Category: Symptoms

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের রোগীলিপি তৈরির কৌশল

হ্যানিমান অর্গাননের প্রথম সূত্রে বলেছেন— The physicians high and only mission is to restore the sick to health, to cure —মানে–The sole mission of a physician is to cure a sick person. দ্বিতীয় সূত্রে তিনি বলছেন— The highest ideal of cure is rapid, gentle, and permanent restoration of the health—– $ 273 এ তিনি বলেছেন—

দ্বিতীয় ব্যবস্থাপত্রঃ চিকিৎসকের করনিয়

১. রোগী যখন বলে “আমি ভাল অনুভব করছি।” তখন আপনি অপেক্ষা করুন। এমন কি নুতন কোন ওষুধের পরিস্কার চিত্র পাওয়া গেলেও তা দিবেন না। হোমিওপ্যাথ হিসেবে আমরা জানি যে যখন রোগী ভাল বোধ করতে থাকেন তখন বুঝতে হবে রোগীর ভাইটালিটির উন্নতি ঘটছে। ২. কখনও ওষুধ প্রেসক্রাইব করবেন না যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি পরিস্কার কোন ওষুধের

রেপার্টরির ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতা।

১৯৮৫ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত প্রতিটি রোগীর রেপার্টরি করে নিশ্চিন্ত হয়ে তবেই ওষুধ দিয়েছি। সকাল ৮ টা থেকে শুরু আর শেষ রাত ১০/ ১১ টায়। প্রচুর রোগী। গুরু ডাঃ দাস বলতেন এত রোগী দেখিস না। রোগী কম দেখে পড়াশোনা করতে উপদেশ দিতেন। তখন পাঁচটি চেম্বারে বসতাম। এত সাফল্যের মধ্যেও কিছু ঘটনা কাঁটার মত অন্তরে বিধছিল। আমার

মেটেরিয়া মেডিকা ও রেপার্টরির সম্পর্ক বিশ্লেষণ

হোমিওপ্যাথির জনক ডাঃ হ্যানিম্যান “সিমিলিয়া সিমিলিবাস কিউরেন্টার” বা “লাইক কিউর লাইক” এই সূত্র আবিস্কারক ও সিঙ্কোনা নিজ শরীরে প্রুফ করেন।সিঙ্কোনা নিজ শরীরে প্রূফকৃত ফলাফল লিপিবদ্ধ করেন এবং মিওপ্যাথিক মেটেরিয়া মেডিকার জন্ম দেন।তার রচিত মেটেরিয়া মেডিকা বইয়ের নাম মেটেরিয়া মেডিকা পিউরা। হ্যানিম্যান রচিত ফ্র্যাগমেন্টা ডি ভেরিবাস,ক্রনিক ডিজিজ,মেটেরিয়া মেডিকা পিউরা গ্রন্থ তিনটির ঔষধ সমুহের সমন্বয় করে মোট

উপযুক্ত ঔষধ সিলেকশন চিকিৎসকের কর্তব্য

“চিকিৎসকের প্রথম এবং প্রধান কর্তব্য”—রোগী সুস্থ করা, তার হৃত স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করা, —। রোগীর জন্য একটি উপযুক্ত ঔষধ সিলেকশন করতে চাইলে তিনটি ধাপ অনুসরণ করে যেতে হবে। প্রথম ধাপে, কেইস রেকর্ড করতে হবে। দ্বিতীয় ধাপে, রেপার্টরাইজেশন করতে হবে। তৃতীয় ধাপে, কেস এনালাইসিস এবং রেপার্টরাইজেশনে প্রাপ্ত সম্ভাব্য ঔষধগুলোর মধ্যে কমপেয়ার করতে হবে। টোটাল প্রক্রিয়াকে বলা হবে

হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরীর বিষয়সমূহ

১. হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরীর সংজ্ঞা ২. হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরীর ইতিবৃত্ত ৩. হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরীর বিভিন্ন ধরন ৪. হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরীর ব্যবহার পদ্ধতি ৫. হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরীর কর্ম সম্পাদন ধারা ৬. বার্থেল ও ক্লেঙ্কার এর সিনথেটিক রেপার্টরী ৭. রেপার্টরী ব্যবহারে সুবিধা ৮. রেপার্টরী ব্যবহারে অসুবিধা ৯. বোরিক রেপার্টরী গঠন প্রণালী ১০. বোরিক রেপার্টরী ব্যবহার প্রণালী ১১. বেনিংহাউসেনের রেপার্টরী গঠন প্রণালী ১২.

রোগীর রোগলিপি সম্পর্কিত বিষয়সমূহ

১. রোগীলিপি পরিচিতি- ২. উত্তম ব্যবস্থাপত্র তৈরির জন্য চিকিৎসকের কি কি জানা প্রয়োজন? ৩. হোমিওপ্যাথিক মতে রোগীর পরীক্ষা। ৪. রোগীর প্রতি জিজ্ঞাসা ও অনুসন্ধান। ৫. উপচয়-উপশম বা হ্রাস-বৃদ্ধি। ৬. রোগীলিপি প্রস্তুত করার নিয়ম- ৭. রোগচিত্র অনুসন্ধান ও রোগীলিপি প্রণয়নে চিকিৎসকের প্রতি হ্যানিম্যানের উপদেশ। ৮. রোগীলিপি প্রণয়নে চিকিৎসকের গুণাবলী। ৯. লক্ষণাবলী লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষণ রাখার সুফল।

রেপার্টরী পড়ার কৌশল–ডা. আহাম্মদ হোসেন ফারুকী

১. রেপার্টরীর সংজ্ঞা : হোমিওপ্যাথিক রেপার্টরী হচ্ছে সেই গ্রন্থ, যে গ্রন্থে মানুষের শারীরিক ও মানসিক ভাবে প্রকাশিত প্রায় সকল লক্ষণসমূহ ইংরেজী বর্ণমালার ক্রম অনুসারে এবং ঔষধের গুরত্ব অনুযায়ী লিপিবদ্ধ রয়েছে। ২. রুব্রিক : রোগীর কষ্টগুলোকে মেটেরিয়া মেডিকার ভাষায় লক্ষণ বলে। আর রেপার্টরীর ভাষায় রোগীর কষ্ট বা সমস্যা গুলোকে রুব্রিক বা শিরোনাম বলে। ৩. প্রধান রুব্রিক