Calcarea Carb (ক্যাল্কেরিয়া কার্ব): গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকসহ

১৪.১। ক্যাল্কেরিয়া কার্বনিকা (Calcarea Carb)
DHMS (2nd year).
♣ সমনামঃ ক্যাল্কেরিয়া অস্টিয়াম, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, কার্বোনেট অফ লাইম।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, টিউবারকুলার।
♣ সাইডঃ ডানপাশ, ওপরে ডানপাশ নিচে বামপাশ, বামপাশ হতে ডানপাশ।
♣ কাতরতাঃ শীতকাতর।
♣ উপযোগিতাঃ শেষ্মা ও রসপ্রধান ধাতু। এর রোগীর গঠন সাধারণতঃ মোটাসোটা অথবা অতিশয় মেদ প্রবণ, থলথলে, নাদুসনুদুস। হাত-পা সরু, শরীরের আয়তন অপেক্ষা মাথাটা বড়, পেটটা আরো মোটা, প্রচুর ঘাম, ঘুমালে মাথার ঘামে বালিশ ভিজে।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ পরিপোষণ ক্রিয়া, শোয়ণ ক্রিয়া, ক্ষরণ ক্রিয়া, গ্ল্যান্ডসমূহ, সার্জিক্যাল মেসেন্টেরিক, অস্হিসমূহ, রক্ত, ডান ফুসফুস, হৃদপিন্ড, চর্ম, জিহ্বা, দাঁত, মস্তিষ্ক, বক্ষদেশ, হার্ট, শিশুরা।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ ক্যাল্কেরিয়া রোগীর পদযুগল শীতল, আঠালো ঘামে আবৃত “যেন আর্দ্র মোজা পরিহিত”; সালফারের রোগী চরিত্রগতভাবে পদযুগল গরম ও ঘামাক্ত।
♣ ফিজিওলজিক্যাল কাজঃ ক্যাল্কেরিয়া কার্ব শরীরে পোষণ এবং বর্ধন সম্বন্ধীয় যন্ত্রের ওপরেই প্রধান কাজ করে এবং এর প্রয়োগে নিঃসরণ এবং শোষণ ক্রিয়া উত্তমরূপে এবং শীঘ্র শীঘ্র সম্পাদন হয়, সে কারণে শরীরের প্রকৃতি অর্থাৎ ধাতু পরিবর্তনে এর যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে বলেই একে এ বিষয়ের একটি প্রধান ওষুধ বলা হয়ে থাকে।
♣ সারসংক্ষেপঃ শ্লেষ্মা ও রসপ্রধান ধাতু। দেহের স্থূলতা ও শিথিলতা। পা দুটি ঠান্ডা ও চটচটে এবং নিমগ্ন অনুভূতি। পরিপাক নালির অম্লত্ব। মাথার ঘামে
বালিশ ভিজে যায় ও অল্পেই ঠান্ডা লাগে। প্রাতে, সন্ধ্যায়, রাতে, ঠান্ডা আর্দ্র আবহাওয়ায়, মানসিক ও শারীরিক পরিশ্রমে বাড়ে। পোশাক ছাড়লে, ঘর্ষণে, কোষ্ঠবদ্ধ থাকলে ও সকালের নাস্তার পর উপশম। একগুঁয়ে, অস্থিরতা, উত্তেজনাপ্রবণতা, ক্রোধ, মনস্তাপ, ভীরুতা ও ভ্রান্ত বিশ্বাস, কাঁদে, বিস্তৃতিপরায়ণ, ভয় ও অলসভাব। ডিম খাওয়া প্রবল ইচ্ছে কিন্তু দুধ অসহ্য। রাগে/ক্রোধে থুথু ফেলতে থাকে। মাথায় রক্তসঞ্চয় ও বরফশীতল অনুভূতি পর্যায়ক্রমে আসে।
♣ অনুভূতিঃ
১) বাহুর ওপরে যেনো ইঁদুর হাঁটছে।
২) ব্যথা যেনো বাইরের অঙ্গ মচকে গেছে।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ
১) মোটা হওয়ার প্রবণতাযুক্ত শিশুদের একগুঁয়েমি।
২) রাগে/ক্রোধে থুথু ফেলতে থাকে।
৩) মাথায় রক্তসঞ্চয় ও বরফশীতল অনুভূতি পর্যায়ক্রমে আসে।
৪) ঘুমের সময় মাথায় ঘাম হয় ও অস্হির লাগে।
♣ < বৃদ্ধিঃ প্রাতে, বেলা ২টায়, সন্ধ্যায়, রাতে, ঠান্ডা আর্দ্র আবহাওয়ায়, ঠান্ডা লাগলে, গরম বাতাসে, গোসলে, আবহাওয়ার পরিবর্তনে, ওপরে ওঠতে গেলে, চোখের পরিশ্রমে, পিউবার্টি, কাপড়ের চাপে, দুধে, মদ জাতীয় উত্তেজক পদার্থে, জাগলে, পূর্ণিমাতে, দাঁড়ালে, দন্তোদ্গমনকালে, আহারের পর, মানসিক পরিশ্রমে, শারীরিক পরিশ্রমে, হস্তমৈথুনে, সায়াহ্ন, মধ্যারাতের পর, গোলমালে অত্যানুভূতি, একাদশীতে, আঁট করে কাপড় পড়লে, ভারী জিনিস তুললে, পা ঝুলিয়ে রাখলে, আলোতে, ওপর দিকে তাকালে বা ওঠলে, মাথা ঘোরালে, উপবাসে, দেহের ডান দিকে অধিক রোগাক্রমণ, শয়নে, মুক্ত বাতাসে, ঠান্ডা পানিতে, পূর্ণিমায়, সঙ্গমের পর, ঘাম চাপা পড়লে, ঋতুস্রাবের আগে, ঘুমের আগে ও পরে, হাঁটলে।
♣ > হ্রাসঃ হাত পা জড়ো করলে, কাপড় জামা আলগা করে দিলে, চিৎ হয়ে শুলে, চুলকালে, চুল কাটলে, ঘর্ষণে, কোষ্ঠবদ্ধ থাকলে, শুষ্ক আবহাওয়ায়, সকালের নাস্তার পর, অন্ধকারে, ব্যথাযুক্ত পাশে শয়নে, উত্তাপে, মানসিক পরিশ্রমে।
♣ কারণঃ মদ, ঠান্ডা, আর্দ্র, পাক খাওয়া, অতিরিক্ত রতিক্রিয়া, অতিরিক্ত ভারোত্তোলন, মেরুদণ্ডের নিম্নাংশে আঘাত, মচকানো, মানসিক পরিশ্রান্ত হওয়ার পর, ঘাম অবরুদ্ধে, মাসিকের অবরুদ্ধে, ইরেপশন অবরুদ্ধে, ক্লান্তি, দন্তোদ্গমনকালে, ঠান্ডা পানিতে গোসলে। মস্তিষ্কে পানি সঞ্চয়, হজমের ক্ষেতে অম্লপিত্ত। সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠায় শ্বাসকষ্ট, ভয়, উদ্ভেদ বসে যাওয়া, শরীরের তরল পদার্থের ক্ষয়।
♣ ইচ্ছাঃ মদ, ডিম, মিষ্টি, লবণাক্ত খাদ্যে প্রবল ইচ্ছা, অপাচ্য যেমন- কয়লা, মাটি, চক, পেন্সিলের শীষ প্রভৃতি অখাদ্য খেতে চায়, চুম্বক শক্তি দ্বারা আকর্ষিত হওয়া।
♣ অনিচ্ছাঃ মাংস, দুধ, গরম খাদ্য, চর্বিযুক্ত খাদ্য।
♣ অসহ্যঃ দুধ, পোশাক পরিধান।
♣ শত্রুভাবাপন্নঃ অ্যাসিড-নাই, ব্যারা-কা, সালফ, কেলি-বাই।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ অ্যাসি-নাই, ব্রায়ো, ক্যাম্ফ, চায়না, ইপি, নাইট্রি-স্পিরি-ডাল, নাক্স-ভ, ফস, সিপি, সালফ।
♣ এটি ক্রিয়ানাশকঃ বিসমা, চায়না, চিনি-সাল, ডিজি, মেজের (মাথাব্যথা), নাই-অ্যাসি, ফস।
♣ সতর্কীকরণঃ বয়স্কদের ক্ষেতে ক্যাল্কেরিয়া কখনো ঘন ঘন মাত্রায় ব্যবহার করবেন না।—ডা. বোরিক।
♣ প্রয়োগঃ ১) সালফ ও অ্যাসি নাই- এর আগে ক্যাল্ক দেয়া যাবে না।—- ডা. হ্যানিম্যান।
২) প্রথমে সালফার, তারপরে ক্যাল্কেরিয়া-কার্ব এবং সর্বশেষে লাইকোপোডিয়াম ব্যবহার করতে হয়।
৩) যখন দুধের নিঃসরণ বেশি হয় এবং শিশু তা পছন্দ করে না বা সহ্য করতে পারে না, তখন ক্যাল্কেরিয়া-কার্ব দুধের মান ও পরিমাণ সশোধন করে দেয়।—– ডা. জি.আর।
উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা ক্যাল্ককেরিয়া কার্ব প্রয়োগ করতে পারবো।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুব্রিকঃ
১) মনস্তাপ ( Anguish) – A= অ্যাকোন, আর্স, বেল, ক্যাল্ক, ক্যানা-ই, কষ্টি, ডিজি, হিপার, প্লাটি।
২.১) ভ্রান্ত বিশ্বাস ( Delusions): নিহত, যেনো সে নিহত হবে – B= বেল, ক্যাল্ক, হায়োস, ওপি, রাস, স্ট্র্যামো।
২.২) ভ্রান্ত বিশ্বাস : লোক দেখে, যেনো তার পেছনে কেউ রয়েছেে – C= অ্যানাকা, ব্রোম, ক্যাল্ক, ক্যাস্কে, স্যাঙ্ক্রি, ক্রোটন, ল্যাকে, মেডোর, রুটা, স্ট্যাফি, সাইলি ।
২.৩) ভ্রান্ত বিশ্বাস: লোক দেখে, যেনো তার পাশে আছে – B= আর্স । C= অ্যানাকা, অ্যাপিস, বেল, ক্যাল্ক, ক্যাম্ফ, কার্বো-ভে, স্যাঙ্ক্রি, নাক্স-ভ, পেট্রো, থুজা, ভ্যালের ।
২.৪) ভ্রান্ত বিশ্বাস: পীড়িত নিজেকে ভাবে- B=আর্স, ক্যাল্ক, আই, ক্যালি-কা, লাইকো, স্যাবার্ডি, সিপি। C=আর্জ-নাই, ব্যারা-কা, বেল, গ্র্যাফ, মিউরেক্স, ন্যাট্র-কা, ন্যাট্র-মি, নাই-অ্যাসি, পেট্রো, ফস, পডো,সোরিন, স্ট্র্যামো।
২.৫) ভ্রান্ত বিশ্বাস:ছায়ামূর্তি, ভূত, প্রেত দেখে, চোখ বুজলে- B=ব্রায়ো, ক্যাল্ক, ল্যাকে, সালফ, থুজা । C=অ্যাপিস, আর্জ-নাই, বেল, চায়না, ইগ্নে, লিডাম, ন্যাট্র-মি, স্যাম্বু, সিপি, স্ট্র্যামো।
২.৬) ভ্রান্ত বিশ্বাস, স্বপ্ন দেখে: চোখ বুজলে- A=ক্যাল্ক, ককুল, লাইকো। B= আর্জ-নাই, বেল, ব্রায়ো, চায়না, ইগ্নে, ল্যাকে, পালস, সালফ ।
২.৭) ভ্রান্ত বিশ্বাস: অর্থ সম্বন্ধে কল্পনা- B=পাইরো, সালফ। C=অ্যাগ্নাস, অ্যালু, বেল, ক্যাল্ক, ক্যানা-ই, ক্যালি-ব্রো, ভিরেট ।
৩.১) কল্পনায় ডুবে থাকে: ভীতিপ্রদ- A= ক্যাল্ক, স্ট্র্যামো । B= কস্টি, ল্যাক-ক্যান। C=হাইড্রা, হাইড্রো-অ্যাসি, মার্ক, ওপি, সাইলি ।
৩.২) কল্পনায় ডুবে থাকে : জেগে থাকলে – B= ল্যাকে। C=ক্যাল্ক, পালস, সিপি, সালফ।
৪.১) ভয় (Fear) / আতঙ্ক (Dread) / বিষম ভয় (Horror) – A= অ্যাকোন, আর্জ-নাই, অরাম, বেল, বোরা, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, কার্বো-সাল, সাইকু, গ্র্যাফ, ক্যালি-আর্স, লাইকো, লাইসি, ন্যাট্র-কা, ফস, প্ল্যাটি, সোরিন, সিপি, স্ট্র্যামো ।
৪.২) ভয়: মৃত্যুর- A=অ্যাকোন, আর্স, ক্যাল্ক, সিমিসি, জেলস, ল্যাকে-ক্যান, নাই-অ্যাসি, ফস, প্ল্যাটি । B=অ্যাগ্নাস, অ্যাপিস, আর্জ-নাই, বেল, ব্রায়ো, ক্যাক্টা, ক্যানা-ই, কস্টি, ককুল, কফি, ক্রোটেল-ক্যাস্ক, কুপ্রা, সাইক্লে, ডিজি, ফেরা-ফস, ফ্লু-অ্যাসি, হেলি, হিপার, ক্যালি-কা, ক্যালি-নাই, ল্যাকে, লাইকো, মস্কাস, নাক্স-ভ, ওপি, ফস-অ্যাসি, সোরিন, পালস, রাস, সিকেলি, স্পঞ্জি, ভিরেট।
৪.৩) ভয়, খারাপ কিছু- A= ক্যাল্ক, চিনি-সাল, সোরিন । B=আর্জ-নাই, আর্স, কার্বো-ভে, কস্টি, চায়না, আই, ক্যালি-আর্স, ল্যাকে, লরো, লিলি-টি, লাইসি, ন্যাট্র-কা, ন্যাট্র-মি, ওনোস, প্যালাডি, ফস, সিপি ।
৪.৪) ভয় উন্মাদ হবার- A=ক্যাল্ক, ক্যানা-ই, ম্যাঞ্চে । B=অ্যালু, চেলিডো, সিমিসি, ডিজি, গ্র্যাফ, ক্যালি-ব্রো, লিলি-টা, ন্যাট্র-মি, নাক্স-ভ, ফস, পালস, সিপি, স্ট্র্যামো।
৪.৫) ভয়, দারিদ্রের- A= ব্রায়ো। B= ক্যাল্ক, সোরিন, সিপি। C= অ্যাম্ব্রা, ক্যাল্ক-ফ্লু, ক্লোরেল, মেলিলো, নাক্স-ভ, পালস, সালফ।
৪.৬) ভয়, কষ্টভোগের- C= ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কোরাল-রো, ড্যারিস, ইউপে-পার্ফ, লিলি-টি, পাইপার-মে।
৫) বাড়ি যেতে চায় ( Home, desires to go) – B= ক্যাল্ক, ল্যাকে, ওপি। C= বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক-ফস, সাইকু, ক্লোরেল, কুপ্রা, হায়োস, প্লান্টে, রাস, ভিরেট, ভাইপে।
৬) ভয়ঙ্কর (Horrible) ব্যাপার, দুঃখের কাহিনী গভীরভাবে বিচলিত করে- A= ক্যাল্ক, সাইকু। B= ল্যাকে, নাক্স-ভ, টিউক্রি, জিঙ্ক। C= ককুল, জেলস, ইগ্নে, ন্যাট্র-কা।
৭) থুথু দেয় অপরের মুখে ( Spits in faces of people) : B= ক্যাল্ক, কুপ্রা, ভিরেট। C= আর্স, বেল, ক্যানা-ই, হায়োস, মার্ক, ফস, প্লাম্বা, স্ট্যামো।
৮) ভীরুতা ( Timidity) : A= ব্যারা-কা, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-সাল, ক্যালি-কা, লাইকো, ন্যাট্র-কা, পেট্রো, ফস, প্লাম্বা, সালফ।
৯) রক্তাল্পতা ( Anaemia) – A= আর্স, বোরা, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, চায়না, ফেরাম, ফেরা-আর্স, গ্র্যাফ, হেলি, ক্যালি-আর্স, ক্যালি-কা, ক্যালি-ফস, ম্যাঙ্গে, মেডো, মার্ক, ন্যাট্র-মি, নাই-অ্যাসি, ফস, প্লাম্বা, পালস, স্কুই, স্ট্যাফি, সালফ।
১০) ওপরদিকে ওঠতে (Ascending) বাড়ে- A= আর্স, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কোকা, সাইলি, স্পঞ্জি । B=অ্যামন-কা, ব্যারা-কা, বোরা, ক্যাল্ক-ফস, কার্বো-ভে, কার্বো-সাল, কুপ্রা, গ্লোন, মার্ক, ন্যাট্র-মি, নাক্স-ভ, অক্স্যা-অ্যাসি, ফস, রুটা, সেনেগা, সিপি, স্পাইজে, স্ট্যানা, সালফ, ট্যাবে ট্যারাক্সি, জিঙ্ক ।
১১) পোশাক অসহ্যবোধ হয় (Clothing, intolerance, of) -A=আর্জ-নাই, ক্যাল্ক, ক্রোটেল-ক্যাস্ক, ল্যাকে, লাইকো, নাক্স-ভ, ওনোস, স্পঞ্জি ।
১২) ঢিলা করে দিলে উপশম – A= ক্যাল্ক, ল্যাকে, লাইকো, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ ।
১৩) কোষ্ঠবদ্ধতায় উপশম (Constipation amel) -B=ক্যাল্ক, সোরিন । C= মার্ক,।
১৪.১) আক্ষেপ: সংজ্ঞাহীনতাসহ- A=আর্জ-নাই, বিউফো, ক্যাল্ক, ক্যান্থা, সাইকো, ফেরাম, হায়োস, ওনান, প্লাম্বা, ভিসকা । B= ইথু, আর্স, অ্যাস্টের, ক্যাল্ক-আর্স, ক্যাল্ক-সাল, ক্যাম্ফ, কস্টি, কুপ্রা, ক্যালি-কা, মস্কাস, প্ল্যাটি, সিপি, সাইলি, স্ট্যামো, সালফ, ট্যারেন্টু ।
১৪.২) আক্ষেপ: দন্তোদ্গমকালে- A=ক্যাল্ক, ক্যামো । B=অ্যাকোন, ইথু, বেল, সাইকু, সিনা, কুপ্রা, ইগ্নে, ক্রিয়ো, পডো, স্ট্যানা ।
১৪.৩) আক্ষেপ: মৃগীরোগ সদৃশ- A= অ্যাগারি, আর্জ-নাই, বেল, ক্যাল্ক, কস্টি, সাইকু, সিনা, কুপ্রা, গ্লোন, হায়োস, প্লাম্বা, স্ট্যামো, সালফ, ভিস্কা ।
১৪.৪) আক্ষেপ: মৃগীরোগ সদৃশ- ভয় হতে- A= ক্যাল্ক, হায়োস, ইগ্নে, ইন্ডিগো, ওপি । B=অ্যাকোন, অ্যাগারি, আর্জ-নাই, আর্টি-ভাল, বিউফো, কস্টি, কুপ্রা, ক্যালি-ব্রো, প্ল্যাটি, সিকেলি, স্ট্যামো, জিঙ্ক ।
১৫) খর্বতা (Dwarfishness) A= ব্যারা-কা, ক্যাল্ক-ফস, সালফ। B= ব্যারা-কা, ক্যাল্ক, কার্বো-সাল, মেডো, ওলি-জে। C= আই, লাইকো, মার্ক, সিকেলি, স্পাইজে, জিঙ্ক।
১৬) শীর্ণতা ( Emaciation) : A= অ্যাব্রোটে, আর্স, আর্স-আই, ব্যারা-কা, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-আই, চায়না, ফেরাম, গ্রাফ, হেলি, আই, লাইকো, ন্যাট্র-হা, ন্যাট্র-মি, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ, ফস, প্লাম্বা, সেলি, সাইলি, স্ট্যানা, সালফ, টিউবার।
১৭) থলথলে, ভাবের অনুভূতি ( Flabby Feeling) – A= আর্স, ক্যাল্ক, ক্যাপসি, কস্টি, ক্রোকা, লরো, লাইকো, ন্যাট্র-কা, ফস, সালফ।
১৮) খাদ্য : দুধে বাড়ে- A= ইথু, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-সাল, চায়না, কোনি, ল্যাক-ডি, নাই-অ্যাসি, সিপি, সালফ।
১৯) ঝাঁকি দিয়ে ওঠা অভ্যন্তরীণভাবে ( Jarking internally) : A= ক্যাল্ক, ক্যানা-ই, গ্লোন, প্লাটি, পালস, স্পাইজে, স্ট্যানা।
২০) স্তনদুগ্ধপায়ী শিশু ( Nursing children) : A= বোরা, ক্যাল্ক, ন্যাট্র-ফস, পালস, সিপি।
#সংকলনে: ডা.এইচ.এম.আলীমুল হক
ডিএইচএমএস (বিএইচবি), কিউএইচসিবি (বিইউবি)
চেম্বার: আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মৌচাক, মিজমিজি
সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শের জন্য: ১০০টাকা বিকাশ করুন
(বিকাশ পার্সনাল: ০১৯১৬-৫১১ ৩৩৭) তারপর কল করুন
এই নাম্বারে: 01616-511337, 01816-511337