Apis Mel (এপিস মেল)

মৌমাছির হুল বিষ (এপিয়াম ভাইরাস)
# নিজস্বকথাঃ
১। মূত্রস্বল্পতা ও মুত্রকষ্ট।
২। জ্বালা ও ফোলা, চোখরে নম্নিপাতা ফোলা।
৩। র্স্পশকাতরতা ও গরমকাতরতা।
৪। সূচীবদ্ধিবৎ বদেনা। পপিাসাহীনতা।
# মূলকথাঃ
১। মৌমাছি হুল ফুটালে যেরূপ জ¦ালা যন্ত্রণা হয়, সেরূপ জ¦ালা যন্ত্রণা, অত্যন্ত স্পর্শকাতরতা, রোগ লক্ষণ সমূহ তীব্য ও দ্রুতবেগে আসে।
২। সমস্ত শরীরে বা চোখের নিচের পাতায় শোথ বা ফোলা।
৩। তৃষ্ণার অভাব, ঘামের অভাব, প্রস্রাবের পরিমাণ কম।
৪। অত্যন্ত বিমর্ষ ও অতি সহজেই কেঁদে ফেলে, যেন না কেঁদে থাকতে পারে না, খিটখিটে স্বভাব, অত্যন্ত ব্যস্ত ও চঞ্চল।
৫। কোন কাজ করতে গেলে হাতের জিনিস পরে যায়।
৬। ডিম্বকোষে থেঁৎলানো বেদনা।
# উপযোগতিা ঃ
* গন্ডমালাধাতু বশিষ্টি যাদরে গালগলার গ্লাণ্ড ফোল, গ্রন্থি বা গ্লাণ্ড বৃদ্ধি ও শক্ত হয়। সরিাস ক্যান্সার বা খোলা ক্যান্সার যা শক্ত ফাইব্রাস তন্তু থকেে উৎপন্ন।
* স্ত্রীলোক বিশেষত বিধবাদের উপর্সগ, শিশু ও বালিকা, যদিও সর্তক তবুও সময়ে সময়ে আপটু হয়ে পড়-ে জিনিষপত্র নাড়াচাড়ার সময় হাত থকেে অজান্তে পড়ে যায় (বোভষ্টিা)।
# রোগের উৎপত্তি বা কারণ ঃ
তরুণ উদ্ভদে সর্ম্পূণভাবে দখো না দলিে বা চাপা পড়ার কুফলে (জঙ্কিাম), হাম, স্কারলটে জ্বর, শীতপত্তি, হিংসা, ভয়, রাগ, বিরক্তি, দুঃসংবাদ হতে উৎপন্ন রোগ।
# মানসিক লক্ষণ ঃ
* খিটখিটে, স্নায়ুবিক, চঞ্চল- তাকে সন্তুষ্ট করা কঠিন। কাঁদো কাঁদো ভাব- না কেঁদে থাকতে পারে না। সাহসশুন্য হতাশাভাব (পালস)।
* জাগা বা ঘুমানো অবস্থায় শিশু হঠাৎ জোরে মর্মভেদী চিৎকার করে উঠে (হেলিবো)।
# শোথঃ
* চোখের নীচের পাতায় থলির মত ফুলে থাকে (উপর পাতায় ফোলা- কেলি-কার্ব); হাতে পায়ে ফোলা, শোথ কিন্তু পিপাসাহীন (শোথ কিন্তু পিপাসা থাকে- এসিড এসেটিক, এপোসাই)।
* সর্বাঙ্গীন শোথ ও উদরী রোগে তৃষ্ণা থাকে না (এসিড এসেটিক- যাতে মুখ মোমের মত ফ্যাকাশে ও অত্যন্ত তৃষ্ণা থাকে)।
# ব্যাথা বেদনাঃ
* বেদনা জ¦ালাযুক্ত হুল বেঁধার মত, ক্ষতবৎ- হঠাৎ এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় সরে সরে যায় (কেলি-বাই, ল্যাক-ক্যা, পালস)।
* অত্যন্ত স্পর্শানুভূতি (বেল, ল্যাকে)।
# প্রস্রাবঃ
প্রস্রাব চাপতে পারে না সেই সাথে মূত্রপথে অত্যন্ত প্রদাহ- এক মূহুর্তও অপেক্ষা করতে পারে না। মূত্রত্যাগের সময় মূত্রপথে গরমে ঝলসে যাওয়ার মত জ¦ালা হয়। প্রস্রাব বারেবারে কিন্তু পরিমাণে অল্প, রক্তাক্ত, যন্ত্রণাদায়ক।
# কোষ্ঠবদ্ধতাঃ
যেন পেটে কিছু চাপ বেধে আছে, জোরে চাপ দিলে যেন পেট ফেটে যাবে।
# উদরাময়ঃ
চর্মরোগ বা উদ্ভেদযুক্ত রোগে বিশেষত উদ্ভেদ চাপা পড়ে থাকে, মাতালদের একটু নড়াচড়ায় অসাড়ে মলত্যাগ- মনে হয় মলদ্বার যেন খোলা রাখা আছে (ফস)।
# অবিরাম জ্বরঃ
শীতভাব আসে বেলা ৩টায় সেই সাথে পিপাসায় (ইগ্নে), গরম ঘরে বৃদ্ধি, উত্তাপে বৃদ্ধি (থুজা- বেলা ৩টায় ও রাত ৩টায় বৃদ্ধি)
# বৃদ্ধিঃ ঘুমের পর (ল্যাকে), বন্ধ ঘর বিশেষকরে গরম ও উত্তপ্ত ঘর রোগী সহ্য করতে পারে না, পানিতে ভিজে বৃদ্ধি (রাসটক্স) কিন্তু পানিতে শরীর ধৌত করলে ও আক্রান্ত স্থান পানিতে মুছলে উপশম হয়।
# উপশমঃ খোলা বাতাসে, ঠান্ডা পানিতে গোছলে, গায়ের কাপড় খুলে ফেললে, হাঁটাচলায় ও স্থান পরিবর্তনে, সোজা হয়ে বসলে।
# সম্বন্ধঃ
* সাদৃশ্য- স্কারলেট ফিভার ও এলবুমেনযুক্ত প্র¯্রাবে ক্যান্থারিস, ডিজিটালিস, হেলিবোরাস ব্যর্থ হলে এপিস মেল দ্বারা রোগ সেরে যায়।
* অনুপুরক- নেট-মিউর
* অনিষ্টকারক- রাসটক্সের আগে বা পরে চলে না।
* পরবর্তী- এপিসের পর আর্সেনিক ও পালসেটিলা ভাল কাজ দেয়।
শক্তি- ৬, ৩০, ২০০
সূত্র- এলেন কিনোটস অফ মেটিরিয়া মেডিকা

2 Comments