানে যেন ভারি জিনিস চাপা রাখা হয়েছে এবং তার সঙ্গে জ্বালা ও খিলধরা যন্ত্রণা। (৫) প্রতি শীতকালে শিরঃপীড়া, দাঁত ব্যথা শীতল পানিতে উপশম হয়।
১০. Bovista (বোভিষ্টা): (১) সব জিনিস হাত হতে পড়ে যায়, তোতলায়। (২) রক্তস্রাব অত্যধিক, রাতে প্রকাশ পায়, দিনে থাকে না। (৩) বগলে ঘাম, তাহাতে পেয়াঁজের গন্ধ। (৪) ঋতুস্রাব বন্ধ হবার পর ও রোগিনীর ৪/৭ দিন অন্তর রক্তস্রাব হয়, রক্তজমাট ও অত্যন্ত লালবর্ণের।
১১. Cocculus Indica (ককুলাস ইন্ডিকা): (১) ঘোড়ার গাড়ী, নৌকা বা রেলগাড়ীতে চড়লে গা বমিবমি করে। চলন্তদ্রব্য দেখলে গা বমি বমি করে। (২) অবিবাহিতা, সন্তানহীনা, অল্পকেশযুক্তা রমণীদের পীড়ায়, যে সকল রমণী রাত দিন বই পড়ে উৎকন্ঠার সাথে। (৩) প্রতিবাদ সহ্য করতে পারেনা, সামান্য কারণেই রাগাম্বিত হয়ে পড়ে। সে মনে করে তার সময় অতি শীঘ্র শীঘ্র অতিবাহিত হয়ে যাচেছ। (৪) রাত্রি জাগরণে অসুস্থ্যতা, রাগ ও দুঃখের পর তড়কা, পৃষ্ঠবংশীয় মজ্জা আক্রান্তহয়ে কটিদেশে পক্ষাঘাত।
১২. Coffea Cruda (কফিয়া ক্রুডা): (১) রোগী আমোদ আহলাদে মগ্নভাব, সহজে অনুভূতি ও উপলব্দি, উত্তেজনা ও উদ্দীপনা, ইন্দ্রিয়নিচয়ের তীক্ষ্ণতা। (২) দন্তবেদনা, মুখের মধ্যে বরফজল রাখলে সাময়িক উপশম। (৩) জাগ্রত নিদ্রা, নিরন্তণ স্থান পরিবর্তনশীল, রাত ৩টা পর্যন্ত নিদ্রা যায়। স্বপ্ন দেখে নিদ্রা ব্যাহত হয়। মানসিক কার্যতৎপরতা হেতু অনিদ্রা। (৪) ঋতুস্রাব অতিশীঘ্র আরম্ভ হয় এবং দীর্ঘকাল স্থায়ী হয়। যোনিকপাট ও যোনিপথ অত্যধিকমাত্রা স্পর্শসহিষ্ণু। কামোদ্দীপক চুলকানি।
১৩. Colchicum Autu (কলচিকাম অটা): (১) খাদ্য দ্রব্যে অভক্তি। (২) মূত্রস্বল্পতা বা মূত্ররোধ। (৩) ভ্রমণশীল বেদনা। (৪) পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ু সঞ্চয়।
১৪. Croton-tig (ক্রোটন টিগ): (১) তীরের মত ছুটে মল নির্গমন। (২) পর্যায় ক্রমে চর্মরোগ ও উদরাময় বা কাশি। (৩) আকর্ষণবৎ বেদনা।
১৫. Chlorum (ক্লোরাম): (১) স্বরযন্ত্রের আক্ষেপহেতু আকস্মিক শ্বাস কৃচ্ছতা, নিদ্রার উপক্রমে বৃদ্ধি। (২) স্মৃতি শক্তির দুর্বলতা, বিশেষতঃ নাম মনে রাখা সর্ম্পকে। (৩) হাঁপানিতে তীব্র স্বরযন্ত্রের আক্ষেপ কমিয়ে দেয়। (৪) শ্বাসগ্রহণ অবাধে হয়, কিন্তু নিঃশ্বাস ত্যাগ বাধাপ্রাপ্ত।
১৬. Cicuta Virosa (সিকুটা ভিরোসা): (১) আক্ষেপ,মাথা ও মুখমন্ডলে সুত্রপাত। (২) বুদ্ধি বা বিচার শক্তির অভাব। (৩) সশব্দে হিক্কা। (৪) চুলকানি বিহীন চর্মরোগ বা ক্ষত, স্পর্শ বা তামাক অসহ্য।
১৭. Cistas Can (সিস্টাস ক্যান): (১) গন্ডমালার সহিত উদরাময়। (২) শীতকালে বা ঠান্ডা জলে আঙুল ফাটিয়া যায়। (৩) ক্ষুধার সময় না খাইলে মাথাব্যথা (লাইকো, ফস)। (৪) টক খাওয়ার ইচ্ছা কিন্তু তাতে উদরাময়।
১৮. Crotalus-hor (ক্রোটেলাস হর): (১) রক্তস্রাব প্রবল, ঋতুস্রাব অধিক, কালো, রক্ত জমাট বাধে না, পঁচনশীলতা। (২) অক্ষিগোলকে রক্তস্রাব হলে ইহা প্রয়োগে শোষণ করে নেয়। চোখে আলো অসহ্য। (৩) ডান দিকে ভাল কাজ করে। ডানের পক্ষাঘাত, ডান কান বন্ধ। (৪) খাদ্য বমি, পিত্তবমন, রক্ত বমন, ইষৎ পীতবর্ণ চর্ম।
১৯. Ferrum Met (ফেরাম মেট): (১) রক্তহীনতা জনিত ফ্যাকাশে চেহারা। (২) রক্তস্রাবের প্রবণতা। (৩) বিশ্রামে বৃদ্ধি। (৪) বমনেচ্ছা ব্যতিরেকে বমি।
২০. Ferrum-mur (ফেরাম মিউর): (১) যৌবনাগমণে প্রভূত মূত্র অথবা শুক্রস্রাবের প্রবণতা। (২) মলিন সংযত রক্ত বিশিষ্ট ফুসফুসের রক্তস্রাব। (৩) দক্ষিণষ্কন্ধে বেদনা। (৪) রক্তহীনতা।
২১. Glonoine (গ্লোনইন): (১) মস্তকের রক্তাধিক্যতা বশতঃ ভীষণ দপদপানি যন্ত্রণা। (২) মুখমন্ডল অগ্নিবৎ উজ্জল লালবর্ণ হয়। (৩) রৌদ্রে বা গ্যাসের আলোয় কাজ করবার ফলে মাথাব্যথা। ঋতুস্রাব অবরুদ্ধ কিম্বা বিলম্ব বশতঃ শিরঃপীড়া। (৪) মস্তক অত্যন্তবৃহৎ বলে মনে হয়। (৫) মাথা ব্যথা সূর্যোদয় হতে আরম্ভ হয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্তস্থায়ী হয়।
২২. Jalafa (জেলাপা): (১) শিশু সমস্ত দিন শান্ত থাকে কিন্তু রাত আরম্ভেই চিৎকার করতে আরম্ভ করে এবং যন্ত্রণায় ছটফট করে।(২) শিশুর মল হতে অত্যন্তটক গন্ধ বাহির হয়।(৩) গাত্র-তাপের হ্রাস ও দুর্বল নাড়ী সহকারে কয়েকবার জলবৎ, অনেক সময় রক্তাক্ত অধিক মল নিঃসরণ।(৪) পেটের ভিতর কেটে ফেলারমত ব্যথা।
২৩. Kali-Carb (কেলি কার্ব): (১) দেহের স্থুলতা ও শেষরাতে রোগের বৃদ্ধি। (২) দূর্বলতা, শীতার্ততা ও স্পর্শকাতরতা। (৩) চোখের উপর পাতা ফোলা বা শোথ এবং ঘর্ম। (৪) কটি ব্যাথা বা কোমরে ব্যাথা।
২৪. Kali-iod (ক্যালি আয়োড): (১) রোগী মুক্ত হাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়ে, মুক্ত বাতাস চায় কিন্তু গরম খাদ্য ও পানীয় পছন্দ করে। (২) রোগীর থাইরয়েড গ্রন্থি দ্রুত বর্ধিত ও স্ফীত হয়, উহাতে বেদনা ও স্পর্শ কাতরতা থাকে। গলার ভিতর উপদংশ দুষ্ট ক্ষত হয়। (৩) রোগী অত্যন্তবাকপটু, রহস্য প্রিয় কিন্তু অতিশয় বদরাগী, নিষ্ঠুর ও গোয়ার। (৪) শরীরের নানা স্থানে শক্ত, শরীর গরম, গ্ল্যান্ড বড় শক্ত।
২৫. Mag Carb (ম্যাগ কার্ব): (১) অম্ল ও অজীর্ন দোষ। (২) গোশত খাইবার অদম্য ইচ্ছা। (৩) ঋতুর পূর্বে গলক্ষত, গর্ভাবস্থায় দন্তশূল। (৪) শয্যাত্যাগে অতিরিক্ত দুর্বলতাবোধ।
২৬. Manganum Acet (ম্যাঙ্গেনাম এসেট): (১) কাশি ও স্বরভঙ্গ অন্যান্য অবস্থায় বাড়ে এবং শয়নে কমে, ভিজা ঠান্ডা হাওয়ায় স্বরভঙ্গ আরম্ভ, কাশি রোগ সন্ধ্যাকালে আরম্ভ হয়, স্বরভঙ্গ। (২) সামনে ঝুকে চলে, শরীরের যেখানে হাত দেয় সেখানে টাটানি বেদনা।(৩) হাঁপানী রোগী পালকের বালিসে শুতে পারেনা।(৪) গোড়ালীর বাত, স্পর্শকাতরতা বেদনা সন্ধি হতে অন্য সন্ধিতে বিস্তৃত হয়, পক্ষাঘাত নিম্নাঙ্গ হতে উপর অঙ্গে সঞ্চালিত হয়। (৫) মাসিক স্রাব বন্ধ হয়ে রোগিনীর দেহে নানারূপ চর্মরোগ প্রকাশ পায়।
২৭. Natrum-carb (নেট্রাম কার্ব): (১) স্নায়বিক দূর্বলতা বা মানসিক অবসাদ। (২) দুধে বৃদ্ধি। (৩) প্র্স্রাবে দূর্গন্ধ,পায়ের গোড়ালির দূর্বলতা। (৪) আহারে উপশম।
২৮. Nux- moschata (নাক্স মস্কাটা): (১) নিদ্রালুতা বা তন্দ্রাচ্ছন্নতা। (২) মুখ অত্যান্ত শুকাইয়া যায় কিন্তু পিপাসা নাই। (৩) পেটে অতিরিক্ত বায়ু, সামান্য বেশি খাইলেই মাথাব্যথা। (৪) ঋতুর পরিবর্তে লিউকোরিয়া, গর্ভাবস্থায় কাশি।
২৯. Platinum Met (প্ল্যাটিনাম মেট): (১) অত্যন্ত গর্বিত, অত্যন্ত অহংকারিণী, অভিমানী, জাকজমক দেখাতে ভালবাসে। (২) জননেন্দ্রিয়ের অস্বাভাবিক উত্তেজনা, যোনিদ্বারে নিরতিশয় স্পর্শকাতরতা। (৩) নরম মল ও সহজে নির্গত হতে চায় না। (৪) কামেচ্ছা অতিশয় প্রবল কিন্তু স্বামী সহবাসের সময় জননেন্দ্রিয়ে বেদনা অনুভব করে।
৩০. Plumbum met (প্লাম্বাম মেট): (১) নাভিমুলে বা তলপেটে আকর্ষনবৎ ব্যাথা। (২) মাঢ়ীপ্রান্তে নীল বর্ণের রেখা। (৩) পক্ষাঘাত বা পক্ষাঘাত সদৃশ দূর্বলতা। (৪) পরিবর্তনশীলতা।
৩১. Pyrogen (পাইরোজেন): (১) দ্রুততর নাড়ী বা নাড়ী ও গাত্রতাপের মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাব। (২) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ব্যথা ও শীত, সঙ্গে অস্থিরতা। (৩) বাচালতা ও শীতার্ততা। (৪) দুর্গন্ধ ও জ্বালা, সেপটিক অবস্থা বা রক্তদুষ্টি।
৩২. Rhododendron (রডোডেন্ড্রন): (১) বিশ্রামে ও ঝড়বৃষ্টির আগমনে বেদনা বৃদ্ধি। (২) বাতজনিত ও গণোরিয়া জনিত একশিরা বা অন্ডকোষ প্রদাহ বাম দিকের অন্ডকোষে।(৩) স্থান পরিবর্তনশীল বেদনা, বেদনার জন্য অঙ্গপ্রতঙ্গ স্থির রাখা যায় না এবং সঞ্চালন করা মাত্র তৎক্ষনাৎ বেদনার উপশমবোধ হয়, গ্রীষ্মকালে বৃদ্ধি। (৪) পা দুটো একটির উপর আর একটি না রেখে নিদ্রা যেতে পারে না। শয্যায় শয়ন করে অঙ্গপ্রতঙ্গ উপরের দিকে টেনে তুললে উপশম।
৩৩. Sabadilla off (স্যাবাডিলা অফ): (১) কৃমিজনিত উপসর্গ। (২) বামদিকে অধিক আক্রমণ। শীতকাতুরে। (৩) প্রতি চতুর্থ দিনে ও অমাবস্যায় এবং পূর্ণিমায় বৃদ্ধি। (৪) স্ত্রীলোক মনে করে সে গর্ভবর্তী হয়েছে কিন্তু প্রকৃত পক্ষে পেটে বায়ুজমা। (৫) নখ শক্ত ও বিকৃত।
৩৪. Sanicula (স্যানিকিউলা): (১) নিম্নগতিতে আতঙ্ক বা পড়ে যাবার ভয়। (২)পরিবর্তনশীলতা। (৩) মাথায় ও পায়ের তলায় প্রচুর ঘর্ম। (৪) রোগী অত্যন্তগরমকাতর এবং লবণ প্রিয় হয়।
৩৫. Salphur Iod (সালফার আয়োড): (১) ক্ষৌরকর্মজনিত উদ্ভেদ বা চর্মরোগ। (২) রসযুক্ত একজিমা (নেট-সাল, মেজে)। (৩) টনসিলের বিবৃদ্ধি, কর্ণমূল প্রদাহ। (৪) বয়োব্রণ।
৩৬. Tabacum (ট্যাবেকাম): (১) তামাক খাবার আকাঙ্খা বিনষ্ট করে। নাড়ি অনিয়মিত সবিরাম দুর্বল লুপ্তপ্রায়।(২) অবিরাম বমি ও গা বমি বমি তৎসঙ্গে ঘাম, বমি করে মৃতবৎ হয়।(৩) প্রলাপ বকা, সবিরাম নাড়ী , কলেরায় সমস্ত শরীর ঠান্ডা কিন্তু পেটটি গরম থাকে।(৪) গন্ডস্থল এবং শরীরের পশ্চাদ্দেশ শুষ্ক হয়ে যায়, পেশী মন্ডলের সম্পূর্ণ অবসাদ।
৩৭. Tarentula His (ট্যারেন্টুলা হিস): (১) রোগিনী বড় কামাতুরা, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গী করে, সঙ্গমের পর ও আকাঙ্খা নিবৃত্তি হয় না, উম্মাদ হয়ে উঠে এবং মাথা চাপড়ায় ও চুল ছিড়তে থাকে। (২) অস্থিরতা, নড়াচড়া করলে রোগের বৃদ্ধি, তথাপি রোগী না নড়ে থাকতে পারে না, মাংশপেশী সকল অনবরত নৃত্য করে। (৩) রক্ত বিষাক্ততা লক্ষণ, সর্বাঙ্গে চুলকানীর জন্য নিদ্রাহীনতা, অজ্ঞানতার মত চুলকানির। (৪) কৃত্রিম মৈথুনাদির পর প্রতিনিয়ত শুক্রপাত হয়ে বুদ্ধিভ্রংশ হয়। (৫) রোগিনী কাহার ও সাথে কথা বলে না। কেহ কথা বলতে আসলে রেগে নিজেকে এবং অন্যকে আঘাত করতে চায়।
৩৮. Variolinum (ভ্যারিওলিনাম): (১) বসন্ত রোগে আক্রমণ করবে এইরূপ ভয় হয়। বসন্তের সকল অবস্থায় ব্যবহার করা যায়।(২) টিকার কুফলে নানাবিধ অবস্থায় ব্যবহৃত হয়।(৩) জ্বর প্রবল সাথে অসহ্য মাথা ব্যথা এর সঙ্গে বমি বমি ভাব বা বমি হয়ে যায়, শীতসহ।(৪) কটিদেশে ভীষণ যন্ত্রণা হয় এবং পদদ্বয় কন কন করতে থাকে। মুখ হতে অত্যন্ত দুর্গন্ধ বের হয়।
২৯. Verbascum or Mulanoil (ভার্ব্যাসকাম বা মূলেনঅয়েল): (১) কর্ণশূল, তৎসহ অবরুদ্ধ অবস্থার অনুভূতি, কানের ভিতর শুষ্ক, বধিরতা।(২) স্বরভঙ্গ,স্বরযন্ত্র পথে ইহা খুব কার্য্যকর।(৩) ইহার কাশের ধরন ঢং ঢং কর শব্দ হয়।(৪) মলদ্বারে বা অর্শে অত্যন্তচুলকানি।
৪০. X-Ray (এক্স-রে): (১) শুষ্ক এবং চুলকানী যুক্ত একজিমা চর্ম শুষ্ক কুঞ্চিত বেদনাদায়ক ফাঁটাসমূহ (সোরিয্যাসিস)। (২) জিহ্বা শুষ্ক খসখসে স্পর্শকাতর।(৩) ওভারি শুকিয়ে যায়, স্ত্রীলোকের বন্ধ্যাত্ব।(৪) অশ্লীল স্বপ্ন, সম্ভোগ লিপ্সার অভাব ,এই ঔষধ বিলুপ্ত প্রমেহ পুনঃ প্রকাশিত হয়।
#সংকলনে: ডা.এইচ.এম.আলীমুল হক
ডিএইচএমএস (বিএইচবি), কিউএইচসিবি (বিইউবি)
চেম্বার: আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মৌচাক, মিজমিজি
নাসিক ২নং ওয়ার্ড, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শের জন্য: ১০০/-টাকা বিকাশ করুন
(বিকাশ পার্সনাল নাম্বার: ০১৯১৬-৫১১ ৩৩৭)
তারপর কল করুন এই নাম্বারে: 01616-511337, 01816-511337