উপযুক্ত ঔষধ নির্বাচনে চিকিৎসকের কর্তব্য

“চিকিৎসকের প্রথম এবং প্রধান কর্তব্য”—রোগী সুস্থ করা, তার হৃত স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করা, —।

রোগীর জন্য একটি উপযুক্ত ঔষধ সিলেকশন করতে চাইলে তিনটি ধাপ অনুসরণ করে যেতে হবে।
প্রথম ধাপে, কেইস রেকর্ড করতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে, রেপার্টরাইজেশন করতে হবে।
তৃতীয় ধাপে, কেস এনালাইসিস এবং রেপার্টরাইজেশনে প্রাপ্ত সম্ভাব্য ঔষধগুলোর মধ্যে কমপেয়ার করতে হবে।
টোটাল প্রক্রিয়াকে বলা হবে এনামনেসিস।
এভাবে কেস রেকর্ড, রেপাটরীকরণ এবং এনালাইসিসের মাধ্যমে একটি ঔষধ নির্বাচন করা সম্ভব হবে।
টোটাল প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে রোগীভেদে আধঘন্টা বা এর চেয়েও বেশি সময় লাগতে পারে।
প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করে একটি এপ্রোপ্রিয়েট রিমেডি সিলেকশনে অনেক বেশি বিচক্ষণ এবং ধৈর্যশীল হতে হয়।

তরুণ রোগ বা (Acute disease treatment):
আঙ্গিক লক্ষণের চিকিৎসা করা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার নীতি বিরুদ্ধ। কিন্তু ৫টি পয়েন্ট দ্বারা আঙ্গিক লক্ষণকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করলে তা আর আঙ্গিক লক্ষণ থাকে না। এই নিম্ন লিখিত বৈশিষ্ট্যগুলো আঙ্গিক লক্ষণকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে।
১) কারণ Causation.
২) স্হান Location.
৩) অনুভূতি Sensation.
৪) হ্রাস বৃদ্ধি Modalities.
৫) আনুষাঙ্গিক Concomitance.
উপরোক্ত পাঁচটি পয়েন্টের ভিত্তিতে তরুণ রোগীর সদৃশ ঔষধটি নির্বাচন করতে সক্ষম হলে তরুণ রোগ আদর্শ আরোগ্য লাভ করবে।

চিররোগ (chronic disease) চিকিৎসার ক্ষেত্রে যে দশটি পয়েন্ট অবশ্যই পালনীয়:-
১) কত দিন যাবত ভুগছেন Time & Suffering.
২) অতীতে কোনো রোগ চাপা পড়ে ছিল কিনা Suppression
৩) রোগের কারণ Causation
৪) আক্রান্ত স্থান Location.
৫) অনুভূতি Sensation.
৬) হ্রাস বৃদ্ধি Modalities.
৭) আনুষাঙ্গিক Concomitance.
৮) চারিত্রিক লক্ষণ Characters.
৯) সর্বশেষ গৃহীত চিকিৎসার বিবরণ Last treatment.
১০) খাদ্যের ইচ্ছা অনিচ্ছা/বৃদ্ধি Vegetables Mind.
১১) সার্বদৈহিক Generalities.
১২) মানসিক লক্ষণ Mind.
#সংকলনে: ডা.এইচ.এম.আলীমুল হক
ডিএইচএমএস (বিএইচবি), কিউএইচসিবি (বিইউবি)
চেম্বার: আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মৌচাক, মিজমিজি
সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শের জন্য: ১০০টাকা বিকাশ করুন
(বিকাশ পার্সনাল: ০১৯১৬-৫১১ ৩৩৭) তারপর কল করুন
এই নাম্বারে: 01616-511337, 01816-511337