Bryonia Alb (ব্রায়োনিয়া):গুরুত্বপূর্ণ রুব্রিকসহ

২৪। ব্রায়োনিয়া অ্যাল্বাম, DHMS (1st year).
♣ সমনামঃ হোয়াইট ব্রায়োনি, ভিটিস অ্যালবা, ওয়াইল্ড হপস।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক।
♣ সাইডঃ ডানপাশ, বামদিক, ওপরে ডানপাশ নিচে বামপাশ, ডানপাশ হতে বামপাশ।
♣ কাতরতাঃ গরমকাতর।
♣ উপযোগিতাঃ বাত ও পিত্তধাতু বিশিষ্ট – যারা গিটবাত বা বাতরোগে ভোগে, প্রায়ই পিত্তঘটিত অসুখে ভোগে তাদের ক্ষেত্রেই বেশি উপযোগী। চুল ঘন ও কালো, গায়ের রঙ কালো, দেহের মাংসপেশিগুলো শক্ত, শুকনো স্নায়ুবিক ও রোগা লোক।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ রক্ত প্রবাহ, শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি, ফুসফুস, স্তন, হৃদাবরণ, স্নায়ুমন্ডলী, মেনিনজেস, স্নেহস্রাবী ঝিল্লির রস, অন্ত্রাবরক ঝিল্লি, নার্ভ, মাংসপেশি, কৌষিক ঝিল্লি।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ প্রত্যেক ওষুধেরই একটি করে বিশিষ্টতা রয়েছে, যেমন- অ্যাকোনাইটের লক্ষণ সকলের প্রচন্ডতা, বেলের হঠাৎ আবির্ভাব, রাসটক্সের শারীরিক অস্হিরতা, আর্সের মানসিক অস্থিরতার সাথে মৃত্যুভীতি ইত্যাদি; সেই প্রকার ব্রায়োনিয়ার ধীরগতিযুক্ত এবং ক্রমগতিযুক্ত রোগলক্ষণের আবির্ভাব।
♣ ফিজিওলজিক্যাল কাজঃ প্রথমতঃ শ্লৈষ্কিক ঝিল্লির প্রদাহ, দ্বিতীয়তঃ সূঁচিবেঁধা মতো যন্ত্রণা, তৃতীয়তঃ নড়াচড়ায় বাড়ে এবং চতুর্থতঃ চাপে উপশম।
♣ সারসংক্ষেপঃ ঠান্ডা লাগার প্রবণতা। বাত ও পিত্তধাতু বিশিষ্ট শুকনো, রোগা, ঘামশূন্য ও কোপন স্বভাবের লোক যাদের মুখ ও চুল চকচকে তৈলাক্ত। ধীরগতিযুক্ত এবং ক্রমগতিযুক্ত রোগলক্ষণের আবির্ভাব। শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির শুষ্কতা ও পিপাসা। তীব্র গরমানুভূতির পর তীব্র ঠান্ডানুভূতির ( শারীরিক ও মানসিক) কারণে রোগোৎপত্তি। প্রাতে, সন্ধাকালে, রাত ৯টায়, ওপরদিকে ওঠতে, ঠান্ডা হতে গরম পড়লে, আহারের পরে, দৈহিক পরিশ্রমে, রুটিতে, উত্তপ্ত হলে, সঞ্চালনে, ঘুমের আগে, শুরুতে ও সময়ে বাড়ে। শীতল পানীয়ে, শুয়ে থাকলে, বিশ্রামে, চাপে ও গরম সেঁকে ( মাথা ব্যথা) কমে। ক্রুদ্ধভাব, খিটখিটে, উৎকন্ঠা, উত্তেজনাপ্রবণতা, প্রলাপ, বিড়বিড় করে, ভ্রান্ত বিশ্বাস, ভয়, অলসভাব ও বিষয়কর্মে বিতৃষ্ণা। উত্তপ্তাবস্থায় ঠান্ডা পানি পান করলে ফেটে যাওয়ার মতো মাথা ব্যথা। ডানদিকে রোগাক্রমণ।
♣ অদ্ভূত লক্ষণঃ জ্বরের মাঝে বোকা ও নিদ্রালু অবস্হা ; অথবা মৃদু প্রলাপ, যার মাঝে রোগীর ভুল হয় সেভাবে অন্য কোথাও যেনো রয়েছেে ; তাই “বাড়ি যেতে চায় “।
♣ অনুভূতিঃ পোকা হাঁটার মতো অনুভূতি ও পূর্ণতাবোধ : অভ্যন্তরীনভাবে।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) ব্যবসা সংক্রান্ত প্রলাপ বকে। ২) উত্তপ্তাবস্থায় ঠান্ডা পানি পান করলে ফেটে যাওয়ার মতো মাথা ব্যথা। ৩) স্তনদানকারী মহিলার স্তনে বাতজ ব্যথা হয়ে জ্বর।
♣ < বৃদ্ধিঃ প্রাতে, সন্ধাকালে, রাত ৯টায়, ওপরদিকে ওঠতে, ঠান্ডা হতে গরম পড়লে, আহারের পরে, দৈহিক পরিশ্রমে, খাদ্য : সীম বা মটরে, রুটিতে, বাঁধা কপিতে, গরম আবহাওয়ায়, বায়ু উৎপন্ন করে এরূপ খাদ্যে, ফলে, গরম খাদ্যে, উত্তপ্ত হলে, ব্যথা শুন্য পাশে শুলে, একপাশে চেপে শুলে, সঞ্চালনে, আক্রান্ত অঙ্গের সঞ্চালনে, চাপ দিলে ব্যথাহীন স্থানে ব্যথা বাড়ে, জাগরণে, দৌড়ালে, ঘুমের আগে, শুরুতে ও সময়ে, হাঁটলে, মুক্তবাতাসে, স্রাব অবরুদ্ধে, বিরক্তি, ঝাকুনিতে।
♣ > হ্রাসঃ গোসলে, খাদ্য : শীতল পানীয়ে, শুয়ে থাকলে, শুয়ে থাকার পরে, চিৎ হয়ে শুলে, বিছানায় শুলে, ব্যথাযুক্ত পাশে শুলে, ঘামে, চাপে, বসে থাকলে, ঠান্ডা খোলা বাতাসে, বিশ্রামে, স্হির হয়ে থাকলে, ভিজা আবহাওয়ায়, হাঁটু গুটিয়ে নিলে।
♣ কারণঃ অসন্তোষ, ক্রোধ, বিরক্তি ও ভয়, ঘৃণা, অত্যুপ্ত অবস্হায় ঠান্ডা লাগার ফলে, গরমকালে ঠান্ডা পানীয় বা বরফ খাওয়ার ফলে, উদ্ভেদ ও স্রাবের অবরুদ্ধতা, মদ্যপান, সীম ও মটর, ঠান্ডা খাদ্য ও পানীয়, রুটি, বাঁধাকপি, গেঁটেবাত পিত্তঘটিত ব্যাধির ফলে, বায়ু উৎপাদক খাদ্যে, ফলমূল খাওয়ার ফলে, গ্রীষ্মকালে, ঠান্ডা লাগলে, ঘাম চাপা পড়লে।
♣ স্বপ্নঃ ভীতিপূর্ণ, সংসার বা ব্যবসা সংক্রান্ত।
♣ ইচ্ছাঃ অম্ল, মিষ্টি, কড়া কফি, গরম দুধ বা পানীয়, মদ, ঝিনুক, সূপ।
♣ অনিচ্ছাঃ ফ্যাট, মাংস, সালাত, দুধ।
♣ অসহ্যঃ পোশাক।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ অ্যাসি-মিউর, অ্যাকোন, অ্যালু, ক্যাম্ফ, ক্যামো, চেলিডো, কফিয়া, ইগ্নে, নাক্স-ভ, পালস, রাস, ক্লিমে, সেনেগা, ফেরা-মেট। টেস্টি তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে তেখেছেন যে, ফেরা-মিউর সবচেয়ে ভালো ক্রিয়ানাশক।
♣ এটি ক্রিয়ানাশকঃ অ্যালু, ক্লোরাম, চায়না, ফ্র্যাগোরিয়া ভেচক, মার্ক, রাস।
♣ প্রয়োগঃ ১) ব্রায়োনিয়ার রোগীকে জেরা করো না, তাতে তার রোগ যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়। — ডা. কেন্ট।
২) ব্রায়োনিয়ার রোগী কাসার সময় হাত দিয়ে বক্ষঃস্থল চেপে ধরে। — ডা. ডানহাম।
= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা ব্রায়োনিয়া প্রয়োগ করতে পারবো।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুব্রিকঃ
১) ক্রোধ(Anger/অ্যাংগার)ঃ প্রচন্ড- A- অ্যাকোন, অ্যানাকা, অরাম, ক্যামো, হিপার, নাই-অ্যাসি, নাক্স-ভ, স্ট্যাফি, ট্যারেন্টু।
২) উৎকন্ঠা: ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে – A= ব্রায়ো, ক্যাল্ক, চিনি-সাল, সাইকু, ফস।
৩.১) প্রলাপ : প্রভাতে- A= ব্রায়ো। C= কোনি।
৩.২) প্রলাপ : বিড়বিড় করে- A= ব্রায়ো, হায়োস, ফস, স্ট্র্যামো।
৩.৩) প্রলাপ ; স্থির – A= ব্রায়ো, হায়োস। B= কার্বো-ভে, চেলিডো, ক্লোর, ফস-এসিড।
৪) ভ্রান্ত বিশ্বাস : ভাবে সে বাড়ি হতে দূরে রয়েছে – A= ব্রায়ো। B= কফি, হায়োস, ওপি, রাস।
৫) ভয়, দারিদ্রের- A= ব্রায়ো। B= ক্যাল্ক, সোরিন, সিপি। C= অ্যাম্ব্রা, ক্যাল্ক-ফ্লু, ক্লোরেল, মেলিলো, নাক্স-ভ, পালস, সালফ।
৬) ভয়, কষ্টভোগের- C= ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কোরাল-রো, ড্যারিস, ইউপে-পার্ফ, লিলি-টি, পাইপার-মে।
৭) বাড়ি যেতে চায় ( Home, desires to go) – B= ক্যাল্ক, ল্যাকে, ওপি। C= বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক-ফস, সাইকু, ক্লোরেল, কুপ্রা, হায়োস, প্লান্টে, রাস, ভিরেট, ভাইপে।
৮) ঘৃণা হতে রোগ ( Scorn) – A= ব্রায়ো, ক্যামো, নাক্স-ভ।
৯) কথা বলা : বিড়বিড় করে আজেবাজে- A= ব্রায়ো, হায়োস। B= অ্যানাকা, স্ট্র্যামো।
১০) ) চমকে ওঠে, হঠাৎ চকিত হয় (Starting, startled) A= আর্স, বেল, ব্রায়ো, ক্যাপসি, হায়োস, ল্যাক-ক্যান, ন্যাট্র-আর্স, ন্যাট্র-মি, স্ট্র্যামো, স্ট্রনসি।
১১) কাঁদেঃ কাশির আগে- A= ব্রায়ো, হিপার।
B= আর্নি, বেল।
১২) রাত ৯টায় বাড়ে- A= ব্রায়ো। B= মিউ-অ্যাসি, সালফ।
১৩) ওপরদিকে ওঠতে (Ascending) বাড়ে- A= আর্স, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কোকা, সাইলি, স্পঞ্জি।
১৪) আহারের পরে বাড়ে- A- অ্যালোজ, আর্স, ব্রায়ো,ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-ফস, কস্টি, কলো, কোনি, ক্যালি-বাই, ক্যালি-কা, ল্যাকে, লাইকো, ন্যাট্র-মি, নাক্স-ভ, ফস, পালস, রিউমেক্স, সিপি, সাইলি, সালফ।
১৫) দৈহিক পরিশ্রমে বাড়ে (Exertion, physical, agg.)- A= অ্যালু, আর্নি, আর্স, আর্স-আই, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, ক্যাল্ক-সাল, ককুল, কোনি, ফেরা-আই, জেলস, আই, লরো, ন্যাট্র-আর্স , ন্যাট্র-কা, ন্যাট্র-মি, পিক্রি-অ্যাসি, রাস, সেলি, সিপি, স্পাইজে, স্পঞ্জি, স্ট্যানা, স্ট্যাফি, সালফ।
১৬.১) খাদ্য : রুটিতে বাড়ে- A= ব্রায়ো, পালস।
১৬.২) খাদ্য : শীতল পানীয়ে উপশম- A= বিসমা, ব্রায়ো, কস্টি, ফস, সিপি।
১৬.৩) খাদ্য : ফলে বাড়ে- A= আর্স, ব্রায়ো, চায়না, কলো, ন্যাট্র-সাল, পালস, ভিরেট।
১৬.৪) খাদ্য : গরম খাদ্যে বাড়ে- A= ব্রায়ো, ল্যাকে, ফস, পালস।
১৭) উত্তপ্ত হলে ( Heated becoming) – A= অ্যান্টি-ক্রু, ব্রায়ো, আই, ক্যালি-কা, ক্যালি-সাল, পালস, সাইলি।
১৮) ভারবোধ, বাহ্যিকভাবে ( Heaviness, externally) – A= ইস্কু, বেল, ব্রায়ো, ক্লিমে, কোনি, জেলস, নাক্স-ভ, ফস, পালস, রাস, সিপি, স্পাইজে, স্ট্যানা, সালফ।
১৯) শুয়ে থাকলে উপশম- A= অ্যামন-মি, অ্যাসের, বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, ফেরাম, ম্যাঙ্গে, ন্যাট্র-মি, নাক্স-ভ, পিক্রি-অ্যাসি, স্কুই।
২০) ব্যথাশূন্য পাশে শুলে বাড়ে- A= ব্রায়ো, ক্যামো, কলো, পালস।
২১) সঞ্চলনে বাড়ে (Motion agg.) A= বেল, বিসমা, ব্রায়ো, চেলিডো, চায়না, ককুল, কলচি, কলো, গুয়াই, লিডাম, মার্ক, নাক্স-ভ, র্যানান-বা, স্যাবি, সাইলি, সালফ।
২২) আক্রান্ত অঙ্গের সঞ্চালনে বাড়ে- A= ইস্কু, আর্নি, ব্রায়ো, ক্যামো, লিডাম, রাস, স্পাইজে।
২৩) ব্যথা ( Pain)- ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় – A= ব্রায়ো। B= অ্যাকোন, কার্বো-অক্সি, কস্টি, কোনি, ইগ্নে, ল্যাক্টো, লোবে, সাল-অ্যাসি।
২৪.১) সূঁচফোটানো ব্যথা বাহ্যিকভাবে -A= অ্যাসাফ, বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কার্বো-সাল, সাইকু, কোনি, ক্যালি-কা, ক্যালি-ফস, ক্যালি-সাল, লিডাম, মার্ক, পালস, র্যানান-বা, রাস, স্পাইজে, স্ট্যাফি।
২৪.২) সূঁচফোটানো ব্যথা: অভ্যন্তরীকভাবে- A= অ্যাসাফ, বার্বে, বোরা, ব্রায়ো, ক্যানা-ই, ক্যান্হা, কার্বো-সাল, চেলিডো, চায়না, ক্যালি-কা, ক্যালি-সাল, ল্যাকে, লিডাম, মার্ক, মার্ক-কর, নাই-অ্যাসি, ফস, প্ল্যাটি, পালস, সিপি, সাইলি, স্পাইজে।
২৪.৩) সূঁচফোটানো ব্যথা: হাড়ে- A= বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কস্টি, কোনি, হেলি, মার্ক, পালস, সার্সা, সিপি, সালফ।
২৫) চাপে উপশম- A= ব্রায়ো, কলো, কোনি, লিলি-টি, ম্যাগ-মি, ম্যাগ-ফস, ন্যাট্র-কা, প্লাম্বা, পালস, সাইলি।
২৬) ডান দিক (Right) A= আর্জ-মে, আর্স, অরাম, ব্যাপটি, বেল, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, ক্যান্থা, চেলিডো,
কলো, কোনি, ক্রোট-কা, ক্রোট-হ,লাইকো, নাক্স-ভ, পালস, স্যাঙ্গুই,সার্সা, সিকেলি।
২৭.১) ঘুমের আগে বাড়ে (Sleep, before agg.)- A= আর্নি, আর্স, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কার্বো-ভে, মার্ক, ফস,পালস, সিপি, সালফ।
২৭.২) ঘুমের শুরুতে বাড়ে (at beginning agg.)- A= আর্স, বেল, ব্রায়ো, ক্রোট-হ, ক্যালি-কা, ল্যাকে পালস, সিপি।
২৭.৩) ঘুমের সময়ে বাড়ে (during)- A= আর্নি, আর্স, বেল, বোরা, ব্রায়ো, হিপার, হায়োস, মার্ক, ওপি, পালস, সাইলি।
২৮) সাধারণ ফোলা : গরম- A= বেল, ব্রায়ো, মার্ক। B= অ্যাকোন, ক্যাল্ক, হিপার, ফস, ফাইটো, সালফ।
২৯) সাদা গয়ের মিশ্রিত সূতোর অনুভূতি- A= ব্রায়ো, ইগ্নে, ল্যাকে, ভ্যালের।
৩০.১) দুর্বলতা/ক্লান্তিঃ ওঠার সময়- A= ব্রায়ো, ল্যাকে, ফস-এসিড।
৩০.২) দুর্বলতা/ক্লান্তিঃ সামান্য পরিশ্রমে – A= আর্স, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, কোনি, ল্যাকে, ন্যাট্র-কা, ফস-এসিড, পিক্রি-অ্যাসি, রাস,স্যালে, স্পঞ্জি।
৩০.৩) দুর্বলতা/ক্লান্তিঃ ঘাম হতে- A= ব্রায়ো, ক্যাম্ফ, কার্বো-অ্যানি, চায়না, ফেরাম, ফেরা-আই, গ্র্যাফ, হায়োস, ইগ্নে, আই, লাইকো, মার্ক, ফস, সোরিন, স্যাম্বু, টিউবার।
৩০.৪) দুর্বলতা/ক্লান্তিঃজাগরণে – A= আর্স, ব্রায়ো, হাইড্রো, হাইপেরি, লাইকো।
৩০.৫) দুর্বলতা/ক্লান্তিঃ হাঁটা থেকে- A= অ্যালু, আর্স, ব্রায়ো, ক্যাল্ক, ক্যানা-ই , কোনি, ফেরাম, ল্যাকে, মিউ-অ্যাসি, নাই-অ্যাসি, ফস-এসিড, ফস, সোরিন, রাস, সিপি, স্কুই, সালফ।
লেখক-Dr. Moin Uddin
সূত্র-অনলাইন কালেকশন
-ডা. এইচ এম আলীমুল হক, আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মুক্তিস্মরণী, চিটাগাংরোড, শিমরাইল মোড়, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ। ০১৯২০-৮৬৬ ৬১০