হোমিওপ্যাথিক দর্শন বা ফিলোসফিঃ পাঠ্যক্রম ও সহায়কগ্রন্থ

ডি.এইচ.এম.এস. (ডিপ্লোমা) কোর্সঃ ৩য় বর্ষ ১। দর্শনের সংজ্ঞা, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, বিজ্ঞান ও দর্শনের মধ্যে পার্থক্য। ২। দর্শনের স্কুল সমূহ, মেডিসিনের বস্তুবাদ ও আদর্শবাদ। ৩। হোমিও দর্শনের মূলনীতি: (ক) কার্য-করণ তত্ত্ব; (খ) গতি সম্পর্কীয় তৃতীয় সূত্র (ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া সমান ও বিপরীতমূখী); (গ) সমজাতীয় বিকর্ষন ও ভিন্ন জাতীয় পরস্পর আকর্ষণ করে; (ঘ) শক্তির অবিনাশিতাবাদ বা

হোমিওপ্যাথির নিয়মনীতিঃ পাঠ্যক্রম ও সহায়কগ্রন্থ

ডি.এইচ.এম.এস. (ডিপ্লোমা) কোর্সঃ ১ম বর্ষ ১। হোমিওপ্যাথিক সংজ্ঞা এবং হোমিওপ্যাথির দৃষ্টিতে রোগের সংজ্ঞা। ২। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার নীতিমালা বা কোড। ৩। ইতিহাস ও জীবনী- (ক) হোমিওপ্যাথির ইতিহাস, (খ) হ্যানিম্যানের জীবনী ও কর্ম। (গ) চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও হোমিও মনিষিদের জীবনী। ৪। হোমিওপ্যাথিক নিয়মনীতির উৎস ও উৎপত্তি। ৫। নিয়মনীতির সংজ্ঞা ও মতামতের পর্থক্য। ৬। হোমিওপ্যাথিক নিয়মনীতির মূলনীতি সমূহ।

প্র্যাকটিস অব মেডিসিন বা ব্যবহারিক চিকিৎসাঃ পাঠ্যক্রম ও সহায়কগ্রন্থ

ডি.এইচ.এম.এস. (ডিপ্লোমা) কোর্সঃ ৩য় বর্ষ ও ৪র্থ বর্ষ। ৩য় বর্ষ: ১। প্র্যাকটিস অব মেডিসিনের সংজ্ঞা। ২। হোমিওপ্যাথিতে প্র্যাকটিস অব মেডিসিনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা। ৩। হোমিওপ্যাতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা। ৪। হজম প্রক্রিয়ার রোগ সমূহ: (ক) স্টোম্যাটাইটিস; (খ) গ্লোসিটিস বা জিহ্বা প্রদাহ; (গ) টনসিলাইটিস; (ঘ) ফেরিংজাইটিস; (ঙ) পেপটিক আলসার (গ্যাস্ট্রিক ও ডিওডেনাল); (চ) অন্ননালীর ক্যান্সার; (ছ) হায়াটাস হার্নিয়া;

অর্গানন অব মেডিসিন: পাঠ্যক্রম ও সহায়কগ্রন্থ

ডি.এইচ.এম.এস. (ডিপ্লোমা) কোর্সঃ ১ম বর্ষ থেকে ৩য় বর্ষ পর্যন্ত। ১ম বর্ষ: দ্বিতীয় পত্র: অর্গানন অব মেডিসিন ১। অর্গাননের ভূমিকাসহ অর্গানন শব্দের বিশ্লেষণ। ২। সময়ের বিবর্তনের ধারায় অর্গাননের বিভিন্ন সংস্করণে আলোচিত উপাধির পরিবর্তন। ৩। অর্গাননের ভূমিকা, উপক্রমনিকা এবং বিভিন্ন সংস্করণে বিশেষ করে ৫ম ও ৬ষ্ঠ সংস্করণের ব্যাখ্যা। ৪। সম্পূর্ণ সূত্র সমূহের উপদেশ সহ ১নং সূত্র থেকে

মেটেরিয়া মেডিকা ও টিস্যু রেমেডিসঃ পাঠ্যক্রম ও সহায়কগ্রন্থ

ডি.এইচ.এম.এস. (ডিপ্লোমা) কোর্সঃ ১ম বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষ পর্যন্ত। ১ম বর্ষ: প্রথম পত্র: মেটেরিয়া মেডিকা: ১। হোমিও মেটেরিয়া মেডিকার সংজ্ঞা। ২। মেটেরিয়া মেডিকার ব্যবহার বা কার্যক্ষেত্র। ৩। হোমিওপ্যাথিক ও এলোপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকার পার্থক্য। ৪। হোমিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকার উৎস সমূহ। ১ম বর্ষে পঠিতব্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমূহের তালিকা:— (১) একোনাইট নেপেলাস। (২) ইথুজা সাইনোপিয়াম। (৩) এলিয়াম সেপা।

অর্গানন অব মেডিসিন: সূত্র-২৪৫ থেকে ২৯১ পর্যন্ত। সমাপ্ত

ডি.এইচ.এম.এস (ডিপ্লোমা) কোর্সঃ ৩য় বর্ষের সিলেবাসঃ ২য় পর্ব। (৩১) ঔষধ পুনঃপ্রয়োগ প্রণালী (সূত্র-২৪৫-২৫২) #সূত্রঃ ২৪৫। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় প্রধান ধরনের বিভিন্ন রোগের এবং তাহাদের সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট অবস্থার ক্ষেত্রে কতখানি মনোযোগ দেওয়া উচিত তাহা লক্ষ্য করিয়া আমরা এখন ঔষধ, তাহার ব্যবহারবিধি এবং তাহা ব্যবহারকালে কিরূপ পথ্যাদির ব্যবস্থা করিতে হইবে তাহা আলোচনা করিতেছি। #সূত্রঃ ২৪৬। চিকিৎসাকালে প্রত্যেকটি উপশম

অর্গানন অব মেডিসিন: সূত্র-১৭২ থেকে ২৪৪ পর্যন্ত।

ডি.এইচ.এম.এস (ডিপ্লোমা) কোর্সঃ ৩য় বর্ষের সিলেবাসঃ ১ম পর্ব। (২৫) এক দৈশিক চিররোগ সমূহ (সূত্র-১৭২-১৭৩) #সূত্রঃ ১৭২। রোগ লক্ষণের অত্যন্ত স্বল্পতা হেতু আরোগ্যের পথে অনুরূপ অসুবিধা ঘটিয়া থাকে। ইহা এমন একটি অন্তরায় যাহা আমাদের বিশেষ মনোযোগের বিষয় । কারণ ইহা দূরীভূত হইলে সম্ভাব্য চিকিৎসাপদ্ধতি সমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা পূর্ণাঙ্গ এই চিকিৎসা প্রণালী ( যেখানে ইহার যন্ত্র স্বরূপ

হোমিওপ্যাথিক ঔষধের মাত্রা ও শক্তি নির্বাচন

মহাত্মা হ্যানিম্যান বলিয়াছেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সাফল্যের জন্য নির্ভুল ঔষধ নির্বাচনই যথেষ্ট নহে, পরন্তু কিরুপ ক্ষেত্রে কত শক্তির কি পরিমান বা মাত্রা প্রয়োগ করা উচিত সে সম্পর্কে জ্ঞান থাকা উচিত। আমরা সকোলেই জানি হোমিওপ্যাথিতে রোগ বলিতে কোন স্হুল বস্তু বুঝায় না এবং তাহা আমাদের সুস্হ্য দেহকেও আক্রমণ করে না। সোরা যাহাকে আমি যৌন চেতনার বিকৃত পরিণতি

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণকালীন করনীয় ও বর্জনীয়

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণকালীন যা আপনার করনীয়: ১. ঔষধ সেবনের আগে ও সেবনের পরে আধা ঘন্টার মধ্যে কিছু খাবেন না। ২. আপনার সহ্য হয় এমন পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাদ্য খাবেন। ৩. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় আহার করবেন ও নিদ্রায় যাবেন। ৪. দৈনিক কমপক্ষে ৬ ঘন্টা ঘুমাবেন। ৫. দৈনিক প্রচুর শীতল পানি পান করবেন (৪ থেকে ৫ লিটার)।

বিশ্বব্যাপি সরকার স্বীকৃত ও বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত একাডেমিক হোমিওপ্যাথি কোর্স এবং সনদপত্র

ডা. মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) : দেশে বা বিদেশে চিকিৎসা শিক্ষায় যে কোন একাডেমিক কোর্সের ডিগ্রি ও সার্টিফিকেট অনুমোদন এবং আইনগত গ্রহণযোগ্যতা/বৈধতা নিতে দরকার হয় নিজ নিজ দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় (স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর/স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয় (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ/কারিগরি শিক্ষা বিভাগ/বিশ্ববিদ্যালয় শাখা) এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) অনুমোদন সহ স্বীকৃতি প্রজ্ঞাপন/পরিপত্র।