(26) Merc Sol (মার্কসল)

♣ সমনামঃ মেটালিকাম মার্কারি, ব্ল্যাক অক্সাইড অব মার্কারি, এমোনিয়েটেড নাইট্রেট-অব মার্কারি।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, টিউবারকুলার, সিফিলিটিক।
♣ সাইডঃ ডানপাশ, বামপাশ, ওপরে বামপাশ, নিচে ডানপাশ, বিপরীত পাশ।
♣ কাতরতাঃ উভয়কাতর।
♣ উপযোগিতাঃ মোটা রক্তপ্রধান ধাতু বিশিষ্ট ব্যক্তি, স্তনদুগ্ধপায়ী শিশু। যে কোনো স্রাব বন্ধ হয়ে বিশেষতঃ সোরিক রোগীদের স্নায়বিক রোগে উপযোগী। যাদের চুল হালকা, গায়ের চামড়া ও পেশিগুলো ঢিলা তাদের অসুখে প্রযোজ্য।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ রক্ত, মাংস, মিউকাস মেমব্রেন, গ্ল্যান্ড, মুখ গহ্বর, লালা নিঃসরণ, টনসিল, গলা, লিম্ফেটিকস, লিভার, কিডনি, মিউকাস, জননেন্দ্রিয়, সেলুলার টিস্যু, সন্ধি, অস্হি, চামড়া, শরীরের সকস যন্ত্র ও তন্ত, মেদ ও মজ্জা।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ নীতি বাক্য ” লালাস্রাবী মুক্তি “। তেলতেলে অবস্হা। ১নং মূল সুর হলো- যেমন, থার্মোমিটার ঠান্ডা ও গরমের পরিবর্তনের সাথে স্পর্শকাতর তেমনি এর রোগীও ঠান্ডা ও গরমের সাথে অতি স্পর্শকাতর। ২নং হলো- রাতে বৃদ্ধি। ৩নং হলো- অত্যধিক ঘাম সকল লক্ষণের সাথে থাকে কিন্তু তাতে উপশম নেই। ৪নং হলো- পারদীয় বা মার্কিউরাল গন্ধ সকল স্রাবেই। ৫নং হলো- শিহরণ।
♣ সারসংক্ষেপঃ ঠান্ডা লাগার প্রবণতা। মোটা রক্তপ্রধান ধাতু বিশিষ্ট ব্যক্তি, স্ক্রোফুলাদূষযুক্ত শিশু।
যাদের চুল হালকা, গায়ের চামড়া ও পেশিগুলো ঢিলা। স্রাব হাজাকর ও দুর্গন্ধযুক্ত। পাকস্হলী ডুবে যাবার অনুভূতি ; চাপে বাড়ে। সন্ধাকালে, রাতে, খোলা বাতাসে, ঠান্ডা ও গরমে, বিছানায় শুলে, বিছানার গরমে, সঞ্চালনে, ঘুমের আগে, শুরুতে, সময়ে ও পরে, স্পর্শে ও ডানপাশে শয়নে বাড়ে। ঠান্ডা লাগালে, গরম খাদ্যে, তামাকে ও বামপাশে শয়নে কমে। স্নায়বিকতা, অস্থিরতা, বিষন্নতা, মানসিক অবসাদ, অত্যানুভূতিযুক্ত, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা, দ্রুত বা ধীরে ধীরে কথা বলে, অসন্তুষ্ট : নিজের ওপর, অলসভাব, জীবন সম্বন্ধে হতাশ, প্রলাপ, ভ্রান্ত বিশ্বাস ও কাঁদে : হাসির সাথে পর্যায়ক্রমে। অতিরিক্ত ঘাম, লালা নিঃসরণ ও পিপাসা। জিহ্বা পুরু ও দাঁতের ছাপযুক্ত। দুর্বলতা, মাথায়, হাতে ও জিহ্বায় কম্পন।
♣ অনুভূতিঃ ১) মাথার সামনের ভাগে কম্পন ; মাথা যেনো কোনো যন্ত্র দিয়ে এঁটে ধরছে ; যেনো বড়ো হচ্ছে। ২) ধাতব প্লেটে আঘাতে যেমন শব্দ হয় তেমনি মাথার মাঝে হঠাৎ তীক্ষ্ণ শব্দ।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) সকালের দিকে জিব গরম পোশাকের মতো সাদা হয়ে যায়। ২) দিনের বেলায় বমি বমি ভাব ও ক্লান্তি/ অবসন্নতার সাথে ঘাম হতে থাকে। ৩) মলত্যাগকালে গরম ঘাম হয় কিন্তু পরে ঠান্ডা ও আঠালো হয়ে যায়।
< বৃদ্ধিঃ সন্ধাকালে, রাতে, মধ্য রাতের আগে ও পরে, বায়ু প্রবাহে, খোলা বাতাসে, মেঘলা আবহাওয়ায়, ঠান্ডা লাগালে পরে, বিছানায় শুলে, সঞ্চালনে, ঘুমের আগে, শুরুতে ও সময়ে, সামান্য স্পর্শে, বাতাসে, বিছানার গরমে, মলত্যাগের আগে, সময়ে ও পরে, ঘামের সাথে সাথে, স্রাব অবরুদ্ধে।
> হ্রাসঃ ঠান্ডা লাগালে, গরম খাদ্যে, শুয়ে থাকার পরে, মর্দনে, বসে থাকলে, ঘুমের পরে, তামাকে, হাঁটলে, প্রাতে, নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ায়, বামপাশে শয়নে, বিশ্রামে, সঙ্গমের পর, কাজে নিয়োজিত থাকলে।
♣ কারণঃ ভয়, গনোরিয়া চাপা দিলে, পায়ের ঘাম অবরুদ্ধে, আর্সেনিক, পারদঘটিত ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহার, অতিরিক্ত চিনি খেলে, পোকা-মাকড়ের কামড়, হস্তমৈথুন।
♣ ইচ্ছাঃ দুধ, রুটি, মাখন, তরল খাবার, মদ, মিষ্টি, ঠান্ডা পানীয়ে।
♣ অনিচ্ছাঃ কফি, মাংস, মায়ের দুধ, গরম খাবার।
♣ শত্রুভাবাপন্নঃ অ্যাসি-অ্যাসে, সাইলি, মার্ক বা সাইলি একটির পর অন্যটি কখনই ব্যবহার হবে না।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ অ্যাসিড-নাই, আর্স, অরাম, অ্যারেনি, অ্যাসাফ, বেল, ব্রায়ো, ক্যালাডি, কার্বো-ভে, চায়না, কুপ্রা, কোনি, ডালকা, কোরালি-রুব্রাম, ক্লিমে, ড্যাফনি, ফেরাম, গুয়েকাম, হিপার, আয়োড, কেলি-বাই, কেলি-ক্লোর, ল্যাকে, মেজের, নাক্স-ম, ওপি, পডো, ফাইটো, র‍্যাটান, সার্সা, স্ট্যাফি, সিপি, স্কুই, স্পাইজে, সালফ, স্ট্র্যামো, ভ্যালেরি।
♣ এটি ক্রিয়ানাশকঃ আর্স, অরাম, অ্যান্টি-টা, ল্যাকে, বেল, ওপি, ফাইটো, ভ্যালের, চায়না, ডালকা, মেজের, থুজা।
♣ সতর্কীকরণঃ চামড়া শুষ্ক থাকাবস্থায় ‘মার্কারি ‘ কখনও দেবে না। — ডা. টি. কে. মুর।
♣ প্রয়োগঃ নিম্নশক্তি ব্যবহারে তাড়তাড়ি পেকে যায়, আর ইচ্চশক্তি ব্যবহারে পূঁজোৎপত্তি বন্ধ হয়, বিশেষ করে তালুমূল প্রদাহ রোগে। — ডা. ন্যাশ।

= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা মার্ক-সল প্রয়োগ করতে পারবো।