Nuxvom (নাক্সভম)

DHMS (1st year).
♣ সমনামঃ স্ট্রাইকোনস কলুব্রিনা, পয়জন নাট ।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, টিউবারকুলার, সিফিলিটিক ।
♣ সাইডঃ ডানপাশ, ওপরে ডানপাশ নিচে বামপাশ, ওপরে বামপাশ নিচে ডানপাশ, বামপাশ হতে ডানপাশ।
♣ কাতরতাঃ শীতকাতর ।
♣ উপযোগিতাঃ শীর্ণতা, জৈব উত্তাপের অভাব, শ্লেষ্মাক্ষরণ বর্ধিত, স্তনদুগ্ধপায়ী শিশু, রক্তপ্রধান ধাতু বিশিষ্ট ব্যক্তি, কৃশ/ শুকনো ব্যক্তি, রোগা চেহারা, মেজাজ খিটখিটে, অতি সাবধানী, চুল কালো, যারা মদ্যপ, অলস, পিত্ত অথবা রক্তপ্রধান ধাতুর রোগী। একটুতেই ঝগড়া শুরু করে দেয়, হিংসুটে, মনে বিদ্বেষভাব, স্নায়বিক ও বিষাদগ্রস্ত এমন রোগীদের ক্ষেত্রে উপযোগী।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ দেহের প্রায় প্রতিটি অঙ্গে নাক্স ভমিকা ক্রিয়া প্রকাশ করে ।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ এ ওষুধের ব্যবহারের কারণের ক্ষেত্রটি হলো আধুনিক জীবন যাত্রার প্রতিটি কাজে ” অতিরিক্ত ” বিশেষণটির ব্যবহার। যেমন- ক) অতিরিক্ত রাতজাগরণ। খ) অতিরিক্ত হস্তমৈথুন বা নারী/পুরুষ সম্ভোগ। গ) অতিরিক্ত পড়াশোনা।ঘ) অতিরিক্ত বিলাস-বহুল জীবন যাপন করা।
নাক্সের বিষাক্ততার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আক্ষেপ ও খেঁচুনি যা শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি করে মৃত্যু ঘটায়।
♣ সারসংক্ষেপঃ জৈব উত্তাপের অভাব, শ্লেষ্মাক্ষরণ বর্ধিত, অলস, পিত্ত অথবা রক্তপ্রধান ধাতুর রোগী। “অতিরিক্ত” ও “সকালে বৃদ্ধি”। ভারবোধ: বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে।প্রাতে, খোলা বাতাসে, মদে, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, আহারের পরে, উত্তেজক খাবারে, জাগরণে, ঋতুস্রাবকালে ও পরে বাড়ে।গোসলে, গরম পানাহারে, শুয়ে থাকলে, ভালো ঘুম হলে, মলত্যাগের পর (অল্পক্ষণ), মাথা ঢেকে রাখলে কমে। প্রচন্ড রাগী, অধৈর্য্য, অত্যানুভূতিযুক্ত, খিটখিটে, উত্তেজনাপ্রবণতা, রুষ্ট স্বভাব, একগুঁয়ে, অপরাধ গ্রহণ করে সহজেই, কলহপ্রিয়, চমকে ওঠে, বিষণ্নতা, খুঁতখুঁতে, হিংসুটে ও মনোসংযোগ কষ্টকর। অতিরিক্ত শীতানুভব ও সচেতনতা। আমাশয় রোগজ অবস্হার সাথে রাক্ষুসে ক্ষুধা। ওষুধের। অপব্যবহারজনিত অজীর্ণতা বা বদহজম। দীর্ঘ সময় ঘুমানোর পরেও ঘুম অতৃপ্ত মনে হয়।
♣ অনুভূতিঃ ১) পোকা হাঁটার মতো অনুভূতি: অস্থিগুলোতে । ২) বুদবুদ ওঠার অনুভূতি। ৩) টেনে লম্বা করার অনুভূতি, টেউয়ের মতো অনুভূতি, ঠান্ডা লাগার অনুভূতি।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) তার স্বাস্থ্য সম্বন্ধে বেশি কথা বলে। ২) মাথার পেছনভাগের ব্যথার সাথে চোখে ব্যথা হয়। ৩) সর্বদা মূত্রবেগ লেগেই থাকে উত্তাপে উপশম।
♣ < বৃদ্ধিঃ প্রাতে, খোলাবাতাসে, মদ জাতীয় উত্তেজক পদার্থে, ব্র্যান্ডিতে, প্রাতরাশের পর, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, ঠান্ডা বাতাসে, ঠান্ডা লাগালে পরে, শুষ্ক আবহাওয়ায়, আহারের পরে, শুক্রপাতে, কফিপানে, ঠান্ডা খাদ্যে, চিৎ হয়ে শুলে, ঋতুস্রাবকালে ও পরে, সঞ্চালনে, নিদ্রাকারক ওষুধে, রাতের আগমনে, জাগরণে, অতিরিক্ত যৌনক্রিয়ার পর, নিদ্রাহীনতা হেতু, ধুমপানে, ধোঁয়ায়, সামান্য স্পর্শে, অনাচ্ছাদনে, পোশাক ছাড়লে, হাঁটলে, আদ্রবায়ু, শীতকালে ।
♣ > হ্রাসঃ গোসলে, আক্রান্ত অঙ্গে পানি দিলে, গরম খাদ্যে, গরম পানিয়ে, শুয়ে থাকলে, একপাশে চেপে শুলে, মর্দনে, বসে থাকলে, নিচে বসে গেলে, ঘুমের পরে, দাঁড়ালে, উনুনের গরমে, বিশ্রামে, গরমঘরে, গরম কাপড়ে, পরিধান আলগা করলে, ভালো ঘুম হলে, দুধপানে, দিনে, অল্প ঘুমে, মাথা ঢেকে রাখলে, জোরে চাপ দিলে, মলত্যাগের পর ( অল্পক্ষণ)।
♣ কারণঃ জৈব তরল পদার্থের ক্ষয়, হামের পরবর্তী অবস্হা, রক্তের শ্বেতকণিকার আধিক্য, সূর্যালোকে থাকার ফলে, ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত রোগ, ক্রোধ, মানসিক পরিশ্রম, অনিদ্রা, মদ, ওষুধ, চা, কফি, ব্যভিচার, অতিরিক্ত খাদ্য, অতি-ইন্দ্রিয়ভোগ, হস্তমৈথুন, উত্তেজক গরম খাদ্য, বিলাস-বহুল জীবন-যাপন, অনিয়মিত পানাহার, কোনো রকম ব্যায়াম না করা, ঘুমের ব্যাঘাত, খোলা ঠান্ডা বাতাসে, আঘাত।
♣ ইচ্ছঃ উত্তেজক খাদ্য, ঝাল, অম্ল, তেতো জিনিস।
♣ অনিচছাঃ মাংস।
♣ বিতৃষ্ণাঃ লোকসঙ্গ, খোলা বাতাসে, সঞ্চালনে, পোশাক অসহ্যবোধ হয় ।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ অ্যাকোন, অ্যালেট্রি, অ্যাম্ব্রা, আর্স, বেল, ক্যাম্ফ, ক্যামো, ককুল, ওয়াইন, কফি, ডিজিটে, ইউফর, ইগ্নে, আইরি, ল্যাকে, ওপি, প্যালাডি, প্ল্যাটি, পালস, স্ট্র্যামো, থুজা ।
♣ শত্রুভাবাপন্নঃ অ্যাসে-অ্যাসি, কস্টি, ইগ্নে, নাক্স-ম, ট্যাবে, জিঙ্ক।
♣ প্রয়োগঃ নাক্স-ভমিকার সবচেয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো মানসিক চাপ, আর যেখানে এই লক্ষণটির অভাব সেখানে এর কথা চিন্তাই করা যায় না । —- ডা. এফ. কে. বেলোকোসি।
= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা নাক্স-ভমিকা প্রয়োগ করতে পারবো।
লেখক-Dr. Moin Uddin
সূত্র-অনলাইন কালেকশন
ডা. এইচ এম আলীমুল হক, আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মুক্তিস্মরণী, চিটাগাংরোড, শিমরাইল মোড়, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ। ০১৯২০-৮৬৬ ৬১০