(37) Sepia Off (সিপিয়া অফ)

♣ সমনামঃ কাটল ফিস, সিপিয়া, সিপিয়া সাক্কাস।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক,সিফিলিটিক, টিউবারকুলার।
♣ সাইডঃ বামপাশ, অল্টারনেট পাশ।
♣ কাতরতাঃ শীতকাতর ।
♣ উপযোগিতাঃ ঠান্ডা লাগার প্রবণতা, স্তনদুগ্ধপায়ী শিশু, শ্লেষ্মাক্ষরণ বর্ধিত, আলস্য, কৃশ/ শুকনে ব্যক্তি। চুল কালো, দৃঢ় পেশিতন্তু অথচ নম্র ও শান্ত প্রকৃতি ( পালস) এমন লোকদের রোগে উপযোগী। সাধারণতঃ গর্ভাবস্থায় যেসব অসুখ, হয়ে থাকে, প্রসূতি অবস্হায় বা স্তনদানকালে যে সব অসুখ হয়ে থাকে যেসব রোগে হঠাৎ অবসন্নতা, নিমগ্নভাব ও মূর্ছামতো হয় ( মিউরেক্স, নাক্স-ম) এমন রোগে উপযোগী।
এ ওষুধকে “ধোপানীর ওষুধ” বলা হয়, কারণ কাপড় কাচিয়ে বা ইস্ত্রি করে রোগ হয় বা বেড়ে যায়।
পুরুষালি গঠনের স্ত্রীলোক, স্ত্রীলোকের গঠনের পুরুষলোক, হরমোন প্রবাহের রুদ্ধগতি জনিত অসুস্হতা।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ শিরা, রক্ত সঞ্চালন, পরিপাক স্থল, উদর, স্ত্রী জননেন্দ্রিয়, যকৃত, নার্ভ, চামড়া।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ শিরায় রক্তাধিক্যসহ যকৃতবিধানের ওপর বিশেষরূপে কাজ করে। রক্ত সঞ্চালন কাজের বাঁধার জন্য কোষ্ঠের পক্ষাঘাত এবং ক্লান্তিভাব ও বিষাদ।
♣ সারসংক্ষেপঃ ঠান্ডা লাগার প্রবণতা, স্তনদুগ্ধপায়ী শিশু, শুকনো ব্যক্তি: পুরুষালি গঠনের স্ত্রীলোক, স্ত্রীলোকের গঠনের পুরুষলোক। রক্ত সঞ্চালন কাজের বাঁধার জন্য কোষ্ঠের পক্ষাঘাত এবং ক্লান্তভাব ও বিষাদ। হলুদবর্ণ চামড়া। শরীরের অভ্যন্তরে একটি গোলা বা বল থাকার অনুভূতি। দিবাভাগে, সন্ধাকালে, রাতে, গোসলে, সান্ত্বনায়, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, দুধে, শুক্রপাতে, ঋতুস্রাবের আগে, প্রারম্ভে, সময়ে ও পরে বাড়ে। দৈহিক পরিশ্রমে, কর্মব্যস্ততায়, শীতল পানীয়ে, জাগরণে ও গরম প্রয়োগে কমে। বিষণ্নতা, অধৈর্যভাব, কাঁদে, আলস্য, ভয়, ক্রোধ, উত্তেজনাপ্রবণতা, বিরূপভাব, লোকসঙ্গ বিতৃষ্ণা, উদাসীনতা ও অত্যানুভূতিযুক্ত। পুন: পুন: অঞ্জনি হওয়ার পর চোখের পাতায় টিউমার বা অর্বুদ। অতিরিক্ত রক্তক্ষয়, স্বামী সহবাস অথবা অতিরিক্ত গর্ভধারণজনিত জরায়ুর শিথিলতা। উদরে শূন্যবোধ, মলদ্বারে পূর্ণতাবোধ।
♣ বিশেষ লক্ষণঃ কোনো কিছুকে ধরে সে অকারণে চিৎকার করতে থাকে।
♣ অনুভূতিঃ ১) যখন খাবারের চিন্তা করে তখন পাকস্হলীতে শূন্যবোধ হয় । ২) মলদ্বারে পিন্ড থাকার অনুভূতি এবং তা মলত্যাগেও উপশম হয় না। ৩) উত্তাপের ঝলকাবোধ: সন্ধাকালে। ৪) ভারবোধ: বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) দিনের বেলায় দুধের মতো সাদা স্রাব হয় । ২) ক্ষীণ মহিলাদের ঋতুস্রাব চাপা পড়ে। ৩) পূর্ণিমায় চাঁদে/ ঋতুস্রাবকালে পিপাসা হতে / পায়ের ক্লান্তিবোধ হয়ে অনিদ্রা।
< বৃদ্ধিঃ দিবাভাগে, প্রাতে, পূর্বাহ্নে, অপরাহ্নে, সন্ধাকালে, রাতে, গোসলে, সান্ত্বনায়, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, ঠান্ডা বাতাসে, ঠান্ডা লাগালে, আহারের পর, শুক্রপাতে, দৈহিক পরিশ্রমে, উপবাসকালে, বিছানায় শুলে, ঋতুস্রাবের আগে, প্রারম্ভে, সময়ে ও পরে, গাড়িতে, ঘর্ষণে, বসাবস্হায়, ঘুমের আগে, শুরুতে।
> হ্রাসঃ আহারের পরে, দৈহিক পরিশ্রমে, কর্মব্যস্ততায়, আমোদে-প্রমোদে,শীতল পানীয়ে, জাগরণে, গরম বিছানায়।
♣ কারণঃ জৈব তরল পদার্থের ক্ষয়, হস্তমৈথুন, অতিরিক্ত যৌনক্রিয়া, ক্রোধ এবং বিরক্তি, পানিতে কাজ করলে, সজোরে আঘাত, ধোপার কাজ ।
♣ ইচ্ছঃ মদ, ভিনেগার, অম্ল, মিষ্টি।
♣ অনিচছাঃ গোসলে, খোলা বাতাসে, মাংস, চর্বি, দুধ, লবাণাক্ত খাদ্য, পনির।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ অ্যাসে-অ্যাসি, আর্নি, অ্যান্টি-ক্রু, অ্যান্টি-টা, মার্ক-কর, মার্ক-সল, রাস, সালফ।
♣ শত্রুভাবাপন্নঃ অ্যান্টি-টা, চায়না, ডেফনি-ইন্ডিকা, নেট্র-ফস।
♣ প্রয়োগঃ যে সকল রোগীর হোমিওপ্যাথদের দ্বারা অনিষ্ট সাধন হয়েছে তাদের পুনরায় সুচিকিৎসার উপযোগী করে তুলতে সিপিয়া তুলনাহীন। —- ডা. গুট ম্যান।

= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা সিপিয়া প্রয়োগ করতে পারবো।