(6) Psorinum (সোরিনাম)

সমনামঃ এ নোসোড অব সোরা, পাঁচড়ার রসগুটি।
মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক ও টিউবারকুলার।
কাতরতাঃ শীতকাতর ।
উপযোগিতাঃ জৈব উত্তাপের ও প্রতিক্রিয়ার অভাব। ঠান্ডা লাগার প্রবণতা। হালকা-পাতলা ও চিকন যারা নানা প্রকার চামড়ার রোগে আজীবন ভোগে। সোরিক ধাতুর লোকদের পক্ষে উপযোগী বেশি। ক্রনিক লক্ষণে যখন ওষুধ ভালোভাবে নির্বাচিত হয়েও উপশম দিতে পারে না বা স্হায়ীভাবে সেরে ওঠে না (তরুণ লক্ষণে- সালফার) সেই ক্ষেত্রে ও সালফার নির্নিষ্ট হয়ে প্রয়োগ করলেও উপশম দেয় না সেই ক্ষেত্রে উপযোগী। মারাত্মক তরুণ উপসর্গের জৈব প্রতিক্রিয়ার অভাব।
ক্রিয়াস্থলঃ চামড়ার ভাঁজ, কান, অন্ত্র, ডান অঙ্গে, মল-মূত্র, শ্বাসতন্ত্র।
বৈশিষ্ট্যঃ নোংরা ও দুর্গন্ধই সোরিনামের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচায়ক। আরোগ্য সম্পর্কে নৈরাশ্য, বিষয়-অাশয় কাজ-কাম বা ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে এতো হতাশা যে, সব সময় খুঁতখুঁত করে আশ-পাশের আত্মীয়-স্বজনকে জ্বালিয়ে মারে। ক্ষত, চুলকানি ও নানা প্রকার চামড়ার রোগ যোনো আজীবন সাথী। মাথা ধরলেই ক্ষুধা লাগে (ক্ষুধা লাগলে মাথা ধরা নয়)। রোগাক্রমণের আগের দিন অস্বাভাবিক সুস্হবোধ। প্রথম শ্রেণির শীতকাতুরে ; গ্রীষ্মকালেও গরম কাপড় পরে।
সারসংক্ষেপঃ জৈব উত্তাপের ও প্রতিক্রিয়ার অভাব। ঠান্ডা লাগার প্রবণতা। হালকা-পাতলা ও চিকন যারা নানা প্রকার চামড়ার রোগে আজীবন ভোগে। ধাতুগত বা বংশগত রোগের ইতিহাস। উপযুক্ত ওষুধের ব্যর্থতা, দুর্বলতা ও শীতার্ততা, রোগী অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন থাকে। দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব এবং রাক্ষুসে ক্ষুধা বা ক্ষুধাহীনতা। উত্তাপের ঝলকাবোধ: যেনো গরম পানি ঢালছে এরূপ। রাতে, আবহাওয়া পরিবর্তনে, কফিপানে, ঠান্ডা হতে গরম পড়লে, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, ঠান্ডা বাতাসে, বিছনার গরমে, ঝড়-বৃষ্টির সময়ে ও আগে এবং তীব্র সূর্যোত্তাপে বাড়ে। আহারে, প্রচুর ঘাম বেরোলে, গরমে, গরম কাপড় পড়লে ও স্রাব বেরোলে কমে। উৎকন্ঠা, উদ্বেগ, আতঙ্ক, নৈরাশা ও অবসাদের সাথে আত্মহত্যার চিন্তা। ধর্মানুরাগ, অস্হিরতা, স্নায়বিকতা, বিষণ্নতা ও ভয়। উদ্ভেদের সাথে মানসিক অস্হিরতা। গোসলে ভীতি।
অনুভূতিঃ ১) থলখলে ভাবের অনুভূতি । ২) উত্তাপের ঝলকাবোধ: উত্তাপের অনুভূতি।
ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) । ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) টাইফাস জ্বরের ক্ষেএে হতাশ হয়ে যায়। তবে নাক থেকে রক্তস্রাব হবার পর আরাম বোধ করে, এমন কি তার হতাশা কমে যায়। ২) উদ্ভেদের সাথে মানসিক অস্হিরতা। ৩) মাথা ব্যথার আগে দৃষ্টিতে কালো দেখে। ৪) মাথা ব্যথার আগে দৃষ্টিত সবকিছু নাচতে দেখে।
< বৃদ্ধিঃ রাতে, ঠাণ্ডায়, খোলা বাতাসে, ঠাণ্ডা বাতাসে, কফিপানে (সোরিনামের রোগী যতোদিন কফি পান করে ততোদিন আরোগ্র হয় না), চামড়ার রোগ বসে গেলে, আবহাওয়ার পরিবর্তনে, শীতকালে, রাতে, বিছানার গরমে, উপবাসে ঝড়বৃষ্টির সময়ে ও অাগে, তীব্র সূর্যোত্তাপে।
> হ্রাসঃ শয়নে, আহারে, প্রচুর ঘাম বেরোলে, গরমে, গরম কাপড় পড়লে, মাথা নিচু করে শুলে, বাহুদ্বয় শরীরের সামনে প্রসারিত করলে, স্রাব বেরোলে।
কারণঃ ক্ষুধা হতে, ঘাম চাপ পড়ে, ঝড়, অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হওয়ার মূহুর্তে, সূর্যালোকে থাকার ফলে, চামড়ার রোগ চাপা পড়া, বংশগত।
ক্রিয়ানাশকঃ কফি, কার্বো, কোনি, ল্যাকে, নাক্স-ভ, সিপি।
প্রয়োগঃ সোরিনাম বার বার প্রয়োগ করবেন না সোরিনামের ক্রিয়া প্রকাশিত হতে ৯ দিনের মতো সময় লাগে।একমাত্রাতেই দীর্ঘকাল স্হায়ী লক্ষণগুলোকে দূর করতে পারে (এগিডি) ।
ক্রিয়ানাশকঃ কফি, কার্বো-ভে, কোন, ল্যাকে,নাক্স-ভ, সিপি।
অসহ্যঃ উলের পোশাক ।

= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা সোরিনাম প্রয়োগ করতে পারবো।