(40) Thuja Occi (থুজা অক্সি)

♣ সমনামঃ আরবর ভাইটাই, ওআইট সীডার, জীবনবৃক্ষ।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক।
♣ সাইডঃ বামপাশ, ওপরে বামপাশ নিচে ডানপাশ।
♣ কাতরতাঃ শীতকাতর, উভয় কাতর।
♣ উপযোগিতাঃ হাইড্রোজেনয়েড ধাতু, প্রমেহ বিষদুষ্ট ধাতুু এবং সামান্য পরিমাণে সিফিলিস ধাতুর লোকদের পক্ষে উপযোগী। কাজের সাথে কারণের যেরূপ সম্বন্ধ হাইড্রোজেনয়েড ধাতুর সাথে সাইকোসিস মায়াজমের সেইরূপ সম্বন্ধ।
শ্লেষ্মা প্রধান ধাতুর লোকদের যারা খুব মোটাসোটা, রঙ কালো, কালোচুল, অপরিষ্কার চামড়া এমন লোকদের অসুখে খুব ভালো কাজ করে।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ মিউকাস মেমব্রেনস, মূত্র ও জননযন্ত্র, অন্ত্রসমূহ, মন, স্নায়ু, মাথার পেছন দিক, গ্ল্যান্ডস, চামড়া, রক্ত, মস্তিষ্ক, পাকাশয়-অন্ত্রপ্রদাহ, বাম ওভারি। মলদ্বার ও চামড়ার ওপর এর প্রধান ক্রিয়া: তবে সাইকোসিস দোষের ওপরই এর ক্রিয়া সর্বাধিক।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ এর প্রধান ঔষধি কাজ মাংসার্বুদ ডুমুরের মতো মাংসপিণ্ড এবং স্পঞ্জের মতো অর্বুদ প্রভৃতি উৎপন্ন করা। এটি মন, অনুভূতি ও কোষকলার বিকৃতি ঘটায়। এটি শক্ত টিস্যুকে নরম টিস্যুতে পরিণত করে।
♣ সারসংক্ষেপঃ সাইকোটিক এবং শ্লেষ্মাপ্রধান ধাতুবিশিষ্ট কালোবর্ণ মোটাদেহবিশিষ্ট রক্তহীন লোকের টীকা ও প্রমেহ অবরুদ্ধ হেতু শারিরীক ও মানসিক বিকৃতি। এটি মন, অনুভূতি ও কোষকলার বিকৃতি ঘটায়। আড়াআড়িভাবে অনুভূতি বাম উর্ধাঙ্গ, ডান নিম্নাঙ্গ। অপরাহ্নে, ভোর ৩টায়, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, আর্দ্র আবহাওয়ায়, চর্বিতে, পিঁয়াজে, মাংসে, মাসলাদার খাদ্যে, বায়ুতে ও স্ত্রী সংগমে বাড়ে। শীতল পানীয়ে, চিৎ হয়ে শুলে, ঘুমের পরে, গরমে, পায়ের ওপর আড়া-আড়ি পা চাপালে, সঞ্চালনে কমে। খিটখিটে, ক্রোধ, উৎকন্ঠা, খুঁতখুতে, গোপনপ্রিয়তা, আত্মবিশ্বাসের অভাব, ভ্রান্ত বিশ্বাস, বিস্তৃতিপরায়ণ, উত্তেজনাপ্রবণতা, বিষণ্নতা, ভয়, ধর্মোন্মাদ ও কাঁদে। মূত্রবেগ আসলে ওভারিতে/ ডিম্বায়ে ব্যথা হয়। মাথা ছাড়া শরীরের অন্যত্র অনাবৃত অংশে প্রচুর ঘাম হয়। সর্দি হলে সার্বদৈহিক লক্ষণের উপশম হয়।
♣ অনুভূতিঃ ১) একগাছি চুল থাকার মতো অনুভূতি। ২) উত্তাপের ঝলকাবোধ: শীত শীত ভাবসহ।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) কথা বলতে গেলে বাক্যের শেষ শব্দ ছুটে যায়। ২) টিকা দেয়ার পর পাকস্হলীতে ব্যথা হয় বা আঙুল হাড়া হয় যা শুরু হয় নখের চারপাশ হতে বা অস্হিরতা। ৩) হাতে ও পায়ের শীতলতার সাথে উরুতে উত্তাপাবস্থা। ৪) ব্যথাকর লিঙ্গোত্থান হতে অনিদ্রা।
< বৃদ্ধিঃ প্রাতে, সকালের নাস্তার পর, অপরাহ্নে, বেলা ৩টায়, রাতে, অবস্হান পরিবর্তনে, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, আর্দ্র আবহাওয়ায়, আহারের পরে, গ্রীষ্মকালে, অনাচ্ছাদনে, বায়ুতে, বিছানায় শুলে, বিছানার গরমে, চোখ বন্ধ করলে, স্ত্রী সঙ্গমের।
> হ্রাসঃ শীতল পানীয়ে, আক্রান্ত অঙ্গে হাত রাখলে, চিৎ হয়ে শুলে, একপাশে চেপে শুলে,ঘামের পর, ঘুমের পর, মর্দনে, গরমে, স্পর্শে, চাপে, পায়ের ওপর আড়া-আড়ি পা চাপালে, মাথা ডাকলে, হাঁচলে, সঞ্চালনে, বাত আক্রান্তস্থান ঢেকে রাখলে।
♣ কারণঃ টীকা নেয়া, গনোরিয়া, গনোরিয়া চাপা পড়লে, যৌন অপব্যবহার, সূর্যাঘাত, সালফার, পারদ, চা, কফি, মদ, মিষ্টি, পেঁয়াজ, ধুমপান, জীবজন্তুর দংশন।
♣ ইচ্ছঃ ঠান্ডা পানীয়ে, লবণ, ঠান্ডা খাদ্য।
♣ অনিচছাঃ লোকসঙ্গ, সঞ্চালনে, মাংস, আলু, পেয়াজ।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ ক্যাম্ফ, ক্যামো, কক্কাস, মার্ক, পালস, স্যাবাইনা, সালফ, স্ট্যাফি।
♣ প্রয়োগঃ থুজা পুঁজযুক্ত বসন্তকে সক্রিয় করে।

= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা থুজা প্রয়োগ করতে পারবো।