অর্গানন: সূত্র: সূচিপত্র

(১) চিকিৎসকের উদ্দেশ্য (সূত্র-১-৪)
(২) রোগের মূল কারণ ও উত্তেজক কারণ (সূত্র-৫)
(৩) রোগ লক্ষণ (সূত্র-৬-৮)
(৪) জীবনীশক্তি (সূত্র-৯-১৬)
(৫) রোগ আরোগ্যের সূত্র (সূত্র-১৭-১৮)
(৬) ঔষধ ও আরোগ্য (সূত্র-১৯-২৯)
(৭) হোমিওপ্যাথিক বিধান (সূত্র-২৪-২৯)
(৮) প্রাকৃতিক রোগ ও ঔষধজ শক্তি (সূত্র-৩০-৩৮)
(৯) এলোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা (সূত্র-৩৯-৪৬)
(১০) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা (সূত্র-৪৭-৫৩)
(১১) হোমিওপ্যাথিক ও এলোপ্যাথিক চিকিৎসার তুলনা (সূত্র-৫৪-৬২)
(১২) ঔষধের মূখ্য ও গৌণক্রিয়া (সূত্র-৬৩-৭০)
(১৩) রোগ সমীক্ষা (সূত্র-৭১-৮২)
(১৪) রোগীলিপি প্রণয়ন ও রোগলক্ষণ নির্বাচন (সূত্র-৮৩-১০২)
(১৫) উপবিষ স্থায়ী রোগ (সূত্র-১০৩-১০৪)
(১৬) ভেষজ পরিচয় (সূত্র-১০৫-১১৪)
(১৭) ঔষধের পর্যায়ক্রমিক ক্রিয়া (সূত্র-১১৫)
(১৮) লক্ষণ বিকাশে বিভিন্নতা ও ধাতুবৈশিষ্ট্যতা (সূত্র-১১৬-১১৯)
(১৯) ভেষজ পরীক্ষা (সূত্র-১২০-১২৫)
(২০) ঔষধ পরীক্ষার নিয়ম-পদ্ধতী (সূত্র-১২৬-১৪২)
(২১) মেটেরিয়া মেডিকা (সূত্র-১৪৩-১৪৫)
(২২) সর্বাপেক্ষা উপযোগী ও সুনির্বাচিত ঔষধ (১৪৬-১৪৯)
(২৩) অচির রোগের চিকিৎসা (সূত্র-১৫০-১৫৬)
(২৪) সদৃশ বৃদ্ধি বা ঔষধজ রোগ (সূত্র-১৫৭-১৭১)
(২৫) এক দৈশিক চিররোগ সমূহ (সূত্র-১৭২-১৭৩)
(২৬) স্থানীয় রোগ এবং চিকিৎসা (সূত্র-১৭৪-২০৩)
(২৭) ক্রনিক রোগের চিকিৎসা (সূত্র-২০৪-২০৯)
(২৮) মানসিক ব্যাধি ও ইহার চিকিৎসা (সূত্র-২১০-২৩০)
(২৯) সবিরাম রোগ (সূত্র-২৩১-২৩৫)
(৩০) ঔষধ প্রয়োগের সময় (সূত্র-২৩৬-২৪৪)
(৩১) ঔষধ পুনঃপ্রয়োগ প্রণালী (সূত্র-২৪৫-২৫২)
(৩২) পীড়ার বৃদ্ধি ও উপশম (সূত্র-২৫৩-২৫৮)
(৩৩) পথ্য ও পরিচর্যা (সূত্র-২৫৯-২৬৩)
(৩৪) ঔষধ প্রস্তুত প্রণালী (সূত্র-২৬৪-২৭১)
(৩৫) ঔষধের প্রয়োগ ও মাত্রা (সূত্র-২৭২-২৭৪)
(৩৬) ঔষধ শক্তি (সূত্র-২৭৫-২৮৩)
(৩৭) চুম্বক, বিদ্যুৎ, মর্দন ও মেসমেরিজম (সূত্র-২৮৪-২৯১)

One Comment