Sepia Off (সিপিয়া অফ): গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকসহ

৪৩.১। সিপিয়া অফিসিন্যালিস (Sepia Off)।
D.H.M.S. (3rd year).
♣ সমনামঃ কাটল ফিস, সিপিয়া, সিপিয়া সাক্কাস।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক,সিফিলিটিক, টিউবারকুলার।
♣ সাইডঃ বামপাশ, অল্টারনেট পাশ।
♣ কাতরতাঃ শীতকাতর ।
♣ উপযোগিতাঃ ঠান্ডা লাগার প্রবণতা, স্তনদুগ্ধপায়ী শিশু, শ্লেষ্মাক্ষরণ বর্ধিত, আলস্য, কৃশ/ শুকনে ব্যক্তি। চুল কালো, দৃঢ় পেশিতন্তু অথচ নম্র ও শান্ত প্রকৃতি ( পালস) এমন লোকদের রোগে উপযোগী। সাধারণতঃ গর্ভাবস্থায় যেসব অসুখ, হয়ে থাকে, প্রসূতি অবস্হায় বা স্তনদানকালে যে সব অসুখ হয়ে থাকে যেসব রোগে হঠাৎ অবসন্নতা, নিমগ্নভাব ও মূর্ছামতো হয় ( মিউরেক্স, নাক্স-ম) এমন রোগে উপযোগী।
এ ওষুধকে “ধোপানীর ওষুধ” বলা হয়, কারণ কাপড় কাচিয়ে বা ইস্ত্রি করে রোগ হয় বা বেড়ে যায়।
পুরুষালি গঠনের স্ত্রীলোক, স্ত্রীলোকের গঠনের পুরুষলোক, হরমোন প্রবাহের রুদ্ধগতি জনিত অসুস্হতা।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ শিরা, রক্ত সঞ্চালন, পরিপাক স্থল, উদর, স্ত্রী জননেন্দ্রিয়, যকৃত, নার্ভ, চামড়া।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ শিরায় রক্তাধিক্যসহ যকৃতবিধানের ওপর বিশেষরূপে কাজ করে। রক্ত সঞ্চালন কাজের বাঁধার জন্য কোষ্ঠের পক্ষাঘাত এবং ক্লান্তিভাব ও বিষাদ।
♣ সারসংক্ষেপঃ ঠান্ডা লাগার প্রবণতা, স্তনদুগ্ধপায়ী শিশু, শুকনো ব্যক্তি: পুরুষালি গঠনের স্ত্রীলোক, স্ত্রীলোকের গঠনের পুরুষলোক। রক্ত সঞ্চালন কাজের বাঁধার জন্য কোষ্ঠের পক্ষাঘাত এবং ক্লান্তভাব ও বিষাদ। হলুদবর্ণ চামড়া। শরীরের অভ্যন্তরে একটি গোলা বা বল থাকার অনুভূতি। দিবাভাগে, সন্ধাকালে, রাতে, গোসলে, সান্ত্বনায়, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, দুধে, শুক্রপাতে, ঋতুস্রাবের আগে, প্রারম্ভে, সময়ে ও পরে বাড়ে। দৈহিক পরিশ্রমে, কর্মব্যস্ততায়, শীতল পানীয়ে, জাগরণে ও গরম প্রয়োগে কমে। বিষণ্নতা, অধৈর্যভাব, কাঁদে, আলস্য, ভয়, ক্রোধ, উত্তেজনাপ্রবণতা, বিরূপভাব, লোকসঙ্গ বিতৃষ্ণা, উদাসীনতা ও অত্যানুভূতিযুক্ত। পুন: পুন: অঞ্জনি হওয়ার পর চোখের পাতায় টিউমার বা অর্বুদ। অতিরিক্ত রক্তক্ষয়, স্বামী সহবাস অথবা অতিরিক্ত গর্ভধারণজনিত জরায়ুর শিথিলতা। উদরে শূন্যবোধ, মলদ্বারে পূর্ণতাবোধ।
♣ বিশেষ লক্ষণঃ কোনো কিছুকে ধরে সে অকারণে চিৎকার করতে থাকে।
♣ অনুভূতিঃ ১) যখন খাবারের চিন্তা করে তখন পাকস্হলীতে শূন্যবোধ হয় । ২) মলদ্বারে পিন্ড থাকার অনুভূতি এবং তা মলত্যাগেও উপশম হয় না। ৩) উত্তাপের ঝলকাবোধ: সন্ধাকালে। ৪) ভারবোধ: বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) দিনের বেলায় দুধের মতো সাদা স্রাব হয় । ২) ক্ষীণ মহিলাদের ঋতুস্রাব চাপা পড়ে। ৩) পূর্ণিমায় চাঁদে/ ঋতুস্রাবকালে পিপাসা হতে / পায়ের ক্লান্তিবোধ হয়ে অনিদ্রা।
< বৃদ্ধিঃ দিবাভাগে, প্রাতে, পূর্বাহ্নে, অপরাহ্নে, সন্ধাকালে, রাতে, গোসলে, সান্ত্বনায়, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, ঠান্ডা বাতাসে, ঠান্ডা লাগালে, আহারের পর, শুক্রপাতে, দৈহিক পরিশ্রমে, উপবাসকালে, বিছানায় শুলে, ঋতুস্রাবের আগে, প্রারম্ভে, সময়ে ও পরে, গাড়িতে, ঘর্ষণে, বসাবস্হায়, ঘুমের আগে, শুরুতে।
> হ্রাসঃ আহারের পরে, দৈহিক পরিশ্রমে, কর্মব্যস্ততায়, আমোদে-প্রমোদে,শীতল পানীয়ে, জাগরণে, গরম বিছানায়।
♣ কারণঃ জৈব তরল পদার্থের ক্ষয়, হস্তমৈথুন, অতিরিক্ত যৌনক্রিয়া, ক্রোধ এবং বিরক্তি, পানিতে কাজ করলে, সজোরে আঘাত, ধোপার কাজ ।
♣ ইচ্ছঃ মদ, ভিনেগার, অম্ল, মিষ্টি।
♣ অনিচছাঃ গোসলে, খোলা বাতাসে, মাংস, চর্বি, দুধ, লবাণাক্ত খাদ্য, পনির।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ অ্যাসে-অ্যাসি, আর্নি, অ্যান্টি-ক্রু, অ্যান্টি-টা, মার্ক-কর, মার্ক-সল, রাস, সালফ।
♣ শত্রুভাবাপন্নঃ অ্যান্টি-টা, চায়না, ডেফনি-ইন্ডিকা, নেট্র-ফস।
♣ প্রয়োগঃ যে সকল রোগীর হোমিওপ্যাথদের দ্বারা অনিষ্ট সাধন হয়েছে তাদের পুনরায় সুচিকিৎসার উপযোগী করে তুলতে সিপিয়া তুলনাহীন। —- ডা. গুট ম্যান।
= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা সিপিয়া প্রয়োগ করতে পারবো।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুব্রিকঃ (ক্যান্ট রেপার্টরী অনুযায়ী)
১) অন্যমনষ্ক ( Absent- minded) / অন্য বিষয়ে নিবিষ্টচিত্ত ( Pre-occupied) – A= অ্যাপিস, ক্যানা-ই, কস্টি, ক্যামো, হেলি, ল্যাকে, মেজের, ন্যাট্র-মি, নাক্স-ম, প্লাটি, পালস, সিপি, ভিরেট।
২) ক্রোধ (Anger) ঃ-খিটখিটে ভাব- অ্যাকোন, অ্যানাকা,আর্স, অরাম, ব্রায়ো, ক্যামো, ইগ্নে ক্যালি-কা,ক্যালি-সাল, লাইকো, ন্যাট্র-মি, নাই-অ্যামি,নাক্স-ভ, পেট্রো,সিপি,স্ট্যাফি, সালফ।
৩) ধনলিপ্সা ( Avarice) A= আর্স। B= লাইকো, পালস, সিপি। C= ব্রায়ো, ক্যাল্ক-ফ্লু, সিনা, কলো, মেলিলো, ন্যাট্র-কা, রিউম।
৪.১) বিরূপভাব: স্বামীর প্রতি/ স্বামীর প্রতি বিতৃষ্ণা ( Husband, aversion to) – A= সিপি। B= গ্লোন, ন্যাট্র-কা।
৪.২) বিরূপভাব: পরিবারের লোকদের প্রতি- A= সিপা। B= ক্যাল্ক, ক্রোটেল, ফ্লু-অ্যাসি, ন্যাট্র-কা।
৫) বিষয় কর্মে ( Business) বিতৃষ্ণা- A= সিপি।
B= ব্রোমি, কোনি, ল্যাকে, ফাইটো, পালস, সালফ।
৬) ছিদ্রাম্বেষী (Censorious )/দোষদর্শী/সমালোচনাপ্রবণ (Critical)/দোষ ধরার প্রবৃত্তিযুক্ত (Faultfinding) A= আর্স, সালফ। B= আর্নি, ব্যারা-কা, কস্টি, ইপি, ল্যাকে, লাইকো, মেজের, নাক্স-ভ, প্ল্যাটি, সিপি, ভিরেট।
৭) আনন্দিত: বজ্র-বিদ্যুৎকালে- B= সিপি।
৮) মনোসংযোগ: কষ্টকর- A= অ্যানাকা, ব্যারা-কা, কার্বো-সাল, কার্বো-ভে, কষ্টি, গ্লোন, গ্র্যাফ, হেলি, ল্যাকে, ল্যাসি, লাইকো, ন্যাট্র-আর্স, নাক্স-ম, নাক্স-ভ, ফস-অ্যাসি, ফস, সিপি, সাইলি।
৯) মনের বিশৃঙ্খল অবস্হা ( Confusion) : A= বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কার্বো-ভে, ককুল, ইউপি, গ্লোন, ল্যাকে, মার্ক, ন্যাট্র-মি, নাক্স-ম, নাক্স-ভ, ওনোস, ওপি, পেট্রো, রাস, সিপি, সাইলি, স্ট্রিকনি।
১০) সান্ত্বনা দিলে বৃদ্ধি (Consolation)- A= ইগ্নে, ন্যাট্র-মি, সিপি, সাইলি।
১১) প্রতিবাদ (Contradiction) সহ্য করতে পারে না- A= অরাম, ইগ্নে, লাইকো, সিপি।
১২) ) মানসিক পরিশ্রমে বৃদ্ধি (Exertion) : –
A- আর্জ-মেট, আর্জ-নাই, অরাম, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, ইগ্নে, ক্যালি-ফস, ল্যাকে, লাইকো, ন্যাট্র-কা, ন্যাট্র-মি, নাক্স-ভ, সেলিনি, সিপি, সাইলি, স্ট্যাফি।
১৩ ) দ্রুত ক্রিয়াশীল (Impetuous)- A= হিপার, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ সিপি।
১৪) আলস্য, কাজ-কর্মে অনিচ্ছা (Indolence, aversion to work )/ উচ্চাকাঙ্ক্ষা (Ambition) লুপ্ত- A= কার্বো-সাল, চেলিডো, চায়না, গ্র্যাফ, ল্যাকে, ন্যাট্র-মি, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ, সিপি, সালফ।
১৫) ভয় (Fear) / আতঙ্ক (Dread)/ বিষম ভয় (Horror)- A= অ্যাকোন, আর্জ-নাই, অরাম, বেল, বোরা, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, কার্বো-সাল, সাইকু, গ্র্যাফ, ক্যালি-অার্স, লাইকো, লাইসি, ন্যাট্র-কা, ফস, প্ল্যাটি, সোরিন, সিপি, স্ট্র্যামো ।
১৬) বিষন্নতা, মানসিক অবসাদ ( Sadness, mental depression) – A= অ্যাকোন, আর্স, আর্স-আই, অরাম, অরাম-মি, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-আর্স, ক্যাল্ক-সাল, কার্বো-অ্যানি, কার্বো-সাল, কস্টি, ক্যামো, চায়না, সিমিসি, ক্রোট-কা, ফেরাম, ফেরা-আই, জেলস, গ্র্যাফ, হেলি, হিপ্পো, ইগ্নে, আই, ক্যালি-ব্রো, ক্যালি-ফস, ল্যাক-ক্যান, ল্যাকে, ল্যাপ্টে, লিলি-টি, লাইকো, মার্ক, মেজের, মিউরে, ন্যাট-আর্স, ন্যাট্র-কা, ন্যাট্র-মি, ন্যাট্র-সাল, নাই-অ্যাসি, প্ল্যাটি, সোরিন, পালস, রাস, সিপি, স্ট্যানা, সালফ, থুজা, ভিরেট।
১৭) রাতে (Night) বাড়ে- A= অ্যাকোন, আর্জ-নাই, আর্নি, আর্স, আর্স-আই, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-আই, ক্যাল্ক-ফস, ক্যাল্ক-সাল, কার্বো-অ্যানি, কার্বো-সাল, ক্যামো, চায়না, সিন্নাবে, কফি, কলচি, কোনি, সাইক্লে, ডালকা, ফেরাম, ফেরা-আর্স, ফেরা-আই, গ্র্যাফ, হিপার, হায়োস, আয়োড, ইপি, ক্যালি-আর্স, ক্যালি-বাই, ক্যালি-কা, ক্যালি-আই, ল্যাকে, লিলি-টা, ম্যাগ-কা, ম্যাগ-মি, ম্যাঙ্গে, মার্ক, নাই-অ্যাসি, ফস, প্লাম্বা, সোরিন, পালস, রাস,রোমেক্স, সিপি, সাইলি, স্ট্রনসি, সালফ, ট্যালু, জিঙ্ক ।
১৮) গোসলে (Bathing) ভীতি- A= অ্যামন-কা, অ্যান্টি-ক্রু, ক্লিমে, সোরিন, রাস, সিপি, স্পাইজে, সালফ।
১৯) সাধারণভাবে ঠান্ডায় বাড়ে-(Cold in general agg)- A= আর্স, ব্যারা-কা, ক্যাল্ক-আর্স, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফ্লু, ক্যাল্ক-ফস, ক্যাল্ক-সিলি, ক্যাপসি, কস্টি, চায়না, ডালকা, গ্র্যাফ, হিপার, হাইপেরি, ক্যালি-আর্স, ক্যালি-কা, ক্যালি-ফস, লাইকো, ম্যাগ-ফস, মস্কাস, ন্যাট্র-আর্স, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ, ফস, সোরিন, পাইরো, র্যানান-বা, রাস, রিউমেক্স, স্যাবাডি, সিপি, সাইলি, স্পাইজে, স্ট্রনসি।
২০) ঠাণ্ডা বাতাসে বাড়ে- অ্যাগারি, অ্যালি-স্যা, আর্স, অরাম, ব্যারা-কা, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, ক্যাম্ফ, কস্টি, সিমিসি, সিস্টা, ডালকা, হেলি, হিপার, হাইপেরি, ক্যালি-আর্স, ক্যালি-কা,লাইকো, ম্যাগ-ফস, মস্কাস, নাক্স-ভ, নাক্স-ম, সোরিন, র্যানান-বা, রডো, রাস, রিউমেক্স, স্যাবাডি, সিপি, সাইলি, স্ট্রনসি ।
২১) ঠান্ডা লাগার প্রবণতা- A=অ্যাকোন, অ্যালু, ব্যারা-কা, ব্রায়ো, ক্যালি-ফস, ক্যামো, ডালকা, হিপার, ক্যালি-কা, ক্যালি-ফস, লাইকো, মার্ক, ন্যাট্র-আর্স, ন্যাট্র-মি, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ, সোরিন, রিউমেক্স, সিপি, সাইলি, টিউবার ।
২২) উত্তাপের ঝলকাবোধ (Flashes of heat) – A=ক্যাল্ক, কস্টি, ককুল, গ্লোন, ল্যাকে, লাইকো, ম্যাঙ্গে, ন্যাট্র-সাল, নাই-অ্যাসি, ফস, সোরিন, সিপি, সালফ, সাল-অ্যাসি, স্যাম্বুল, থুজা, টিউবার ।
২৩) উত্তাপের ঝলকাবোধ: যেনো গরম পানি ঢালছে এরূপ- A= আর্স, সোরিন, সিপি। B= পালস, রাস। C= ব্রায়ো, ফস-অ্যাসি, ফস।

#সংকলনে: ডা.এইচ.এম.আলীমুল হক
ডিএইচএমএস (বিএইচবি), কিউএইচসিবি (বিইউবি)
চেম্বার: আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মৌচাক, মিজমিজি
সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শের জন্য: ১০০টাকা বিকাশ করুন
(বিকাশ পার্সনাল: ০১৯১৬-৫১১ ৩৩৭) তারপর কল করুন
এই নাম্বারে: 01616-511337, 01816-511337