(19) Dulcamara (ডালকামারা)

সমনাম- উডি নাইটশেড
অনুপুরক- ব্যারাইটা কার্ব, নেট্রাম সালফ।
ক্রিয়ানাশক- ক্যাম্ফর, মার্কসল, কেলি কার্ব, ইপিকাক, কুপ্রাম।
প্রতিবন্ধক- বেলেডোনা, ল্যাকেসিস, এসেটিক এসিড।
উপশম- উত্তাপে বা গরম প্রয়োগে, নড়িয়া চড়িয়া বেড়াইলে, সোজা হইয়া বসিলে বা দাঁড়াইলে, টিপিয়া দিলে, শুষ্ক আবহাওয়ায়।
বৃদ্ধি- শীতে ও বর্ষার পানিতে ভিজিলে, শীতল বাতাসে, শরীরের চুলকানি বসিয়া গেলে বা ঘাম হঠাৎ বন্ধ হইলে। হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তনে, আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় পানে, রাতে, বিশ্রামে।
ধাতুগত লক্ষণ- রোগি শীতকাতরও নয়, গরমকাতরও না কিন্তু হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তনে অসুস্থ হয়। সোরা ও সাইকোটিক ধাতু।
রোগের কারণ- ঠান্ডা এবং স্যাতস্যাতে স্থান বা আবহাওয়া রোগের কারণ ও রোগ লক্ষণের বৃদ্ধি।
দিনে গরম রাতে ঠান্ডা এমন সময়ে যাদের কোন রোগ হয়- বরফ কারখানার শ্রমিক, এই গরম এই ঠান্ডা এইরূপ পরিবেশে যাদের কাজ করতে হয় তাদের পীড়া।
বর্ষাকালে স্যাতস্যাতে আবহাওয়ায় যাদের রোগ বৃদ্ধি হয়- স্যাতস্যাতে স্থানে বসবাস, ঠান্ডা স্যাতস্যাতে আবহাওয়া, সবসময় পানি নিয়ে কাজ করতে হয় যথা- জেলে, মাছ বিক্রেতা, মাছ-গোস্তের দোকানের কর্মচারী ইত্যাদি।
সংক্ষিপ্ত পরিচয়- (১) শরৎকালীন অসুস্থতা (কলচি, কেলি বাই, ল্যাকে)। (২) ঠান্ডা লাগিয়া প্র¯্রাবের বেগ বা শ্লেষ্মার প্রকোপ। (৩) উত্তাপে ও অস্থিরতায় উপশম। (৪) ঘর্ম বা চর্মরোগ চাপা দেয়ার কুফল (শোথ)।
চরিত্রগত লক্ষণ-
(১) ঋতু¯্রাবের পূর্বে শরীরে আমবাত, স্তনদ্বয়ে রক্তাধিক্য ও ব্যথা।
(২) কথাবার্তা বললে মাথা ব্যথার উপশম।
(৩) ক্ষুধাহীনতা কিন্তু ঠান্ডা পানীয় পানে প্রবল আকাঙ্খা।
(৪) ঠান্ডা, বৃষ্টিতে, সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে যায়।
(৫) হাঁপানি বর্ষাকালে বৃদ্ধি।
(৬) ব্যথার সময় প্রলাপ বকে।
(৭) কথা বলার সময় ভুল শব্দ প্রয়োগ করে, বিক্ষিপ্ত চিন্তা- চিন্তাগুলিকে সমন্বয় করতে পারে না। রেগে উঠার কোন কারণ না থাকা সত্তে¡ও গালাগালি করতে থাকে।