সিফিলিস মায়াজমের লক্ষণসমূহ

#মানসিক লক্ষন:
সর্বদা বিষন্ন ও মনমরা ভাব থাকে, নির্বোধ, শরীরিক ও মানসিক খর্বতা, ধীরস্থির, অহংকারী, নিষ্ঠুর ও একগুয়ে স্বভাবের। মনের জড়তার জন্য নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করতে পারে না। সহজেই মনে নৈরাশ্য আসে, ফলে নিজের প্রতি বিতৃষ্ণা আসে। তাই সে আতœহা করে বাঁচতে চায়, চিকিৎসককে অসুস্থতার কথা বলতে চায় না, স্বরন শক্তির অভাব, ক্ষমা করতে শর্ত আরোপ করে।
#সার্বদৈহিক লক্ষণ:
কুচিকিৎসার ফলে দেহে বিভিন্ন প্রকার ক্ষতের ¯্রষ্টি হয়ে থাকে। ক্ষতের ¯্রাবে রোগ বৃদ্ধি ঘটে, জিহবা দাঁতের ছাপ যুক্ত ও ঘুমের মধ্যে লালা নিঃসৃত হয়। অস্থিতে ক্ষত ও নালী ঘা সৃষ্টি করে থাকে, পুনঃ পুনঃ গর্ভপাত, মৃত সন্তান জন্মদান, শুক্রহীনতা, বিভিন্ন রকম বিকলঙ্গতা ও দেহ শুকিয়ে যায়। অর্ধচন্দ্র দাঁত এবং চেপটা নাক। ঠোঁটে গভীর কাটা, সকল প্রকার রোগ লক্ষন রাত্রে বৃদ্ধি ঘটে।
#কথা ও কাজকর্মের প্রকৃতি:
সিফিলিস দোষের কারনে ও মানসিক জড়তার জন্য ধীরস্থির ভাবে চলাফেরা এবং কাজ কর্ম করে। চিবিয়া চিবিয়া কথা বলে সংক্ষিপ্তভাবে ও ক্ষিপ্ততার সাথে, মায়া মমতার অভাব, হিং¯্র প্রকৃতির, নিরলস, গান ও সাহিত্য ভালো লাগে না।
#দোষসৃষ্টির কারণ:
উপদংশজনিত ক্ষতের অপচিকিৎসার ফলে, পারদ জাতীয় ঔষধের ব্যবহারের ফলে, বংশগত বা সিফিলিস আক্রান্ত ব্যক্তি সন্তান গর্ভ ধারণ করলে সিফিলিস দোষ সৃষ্টি হতে পারে।
#জিহ্বার স্বাদ: সমস্ত প্রকার ধাতুর মত স্বাদ।
#ক্ষুধার অবস্থা:
অক্ষুধাই বেশী দেখা যায়।
#খাদ্য পছন্দ অপছন্দ ও অসহ্য:
মাংস খেতে প্রচুর অনিচ্ছা, ঠান্ডা খেতে প্রচুর ইচ্ছা, মাখন ও রুটি খাবার প্রবল ইচ্ছা, দুধ খেতে ভালবাসে।
#শেষ আক্রমণের স্থান:
অস্থি পেশী ও গ্রন্থি তন্ত্র সমুহে পচন ধরে।
#ঘুমের অবস্থা:
রাত্রিতে রোগের যন্ত্রনা বৃদ্ধিতে অনিদ্রা, বাম পাশে^ শয়ন করতে চায়।
#স্বপ্নের অবস্থা:
ঋয়ের স্বপ্ন দেখে, বিষেশ কাওে মারামারিম আগুন, একসিডেন্ট ইত্যাদি।
#অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ:
অঙ্গ প্রতঙ্গে, অস্থি আবরণে সূচ বা তীর বিদ্ধাবৎ বেদনা অনুভব।
#নখসমূহ:
নখ কাগজের মত পাতলা এবং তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি ঘটে, নখেকুনি দুগন্ধ ও ক্ষতকর পুজযুক্ত।
#চর্মরোগ প্রবণতা:
চর্মে চুলকানি থাকে না, টাটানি থাকে, পুজযুক্ত রস পড়ে, গাড় মামড়ী পড়ে, অনেক সময় আঁইশ থাকে চারিপাশে অসমান। গ্লান্ড গুলি সক্রিয় থাকে।
#ঘর্ম প্রবণতা:
ঘর্ম খুব বেশী, দুগন্ধযুক্ত ক্ষতকর ঘাম হয়, ঘর্মে রোগের বৃদ্ধি ঘমে ও কাপড়ে দাগ হয়।
#দৈহিক গঠন ও আকৃতি:
হালকা পাতলা গড়ন, মুখ মন্ডলে তৈলাক্ত ঘাম, প্রয় সময় মুখে বা মুখের কোনে ঘা, লালা নিসৃতঃ হয়। ঠোটে গভীর কাটা ও নাকের মধ্যখানে টেপ খাওয়া থাকে। মাথার চুল অল্পবয়সে ঝরে যায়। মাথা ও কান শরীর অপেক্ষা বড় থাকে।
# হ্রাস-বৃদ্ধি:
সূর্যাস্তের পর হতে প্রাতঃকাল না হওয়া পর্যন্ত, অত্যাধিক গড়ম ও শীতে বৃদ্ধি, এজন্যই একে হিউম্যান থামোমিটার বলে। অস্বাভাবিক ¯্রাবে উপশম।
#রোগ সমূহ:
পুঁজযুক্ত চুলকানী, আমাশয়, ক্যান্সার, একজিমা, উচ্চ রক্তচাপ, বাগী, টাক পড়া, গুটি বসন্ত, কানপাকা, গ্যাংগ্রিন, কুষ্ঠ, মাম্পস, পাইওরিয়া।
#ঔষধ সমূহ:
অরাম মে, ক্যাল ফেøার, হিপার, এসিড নাইট, কেলী বাই, কেলী অইওড, ষ্ট্যাফি, কর্ম সল, ফাইটো, লাইকো, সিফিলি, ক্ল্যাক আর্স, ক্যাল কার্ব, ক্রিয়োজোট, আর্স, মেজোরি, এসিড ফ্লোর, আওড, সারসা, ক্লিমিটিস ইত্যাদি।
#সংকলনে: ডা.এইচ.এম.আলীমুল হক
ডিএইচএমএস (বিএইচবি), কিউএইচসিবি (বিইউবি)
চেম্বার: আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মৌচাক, মিজমিজি
সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শের জন্য: ১০০টাকা বিকাশ করুন
(বিকাশ পার্সনাল: ০১৯১৬-৫১১ ৩৩৭) তারপর কল করুন
এই নাম্বারে: 01616-511337, 01816-511337

3 Comments