Ruta Grave (রুটা গ্রাভি):ডা.এইচ.সি.এলেন

(২) Ruta Grave (রুটা গ্রাভি)
#নিজস্বকথাঃ
১। সন্ধিস্থানের অস্থিচ্যুতি বা সন্ধিস্থান মচকে যাওয়া।
২। কটি ব্যথা ও মলদ্বারের শিথিলতা।
৩। স্ত্রী জননেন্দ্রিয়ে চুলকানির সঙ্গে বাম স্তনে ব্যথা।
৪। চক্ষু জ্বালা ও দৃষ্টি বিপর্যয়।
#মূলকথাঃ
১। সমস্ত শরীরে ব্যথা, বিশেষত সন্ধিস্থানে ব্যথা ও অসাড়তা, যেন উঁচু জায়গা থেকে পড়ে গেছে বা কেহ লাঠি দিয়ে মেরেছে।
২। শরীরের যে স্থানে চেপে শুয় সে স্থানে অত্যন্ত ব্যথা, যেন সেখানে চোট লেগেছে।
৩। বিশেষত হাতের কব্জি ও পায়ের গোড়ালি মচকে যাৗয়অর মত ব্যথা।
৪। বুকে সজোরে আঘাত লাগার ফলে যক্ষ্মা।
৫। চোখের অতিরিক্ত ব্যবহার বা কোন জিনিস একদৃষ্টিতে লক্ষ্য করলে চোখের ভিতর ব্যথা লাগে বা ঝাপসা দেখে।
৬। পড়ার সময় চোখের মধ্যে গরম, জ্বালা ও ব্যথা অনুভূত হয়।
৭। হাতের কব্জিসহ যে কোন স্থানে গ্যাংগলিয়ন টিউমার।
#উপযোগিতাঃ
১। স্ক্রোফুলাদোষ থেকে অস্থিবৃদ্ধি, হাড়ে বা অস্থিবেষ্টনীতে (পেরিষ্টাইসিস) যান্ত্রিক আঘাত লেগে বা থেৎলে গিয়ে ব্যথা যন্ত্রণায়, মচকে গিয়ে প্রদাহ বা অস্থিবেষ্টনীর প্রদাহ, ইরিসিপেলাস বা অস্থিচ্যুতি হলে উপযোগী (সিম্ফাইটাম)।
২। পড়ে গিয়ে আঘাত লাগলে যেমন ব্যথা হয়, তেমনি সারাদেহে থেৎলানো ব্যথা, হাত-পা ও সন্ধিগুলোতে ব্যথা বেশী হয় (আর্নিকা)। যেদিকে চেপে শোয় সেদিকে ব্যথা মনে হয়, যেন থেৎলে গেছে (ব্যাপ্টি, পাইরো)।পিঠের ব্যথা চিৎ হয়ে শুলে উপশম।
৩। অস্থিরতা, শুয়ে থাকলে অবিরত এপাশ ওপাশ করতে থাকে (রাসটক্স), হাতের কব্জি, পায়ের গোড়ালীতে খঞ্জতাভাব, যেন মচকে গেছে (বহুদিনের পুরাতন ঐ রকম খঞ্জতায়- বোভিষ্ট, ষ্ট্যান্সি-কা)। বুকে যন্ত্রিক আঘাত লেগে ক্ষয়রোগ হলে (মিলিফো) ব্যবহার্য।
৪। চোখের মধ্যে বা চোখের উপরদিকে টাটানি ব্যথা, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়, যেন চোখের অত্যধিক পরিশ্রম হয়েছে। ঘড়ি সারানো, খোদাই কার্য করা, এরকম চোখের সূক্ষ্ম কাজ করে চোখের অসুখ (নেট-মি), একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার কারণে চোখের রোগ (সিনিসিও) হলে উপযোগী।
৫। চোখের অত্যাধিক পরিশ্রমে, আলোর প্রতিফলন হয়ে বা অল্প আলোয় দৃষ্টিশক্তির বেশী ব্যবহারে, সুক্ষ্ম সুচিকার্য করে, বেশী রাত অবদি পড়াশোনা করে চোখে কম দেখে বা চোখ ব্যথা করে ঐ সাথে ঝাপসা দৃষ্টি, আবছা দেখে, দুরের কিছু দেখতে পা না- এসব লক্ষণে উপযোগী।
৬। চোখে জ্বালা, চোখে ব্যথা, চোখ যেন টেনে আসে, আগুনের মত গরমভাব, নীচের পাতা নাচতে থাকে- এসব লক্ষণে উপযোগী।
৭। কোষ্ঠবদ্ধতা: বারে বারে নিস্ফল মলবেগ। যান্ত্রিক আঘাতে মলদ্বার নিস্ক্রিয় বা মল অত্যাধিক জমা হয়ে (আর্নিকা) কোষ্ঠকাঠিন্য হলে উপযোগী।
৮। মলত্যাগের জন্য কোঁথ দিলেই মলদ্বার বাহিরে বের হয়ে আসে, সামনের দিকে সামান্য ঝুকলেই বা প্রসবের পর ঐরকম মলদ্বার বের হওয়া লক্ষণে উপযোগী।
৯। মূত্রথলীতে চাপবোধ, যেন মূত্রথলী সবসময় ভর্তি হয়ে আছে। প্রসাব করলেও এরকম মনে হতে থাকে। মুত্রবেগ আসলে চেপে রাখা কষ্টকর, বেগ এলে যদি প্রসাব না করে তবে পরে প্রসাব ত্যাগে কষ্টবোধ হয়। অল্প পরিমানে সবজে প্রসাব বের হয়, প্রসাব অসাড়ে হয়- এসব লক্ষণে উপযোগী।
১০। আচিঁল, টাটানি ব্যথাযুক্ত, হাতের তালুতে চ্যাপ্টা, মসৃণ আচিল হলে ব্যবহার্য (নেট-কা, নেট-মি)। (হাতের পিঠে আচিলে- ডালকামারা)।
১১। তুলনীয়- আর্নিকা, আর্জে-না, কোনি, ইউফ্রে, ফাইটো, রাসটক্স, সিম্ফাই। আঘাতজনিত উপসর্গে আর্নিকার পর ও হাড়ে আঘাতজনিত রোগে সিম্ফাইটামের পরে রুটায় আরোগ্যকার্য দ্রুততর করে।

-ডা. এইচ এম আলীমুল হক, আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী,
মৌচাক, মিজমিজি, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ,
ঢাকা, বাংলাদেশ। ০১৯২০-৮৬৬ ৬১০