(18) Cina Maritima (সিনা ম্যারিটিমা)

♣ সমনামঃ ওয়ার্মসিড, আর্টিমিশিয়া, সেরিগান।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, টিউবারকুলার।
♣ সাইডঃ বামপাশ, ওপরে ডানপাশ নিচে বামপাশ। 
♣ কাতরতাঃ গরমকাতর। 
♣ উপযোগিতাঃ উত্তেজনাপ্রবণতা : শিশু, অত্যন্ত খিটখিটে, রাগী বদমেজাজি। 
♣ ক্রিয়াস্থলঃ মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ডের স্নায়ুমন্ডলী, উদর, পাকস্হলী, চোখ, মিউকাস মেমব্রেনগুলো।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ সিনার প্রধান চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছেঃ মানসিক ও শারীরিক অসহিষ্ণুতা – দেহ ও মনের সর্বোচ্চ স্পর্শকাতরতা। গার্নেসি বলেন, সিনা সেই সব লক্ষণে প্রযোজ্য যেই সব রোগলক্ষণের সাথে হাইতোলা বিদ্যমান থাকে, যা কোনো কোনো রোগলক্ষণের আগে আসে। 
♣ ফিজিওলজিক্যাল কাজঃ সিনার কৃমির ওপর সরাসরি কোনো কাজ নেই- কী করে কৃমি নাশ করে তা নিচে বর্ণিত হলোঃ সিনার দ্বারা নিচের পেটের সকল যন্ত্র সবল হয় ও উদরযন্ত্র এবং উদরের গ্রন্হিজ স্নায়ুগুলো এমনভাবে সঠিক সক্রিয় থাকে যে খাদ্যনালির শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি হতে আর বিকৃত স্রাব বেরোতে পারে না, অতি স্বাভাবিকভাবেই স্রাব বেরিয়ে আসে সুতরাং কৃমিগুলো ঐ স্বাভাবিক স্রাবে জীবন ধারণের উপযুক্ত কোনো খাদ্য না পেয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়ে মলের সাথে বেরিয়ে পড়ে। 
♣ সারসংক্ষেপঃ উত্তেজনাপ্রবণাতা: শিশু, অত্যন্ত খিটখিটে, রাগী বদমেজাজী। মানসিক ও শারীরিক অসহিষ্ণুতা এবং স্পর্শকাতরতা। অস্হির ঘুম। শিশু ওপুর হয়ে পেটের ওপর শুয়ে থাকে অথবা ঘুমের সময় পেটের নিচে হাত, কনুই অথবা হাঁটু থাকে। প্রতে, খোলা বাতাসে, স্পর্শে, ঘুমের সময়, অপরিচিত লোক দেখলে, মিষ্টি জিনিস খেলে ও রাগের পর বাড়ে। ওপুর হয়ে শুলে, সঞ্চালনে, চোখ ধোলে, শিশুকে কোলে নিলে ও ঘর্ষণে কমে। মিষ্টি ও বিভিন্ন অপাচ্য খাদ্য খাওয়ার ইচ্ছা। মায়ের দুধে অনিচ্ছা। কাঁদেঃ উচ্চ চিৎকার করে, অঙ্গভঙ্গি করে ও ঔদাসীনতা। পর্যাক্রমে ক্ষুধাহীনতা ও রাক্ষুসে ক্ষুধা। নাক সড়সড় করা; ভয়ানকভাবে অবিরত নাক ঘষা ও ঘন ঘন ঢোঁক গেলা এবং ঘুমের মাঝে দাঁত কড়মড় করা, চমকে ওঠা ও ওপুর হয়ে শুয়ে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কন্ঠরোধক কাশি। রোগলক্ষণের সাথে হাইতোলা বিদ্যমান থাকে।
♣ অনুভূতিঃ খাদ্য গ্রহণের পর আক্ষেপিক হাঁপানি যা অগ্রহণীয়, “অনুভূতি যেনো স্টার্নাম পিঠের অতি নিকটে, শ্বাস-প্রশ্বাস আটকে ধরছে ও উৎকন্ঠা ও ঘাম ঘটাচ্ছে”।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) আদরে ঔদাস্য/ উৎসাহহীনতা। সন্ধ্যায় শিশুরা লাফাতে থাকে।
২) ছেড়া ছেড়া ছোট শস্যকণার মতো সাদা শ্লেষ্মাযুক্ত মল। ৩) কাশির আগে হাত-পা শক্ত বা আড়ষ্ট হয়ে যায়। ৪) শিশুদের প্রতিবাদ করার বা দ্বিমত পোষণ করার প্রবণতা। 
< বৃদ্ধিঃ প্রাতে, খোলা বাতাসে, একপাশে চেপে শুলে, স্পর্শে, ঘুমের সময়, তার দিকে তাকালে, পূর্ণিমায়, বিরক্তিতে, হাই তুললে, রোদে, গ্রীষ্মে, ঠান্ডা পানি ও বাতাসে, কোনো বস্তুর দিকে একভাবে তাকালে, শিশুকে আদর করলে, রাতে, পানিপানে, কথা বললে, হাসলে, মাঝ রাতের আগে, অপরিচিত লোক দেখলে, টীকা দিলে, মিষ্টি জিনিস খেলে, রাগের পর, বেশি খেলে, হস্তমৈথুনে।
> হ্রাসঃ শুয়ে থাকার পরে, ওপুর হয়ে শুলে, একপাশে চেপে শুলে, অবিরত সঞ্চালনে, চোখ ধোলে, শিশুকে কোলে নিলে, ঘর্ষণে, মাথা নাড়ালে, দোল দিলে।
♣ কারণঃ কৃমি বিশেষতঃ গোল কৃমি, মিষ্টি খেলে, অতিরিক্ত আহারে, অপাচ্য খাবার খেলে, যেমন- কয়লা, চারকল, চক, পাথরের টুকরো ইত্যাদি, হাই ওঠা।
♣ ইচ্ছাঃ মিষ্টি, ঠান্ডা পানীয়, ক্ষুধামান্দ্য ; আবার রাক্ষুসে ক্ষুধা।
♣ অনিচ্ছাঃ দুধ, মায়ের দুধ, স্পর্শে। 
♣ অসহ্যঃ মিষ্টি। 
♣ ক্রিয়ানাশকঃ আর্নিকা, ক্যাম্ফ, চায়না, ক্যাপ্সি, ক্যামো, ইপি, মার্ক, পাইপা, নাইগ্রা।
♣ এটি ক্রিয়ানাশকঃ ক্যাপসি, চায়না, মার্ক।

= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা সিনা প্রয়োগ করতে পারবো।