Silicea (সাইলিসিয়া): গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকসহ

১০০। সাইলিসিয়া (Silicea)
D.H.M.S. (2nd year).
♣ সমনামঃ সিলিকা, অক্সাইড অব সিলিকন, সিলিকন ডাই-অক্সাইড।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, টিউবারকুলার, সিফিলিটিস।
♣ সাইডঃ ডানপাশ, বামপাশ, ওপরে ডানপাশ নিচে বামপাশ।
♣ কাতরতাঃ শীতকাতর।
♣ উপযোগিতাঃ জৈব উত্তাপের অভাব, আলস্য, কৃশ/ শুকনো ব্যক্তি, রক্তপ্রধান ধাতু বিশিষ্ট ব্যক্তি, স্তনদুগ্ধপায়ী শিশু, শ্লেষ্মাক্ষরণ বর্ধিত। দুর্বল ও খর্বকায় যাদের শরীর খাদ্যদ্রব্য সমীকরণের দোষ হেতু পরিপুষ্ট হয় না।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ পরিপোষণ, টিস্যুগুলো-ইলাস্টিক, সেলুলার, নার্ভস, গ্ল্যান্ডস, টিউবস-ইউসটেচিয়াস, অশ্রুস্থলী, ফিসচুলা, অস্থি, মিউকাস মেমব্রন, চামড়া।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ খাদ্যবস্তুর অসম্পূর্ণ পরিপাকক্রিয়া এবং এ জন্য পুষ্টির অভাব কিন্তু এর ক্রিয়া আরো সুদূর প্রসারী- আনুষাঙ্গিকভাবে এটি স্নায়ুগুলোর দুর্বলকর অবস্হার সৃষ্টি করে, স্নায়ুবিক উত্তেজনার অত্যানুভূতি এবং প্রতিক্ষিপ্ত ক্রিয়ার বৃদ্ধি সাধন করে। সাইলেসিয়া দেহযন্ত্রকে উত্তেজিত করে সৌত্রিক পদার্থ এবং বিক্ষত টিস্যুগুলোকে পুনশোষণ করতে পারে।
♣ ফিজিওলজিক্যাল কাজঃ সাইলিসিয়ার প্রধান কাজ হচ্ছে পরিপোষণ ক্রিয়ার ওপর এবং সাইলিসিয়ার এ জাতীয় কাজ শিশু এবং অল্প বয়স্ক বালকদের মাঝে যতো বেশি এবং সুন্দররূপে সম্পাদন হয় বয়সে অবস্হায় সেইরূপ হয় না। এ কারণে পরিপোষণ ক্রিয়ায় ব্যতিক্রমে সাইলিসিয়া প্রয়োগের উপযুক্ত সময়ই হচ্ছে বাল্যাবস্থা কিন্তু সে কারণে যুবা, প্রৌঢ় অথবা বার্ধক্যাবস্থায় সাইলিসিয়া আদপেই যে ব্যবহার হয় না তা বলতে ইচ্ছে করি না।
♣ সারসংক্ষেপঃ জৈব উত্তাপের অভাব, আলস্য, স্নায়ু ও রক্তপ্রধান ধাতু বিশিষ্ট ব্যক্তি, শরীর খাদ্যদ্রব্য সমীকরণের দোষ হেতু পরিপুষ্ট হয় না। স্ক্রোফুলাদোষ ও রিকেটদোষদুষ্ট শিশু। শয্যা কঠিন মনে হওয়ার অনুভূতি। অপরাহ্নে, সন্ধাকালে, রাতে, মানসিক পরিশ্রমে, বায়ু প্রবাহে, অমাবস্যায় ও পূর্ণিমায়, সাধারণভাবে ঠান্ডায়, আহারের পরে, সঞ্চালনে, স্পর্শে ও অনাচ্ছাদনে বাড়ে। গরম খাদ্যে, চাপে, দৌড়ালে, উনুনের গরমে, মাথায় গরম আচ্ছাদনে ও গরমে কমে। নম্র, ভীরু, মনের বিশৃঙ্খল অবস্হা, একগুঁয়েমি, অস্হিরতা, অত্যানুভূতিযুক্ত, ভয়, ভ্রান্ত বিশ্বাস, খিটখিটে, চমকে ওঠে ও কাঁদে। দৃঢ়তার অভাব ও শীতার্ততা। মাথায় এবং পায়ের তলায় দুর্গন্ধ ঘাম বা বাধাপ্রাপ্ত ঘামের কুফল। শিশুদের পায়ের পাতায় ঘাম। টিকাজনিত কুফল।
= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা সাইলিসিয়া প্রয়োগ করতে পারবো।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুব্রিকঃ (ক্যান্ট রেপার্টরী অনুযায়ী)
১) মনোসংযোগ : কষ্টকর- A= অ্যানাকা, ব্যারা-কা, কার্বো-সাল, কার্বো-ভে, কস্টি, গ্লোন, গ্র্যাফ, হেলি, ল্যাকে, ল্যাসি, লাইকো, ন্যাট্র-আর্স, নাক্স-ভ, নাক্স-ম, ফস-অ্যাসি, ফস, সিপি, সাইলি।
২) ) মনের বিশৃঙ্খল অবস্হা ( Confusion) : A= বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কার্বো-ভে, ককুল, ইউপি, গ্লোন, ল্যাকে, মার্ক, ন্যাট্র-মি, নাক্স-ম, নাক্স-ভ, ওনোস, ওপি, পেট্রো, রাস, সিপি, সাইলি, স্ট্রিকনি।
৩) সান্ত্বনা দিলে বৃদ্ধি (Consolation agg.)- A= ইগ্নে, ন্যাট্র-মি, সিপি, সাইলি।
৪) ভয় (Fright) হতে রোগ- A= অ্যাকোন, ইগ্নে, লাইকো, ন্যাট্র-মি, ওপি, ফস-অ্যাসি, ফস, পালস, সাইলি। B= অ্যাপিস, আর্জ-নাই, আর্টিমি, অরাম, বেল, কস্টি, কফি, কুপ্রা, জেলস, গ্লোন, গ্র্যাফ, হায়োস, হাইপেরি, ল্যাকে, নাক্স-ভ, সিপি।
৫) মানসিক দুর্বলতা ( Imbecility) – A- অ্যালোজ, অ্যাম্ব্রা, অ্যানাকা, ব্যারা-কা, ব্যারা-মি, বেল, বিউফো, বিউফো-সা, কোনি, হায়োস, ল্যাকে, লাইকো, নাক্স-ম, নাক্স-ভ, ওপি, ফস-অ্যাসি, পিক্রি-অ্যাসি, সাইলি, স্ট্র্যামো, সালফ, ভিরেট।
৬) উত্তেজনাপ্রবণতা (Irritability) – A= অ্যাকোন, অ্যালু, অ্যান্টি-ক্রু, অ্যাপিস, অরাম, বেল, বোভি, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কার্বো-সাল, কস্টি, ক্যামো, গ্র্যাফ, হিপার, ক্যালি-কা, ক্যালি-আই, ক্যালি-সাল, লিলি-টি, লাইকো, ন্যাট্র-কা, ন্যাট্র-মি, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ, পেট্রো, ফস-অ্যাসি, ফস, প্ল্যাট, পালস, র্যানান-বা, রাস, সিপি, সাইলি, স্ট্যাফি, স্ট্রিকনি, সালফ, সাল-অ্যাসি, থুজা, ভিরেট-ভি, জিঙ্ক।
৭) নম্রতা (Mildness) / শান্তভাব ( Gentleness) – A= আর্নি, আর্স, বোরা, ককুল, ন্যাট্র-মি, পালস, রাস, সাইলি।
৮) বিষাদিত (Morose)/ মর্ম বেদনা (Chagrin)/ রুষ্ট স্বভাব (Sullen)- A= অ্যানাকা, অরাম, ব্রায়ো, নাক্স-ভ, পালস, সাইলি।
৯) অস্হিরতা, স্নায়বিকতা (Restlessness, nervousness) /অস্হির (Fidgety) – অ্যাকোন, অ্যানাকা,আর্জ-নাই,আর্স,আর্স-আই,ব্যাপটি,বেল,ক্যাল্ক,ক্যাল্ক -ফস,ক্যাম্ফ,সিমিসি,সাইকু, কলো, কুপ্রা, কুপ্রা-আর্স,ফেরাম, ফেরা-আর্স, হায়োস, লাইকো, মার্ক, প্লাম্বা, পালস, রাস, সিকেলি,সিফি, সাইলি,স্ট্যাফি, স্ট্র্যামো, সালফ,ট্যারেন্টু,জিঙ্ক ।
১০) অপরাহ্নে (Afternoon) বাড়ে- A= বেল, ক্যালি-নাই, লাইকো, পালস, রাস, সিপি, সাইলি, সিনাপি-না, থুজা, জিঙ্ক।
১১) সন্ধাকালে (Evening) বাড়ে- অ্যালু, অ্যাম্ব্রা, অ্যামন-কা, অ্যান্টি-ক্রু, অ্যান্টি-টা, আর্নি, বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, ক্যাপসি, কার্বো-অ্যা, কার্বো-ভে, কার্বো-সাল, কস্টি, ক্যামো, কলচি, সাইক্লে, ইউফ্রে, হেলি,হায়োস, ক্যালি-নাই, লাইকো, ম্যাগ-কা, মিনিয়ে, মার্ক, মেজের, ন্যাট্র-ফ, নাই-অ্যাসি, ফস-অ্যাসি, ফস, পিক্রি-অ্যাসি, প্ল্যাটি, প্লাম্বা, পালস, র্যানান-স্ক্লে রোমেক্স, রুটা, সিপি, সাইলি, সিনাপি-না, স্ট্যানা, স্ট্রনসি, সালফ, সাল-অ্যাসি, ভ্যালের।
১২) রাতে (Night) বাড়ে- A= অ্যাকোন, আর্জ-নাই, আর্নি, আর্স, আর্স-আই, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-আই, ক্যাল্ক-ফস, ক্যাল্ক-সাল, কার্বো-অ্যানি, কার্বো-সাল, ক্যামো, চায়না, সিন্নাবে, কফি, কলচি, কোনি, সাইক্লে, ডালকা, ফেরাম, ফেরা-আর্স, ফেরা-আই, গ্র্যাফ, হিপার, হায়োস, আয়োড, ইপি, ক্যালি-আর্স, ক্যালি-বাই, ক্যালি-কা, ক্যালি-আই, ল্যাকে, লিলি-টা, ম্যাগ-কা, ম্যাগ-মি, ম্যাঙ্গে, মার্ক, নাই-অ্যাসি, ফস, প্লাম্বা, সোরিন, পালস, রাস,রোমেক্স, সিপি, সাইলি, স্ট্রনসি, সালফ, ট্যালু, জিঙ্ক ।
১৩) খোলা বাতাসে (Open air) বিতৃষ্ণা – A= অ্যামন-কা, ব্যাপটি, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, ক্যামো, ককুল, কফি, ইগ্নে, ক্যালি-কা, ন্যাট্র-মি, নাক্স-ভ, পেট্রো, রুমেক্স, সাইলি, সালফ।
১৪) বায়ু প্রবাহে বাড়ে- A= বেল, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, ক্যালি-কা, রাস, সেলিনি, সাইলি, সালফ।
১৫) ) খোলা বাতাসে বাড়ে- A= সিনা, ককুল, গুয়াই, হিপার, ক্যালি-কা, মার্ক, নাক্স-ভ, রোমেক্স, সাইলি, সালফ।
১৪) সাধারণভাবে ঠান্ডায় বাড়ে (Cold in general agg)- A= আর্স, ব্যারা-কা, ক্যাল্ক-আর্স, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফ্লু, ক্যাল্ক-ফস, ক্যাল্ক-সিলি, ক্যাপসি, কস্টি, চায়না, ডালকা, গ্র্যাফ, হিপার, হাইপেরি, ক্যালি-আর্স, ক্যালি-কা, ক্যালি-ফস, লাইকো, ম্যাগ-ফস, মস্কাস, ন্যাট্র-আর্স, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ, ফস, সোরিন, পাইরো, র্যানান-বা, রাস, রিউমেক্স, স্যাবাডি, সিপি, সাইলি, স্পাইজে, স্ট্রনসি।
১৫) ঠান্ডা বাতাসে বাড়ে- অ্যাগারি, অ্যালি-স্যা, আর্স, অরাম, ব্যারা-কা, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, ক্যাম্ফ, কস্টি, সিমিসি, হিপার, হাইপেরি, লাইকো, ম্যাগ-ফস, নাক্স-ভ, সোরিন, রাস, সিপি, সাইলি।
১৬) ঠান্ডা লাগালে বাড়ে- A=আর্স, অরাম, ব্যারা-কা, ক্যান্থা, ক্যামো, হিপার, ক্যালি-আর্স, ক্যালি-বাই, ক্যালি-কা, লাইকো, মস্কাস, নাক্স-ভ, ফস-অ্যাসি, পাইরো, র্যানান-বা, রাস, স্যাবাডি, সিপি, সাইলি, সাল-অ্যাসি ।
১৭) দেহের কোনো অংশে ঠান্ডা লাগালে বাড়ে – A= হিপার, রাস, সাইলি।

-ডা. এইচ এম আলীমুল হক, আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী,
মুক্তিস্মরণী (চিটাগাংরোড), শিমরাইল মোড়,
সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
০১৯২০-৮৬৬ ৬১০

One Comment