Calcarea phos (ক্যাল্কেরিয়া ফস)

DHMS (2nd year).
♣ সমনামঃ ক্যালসিয়াম ফসফেট, ফসফেট অফ লাইম, ক্যালসিয়াম ফসফোরিকাম।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, টিউবারকুলার।
♣ সাইডঃ ডানপাশ, ডানপাশ হতে বামপাশে, বামপাশ হতে ডানপাশ।
♣ কাতরতাঃ শীতকাতর।
♣ উপযোগিতাঃ কৃশ/শুকনো ব্যক্তি, খর্বতা, শীর্ণতা, জৈব উত্তাপের অভাব ও ঠান্ডা লাগার প্রবণতা। শিশু এবং বয়োপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের রক্তশূন্য, রঙ কালো, চুল কালো, চোখের মণি কালো, দেহে চর্বি জমা না হয়ে বরং রোগা পাতলা গড়ন। হাত ও পা শীর্ণ, পেট ও মাথা বড়ো।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ অপুষ্টে, ব্রেইন, স্নায়ু, অস্হি, গ্রন্থি, দাঁত, ডান দিকে ও রক্তের ওপরে, মাথার ঊর্ধ্বভাগ, বক্ষ।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ ক্যালকেরিয়া ফসের রোগী সাধারণত কৃশ। ক্যালকেরিয়া কার্বের শিশু হলো মোটা থলথলে। উভয়েরই তলপেট বড়ো ; কিন্তু ক্যালকেরিয়া ফসের রোগী তুলতুলে। ক্যালকেরিয়া কার্বের রোগী ডিম অধিক পছন্দ : ক্যালকেরিয়া ফসে লবণ অথবা ধুমায়িত মাংস পছন্দ।
♣ ফিজিওলজিক্যাল কাজঃ ক্যাল্কেরিয়া ফস প্রধানতঃ পোষণ ক্রিয়ার অভাব হেতু রোগে বেশি প্রয়োগ হয়। দেখতে ব্যারা-কার্বের মতো নির্বোধ নিশ্চেষ্ট বলে বোধ হয়। শিশুর বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের গঠনের সাদৃশ কিছুই উন্নতি হয় না। ঠান্ডা অথবা ঠান্ডা বায়ুর স্পর্শে সারা শরীরে কনকনানি যন্ত্রণা উপস্থিত হয়।
♣ সারসংক্ষেপঃ শুকনো, খর্বতা, শীর্ণতা, জৈব উত্তাপের অভাব ও ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতাযুক্ত, পরিপোষণ ক্রিয়ার অভাব হেতু রোগ ও যে সব যুবক-যুবতী দ্রুত বেড়ে ওঠে । স্ক্রোফিউলা বা ধাতুগত দুর্বলতা ও উদরাময় । ঠাণ্ডা বাতাসে, আহারের পরে, ঋতুস্রাবের আগে ও প্রারম্ভে, দৈহিক ও মানসিক পরিশ্রমে বাড়ে । গ্রীষ্মকালে, শুয়ে থাকলে, একপাশে চেপে শুলে ও গরম খাদ্যে উপশম । অস্হিরতা ও স্নায়বিকতা, ভ্রমন প্রবৃত্তি, অতৃপ্ত, অলসভাব, ভয়, উৎকণ্ঠা ও অনিচ্ছাকৃত দীর্ঘশ্বাস। রক্তল্পতার ক্ষেত্রে মূত্রনালি দিয়ে পুরনো প্রকৃতির সাদাটে বর্ণের স্রাব বেরোয় । ঋতুকালে মুখমণ্ডলে উদ্ভেদ ।
♣ অনুভূতিঃ
(১) অনুভূতি যেনো সে বাতকর্ম করবে কিন্তু পারে না।
(২) “পাছা ও পিঠ যেনো নিথর ” তার সাথে একটি অস্বস্তি অনুভূতি ।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ রক্তাল্পতার ক্ষেত্রে মূত্রনালি দিয়ে পুরনো প্রকৃতির সাদাটে বর্ণের স্রাব বেরোয়।
♣ < বৃদ্ধিঃ প্রাত ৬টায়, অপরাহ্ন ৪টায়, ভোরে ও সন্ধ্যায়, বায়ু প্রবাহে, ঠাণ্ডা বাতাসে, খোলা বাতাসে, সাধারণভাবে ঠাণ্ডায়, ঠাণ্ডা লাগার পরে, আর্দ্র আবহাওয়ায়, আবহাওয়া পরিবর্তনে, পূর্ব বায়ুতে, ভেজা ঠাণ্ডায়, লস অফ ফ্লুইডস, রসালো ফল ভক্ষণে, সঞ্চালনে, দাঁতওঠার ও প্রথম ঋতুদর্শনের সময়, ঠাণ্ডা বাতাসের ঝাপটা, গর্ভাবস্হায়, মানসিক পরিশ্রমে, পীড়ার কথা ভাবলে, টুপির চাপে, রাতের খাবারের পর শুয়ে পড়লে, দৈহিক পরিশ্রমে, তুষারযুক্ত বাতাসে, খাদ্য: আহারের পরে, ঋতুস্রাবের আগে ও প্রারম্ভে, শীতল পানীয়ে, ঠাণ্ডা খাদ্যে, বরফ জমানো খাদ্যে।
♣ > হ্রাসঃ গ্রীষ্মকালে, গরমে, শুকনো আবহাওয়ায়, শুয়ে থাকলে, একপাশে চেপে শুলে, বিছানায় শুলে, চুম্বক শক্তিতে, গরম খাদ্যে।
♣ কারণঃ শরীর অতিবৃদ্ধি, কোনো দ্রব্য উত্তোলনে, ওপরে ওঠা, দুঃখ, প্রেমে ব্যর্থতা, পানিতে ভেজা, বিরক্তিকর বিষন্ন, ভালোবাসায় বঞ্চিত, একুইট রোগের পর রক্ত স্বল্পতা এবং দুর্বলতা, অতিরিক্ত পড়াশুনা, অতিরিক্ত যৌনক্রিয়া, দুঃসংবাদ, ভগন্দরের অস্ত্রক্রিয়া।
♣ ইচ্ছাঃ চুরুট, ধূম্র শুষ্ক মাংসাদি, লবণাক্ত, কাঁচা খাদ্য, কুটু খাদ্য।
♣ অনিচ্ছাঃ ধূমপান।
♣ বিতৃষ্ণাঃ খোলা বাতাসে।
♣ প্রয়োগঃ
(১) করোটির সম্মুখ হাড়ের ক্যাল্ক-কার্ব এবং সম্মুখ ও পেছনে উভয় দিকের হাড়ের পীড়ায় ক্যাল-ফস ক্রিয়াশীল। ——- ডাঃ ফ্যারিংটন।
(২) ঠান্ডায় সর্দিসহ আমবাত। —- ডাঃ গারেন্সি।
= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা ক্যাল্ক- ফস প্রয়োগ করতে পারবো।
লেখক-Dr. Moin Uddin
সূত্র-অনলাইন কালেকশন
ডা. এইচ এম আলীমুল হক, আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মুক্তিস্মরণী, চিটাগাংরোড, শিমরাইল মোড়, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ। ০১৯২০-৮৬৬ ৬১০