Category: অর্গানন ও সমীক্ষা

অর্গানন: সূত্র- ১৫০ থেকে ২০৩ পর্যন্ত।

সূত্রঃ ১৫০। কেবল স্বল্পকালে পূর্বে দেখা গিয়েছে এই রূপ এক বা একাধিক লক্ষণের কথা রোগী যদি বলে তাহা হইলে চিকিৎসার যোগ্য পূর্ণাঙ্গ ব্যাধি বলিয়া চিকিৎসকের তাহার উপর কোন গুরুত্ব আরোপ করিবার প্রয়োজন নাই । খাদ্যবস্হায় সামান্য কিছু পরিবর্তন করাই এরূপ অসুস্থতাকে দূরীভূত করিবার পক্ষে সাধারণত যথেষ্ট । সূত্রঃ ১৫১। কিন্তু রোগী যখন কোন প্রচণ্ড যন্ত্রণার

অর্গানন: সূত্র- ১০৩ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

#সূত্রঃ ১০৩। সাধারণত অস্থায়ী প্রকৃতির মহামারী সম্বন্ধে যে কথা এখানে বলা হইল আদি রোগবীজজনিত রোগ সম্বন্ধে— যেগুলি (বিশেষত সোরা) মূলে একই থাকে বলিয়া বর্ণিত হইয়াছে -তাহাদের লক্ষণসমূহ আরও বেশি পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে অনুসন্ধান করিয়া জানিতে হইবে। কারণ তাদের ক্ষেত্রেও একটি রোগীর মধ্যে আংশিক লক্ষণ পাওয়া যায়; দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং আরও অন্যান্য রোগীতে অন্য কতকগুলি লক্ষণ দেখা যায়

অর্গানন: সূত্র- ৫৪ থেকে ১০২ পর্যন্ত।

#সূত্রঃ ৫৪। কল্পিত রোগবস্তূ খুঁজিয়া বিভিন্ন রোগ নামকরনান্তে মিশ্র ঔষধ ব্যবস্থা করাই এলোপ্যাথিক নীতি- এলোপ্যাথিক চিকিৎসা প্রণালীতে রোগের বিরুদ্ধে অনেক কিছুই ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সাধারণত সেগুলি অনুপযুক্ত এবং বহুকাল ধরিয়া ইহারা নানাপ্রকার পদ্ধতি নামে অভিহিত হইয়া আধিপত্য বিস্তার করিয়া চলিয়াছে। ইহাদের প্রত্যেকটি এক এক সময়ে বিশেষভাবে আকার বদলাইয়া যুক্তিসঙ্গত চিকিৎসাপদ্ধতি বলিয়া নিজেকে গৌরবদান করিয়াছে। এইরুপ

অর্গানন: সূত্র- ০১ থেকে ৫৩ পর্যন্ত।

#সূত্রঃ ১। চিকিৎসকের একমাত্র মহৎ উদ্দেশ্য- চিকিৎসকের মহৎ ও একমাত্র উদ্দেশ্য হলো রোগীকে স্বাস্থ্যে ফিরিয়ে আনা, যাহাকে বলা হয় আরোগ্য বিধান করা। #সূত্রঃ ২। আদর্শ আরোগ্যের শর্তসমূহ- আরোগ্যবিধানের উচ্চতম আদর্শ হলো দ্রুত, বিনাকষ্টে ও স্হায়িভাবে স্বাস্থ্যের পুনরুদ্ধার, কিংবা স্বল্পতম সময়ের মধ্যে, সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য ও নির্দোষ উপায়ে, সহজবোধ্য নীতির সাহায্যে সমগ্রভাবে রোগের দূরীকরণ ও বিনাশ। #সূত্রঃ

অর্গানন: সূত্র: সূচিপত্র

(১) চিকিৎসকের উদ্দেশ্য (সূত্র-১-৪)(২) রোগের মূল কারণ ও উত্তেজক কারণ (সূত্র-৫)(৩) রোগ লক্ষণ (সূত্র-৬-৮)(৪) জীবনীশক্তি (সূত্র-৯-১৬)(৫) রোগ আরোগ্যের সূত্র (সূত্র-১৭-১৮)(৬) ঔষধ ও আরোগ্য (সূত্র-১৯-২৯)(৭) হোমিওপ্যাথিক বিধান (সূত্র-২৪-২৯)(৮) প্রাকৃতিক রোগ ও ঔষধজ শক্তি (সূত্র-৩০-৩৮)(৯) এলোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা (সূত্র-৩৯-৪৬)(১০) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা (সূত্র-৪৭-৫৩)(১১) হোমিওপ্যাথিক ও এলোপ্যাথিক চিকিৎসার তুলনা (সূত্র-৫৪-৬২)(১২) ঔষধের মূখ্য ও গৌণক্রিয়া (সূত্র-৬৩-৭০)(১৩) রোগ সমীক্ষা (সূত্র-৭১-৮২)(১৪)