Calcarea fluor (ক্যাল্কেরিয়া ফ্লোর)

DHMS (2nd year).
♣ সমনামঃ ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড, ফ্লোরাইড অব লাইম, ক্যালকেরিয়া ফ্লোরেটা।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক।
♣ কাতরতাঃ শীতকাতরতা।
♣ উপযোগিতাঃ এটি একটি শক্তিশালী তন্তর ওষুধ। পাথরের মতো শক্তগ্রন্থি, প্রসারিত ও বেড়ে যাওয়া শিরা, অস্হির অপুষ্টি।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ হাড়, দাঁত, চামড়া, কানেক্টিভ টিসু, গ্ল্যান্ডগুলো।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ ক্যাল্কেরিয়া ফ্লুওর সুসলারের বোন সল্ট বা অস্হিলবণ। এটি অস্হির উপরিভাগে, দাঁতের এনামেলে স্থিতিস্থাপক তন্তুতে ও ইপিডার্মিস কোষে দেখা যায়।
♣ সারসংক্ষেপঃ গলগন্ড ও সিফিলিস দোষযুক্ত। জৈব উত্তাপের অভাব। কঠিনতা বা শক্তভাব, কঠিনতা : গ্রন্হিগুলোতে। ক্ষতের চারদিকে পাথরের মতো শক্ত ফোলা। চামড়া ফেটে বা শক্ত হয়ে যায়। ধনলিপ্সা ও কৃপণ- কাল্পনিক অর্থনাশ হবার ভয়ে ভীত। রোগী অত্যন্ত সন্ধিগ্ধ চিত্ত। কোনো বিষয়ে চিন্তা করে স্হির সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে না। ভূমিষ্ট শিশুর টিউমার।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ
১) লিখলে চোখে কামড়ানো মতো ব্যথা হয়।
২) গর্ভাবস্থায় পেট ফাঁপে।
♣ < বৃদ্ধিঃ প্রাতে, ঠান্ডায়, বিশ্রামে, স্হির হয়ে থাকলে, আবহাওয়ার পরিবর্তনে, নাড়াচড়ার শুরুতে,
ভেজা আবহাওয়ায়, ঋতু পরিবর্তন হয়ে ঠান্ডা পড়লে, বেদনাপূর্ণ পাশে শয়নে, গলাব্যথা শীতল পানীয়ে।
♣ > হ্রাসঃ ঋতুস্রাবকালে, ক্রমাগত নড়াচড়ায়, উত্তাপে, অস্হিপীড়ায় উত্তাপে ও গরম পানীয়ে, ঘর্ষণে ও হাত বুলালে, সঙ্কোচনযোগ্য স্থানে শীতল প্রয়োগে, পানি পানে।
♣ প্রয়োগঃ এটি প্রাচীন পীড়ার ওষুধ। ওষুধটির কাজ করতে কিছু সময় লাগে। খুব ঘন ঘন প্রয়োগ করা উচিত নয়।
= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা ক্যাল্ক-ফ্লু প্রয়োগ করতে পারবো।
লেখক-Dr. Moin Uddin
সূত্র-অনলাইন কালেকশন
ডা. এইচ এম আলীমুল হক, আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মুক্তিস্মরণী, চিটাগাংরোড, শিমরাইল মোড়, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ। ০১৯২০-৮৬৬ ৬১০