(7) Kali Sulf (ক্যালি সালফ)

♣ সমনামঃ পটাসিয়াম সালফেট, সালফেট অব পটাস, ক্যালিয়াম সালফেট। ।
♣ মায়াজমঃ সাইকোটিক, সিফিলিটিক, টিউবারকুলার। ।
♣ কাতরতাঃ গরমকাতর ।
♣ উপযোগিতাঃ প্রত্যেক রোগেই চামড়া থেকে খোলস ওঠে। প্রতিক্রিয়ার অভাব। প্রাদাহিক রোগের শেষ অবস্হায় ব্যবহার্য ওষুধ। হলুদবর্ণ শ্লেষ্মা এবং সৌত্রিক তন্তুযুক্ত স্রাব; স্রাব প্রচুর এবং থেকে থেকে দেখা দেয় । অক্সালেটযুক্ত বহুমূত্র রোগে বিশেষ উপযোগী।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ ইপিথেলিয়াম, শ্বাসযন্ত্র, চামড়া, লোমকূপেরর গোড়ায় তেল জাতীয় পদার্থ, কোষ, কোষমধ্যস্থ রস, পেশি, স্নায়ু, রক্তকণিকা, গ্রন্হি ।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ সুসলার এ রিমেডি সম্পর্কে নিম্নোক্ত বক্তব্য রাখেন; কেলি সালফ. লোহার সাথে পারস্পরিক ক্রিয়া করে শরীর অভ্যন্তরে গৃহীত অক্সিজেন সকল কোষে পৌঁছে দেয়, সকল কোষে লোহা বিদ্যমান থাকে । কেলি সালফের অভাবে যা ঘটে থাকে; “বাহুগুলোতে ভারি অনুভূতি ও ক্লান্তি, মাথা-ঘোরা, শীতার্ততা, বুক ধড়ফড়ানি, উৎকন্ঠা, দুঃখিত, দন্তবেদনা ও মাথা ব্যথা।”
♣ ক্যালি-সালফের উৎসঃ ক) এ লবণটির জন্ম আগ্নেয় পর্বতে এবং আগ্নেয় পর্বত হতে উৎক্ষিপ্ত লাভার প্রধান অংশ গন্ধক। খ) ক্যালি সালফের রোগীর উদগারে ও বাতকর্মে গন্ধকের গন্ধ পাওয়া যায়। গ) মূল ভেষজ হতে বিশুদ্ধ ও পরিষ্কৃত করে দুধ শর্করাসহ বিচূর্ণ প্রস্তুত করা হয়।
♣ সারসংক্ষেপঃ প্রতিক্রিয়ারর অভাব ।
হলুদবর্ণ শ্লেষ্মা এবং সৌত্রিক তন্তুযুক্ত প্রচুর স্রাব। প্রত্যেক রোগেই চামড়া থেকে খোলস ওঠে। ক্ষুধার্ততা ও কোষ্ঠাবদ্ধতা। বিকেলে, ঠান্ডা হতে গরমে পড়লে, উত্তপ্ত হলে, স্পর্শে, বাতাসে, তৈলাক্ত খাবারে ও বদ্ধ ঘরে বাড়ে। সঞ্চালনে, মুক্ত বাতাসে, শীতল বাতাসে, বেদনাযুক্ত স্থান চেপে শয়নে ও উপবাসে কমে। উৎকন্ঠা, ক্রোধ, খিটখিটে, উত্তেজনাপ্রবণতা, মানসিক অবস্হা পরিবর্তনশীল, ভীরু, উচ্চ চিৎকার করে, চমকে ওঠে ও খোলা বাতাসে আকাঙ্ক্ষা। উত্তপ্ত হতে মনস্তাপ / মানসিক যন্ত্রণা। জিহ্বা থলথলে, হরিদ্রা বর্ণের পিচ্ছিল প্রলেপ, দাঁতের ছাপযুক্ত ও তিতো আস্বাদ। কোষ্ঠাবদ্ধতা সে সাথে জিব সাদা। উদগারে ও বাতকর্মে গন্ধকের গন্ধ পাওয়া যায়।
♣ বিশেষ শ্রেণির লক্ষণঃ উত্তপ্ত হতে মনস্তাপ / মানসিক যন্ত্রণা ।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) স্বরভঙ্গ ছাড়াই গড়গড় শব্দযুক্ত কাশি । ২) ঠান্ডা বাতাসে কোমর ব্যথার উপশম হয়।
< বৃদ্ধিঃ বিকেল ৫টা হতে রাত ১০টা পর্যস্ত, সন্ধাকালে, ঠান্ডা হতে গরম পড়লে, উত্তপ্ত হলে, স্পর্শে, বাতাসে, বিছানায় শুলে, গরম ঘরে, গরমে, বদ্ধ ঘরে, ভোরে, তৈলাক্ত খাবারে, তামাক ও অম্ল ভক্ষণে, আহারের পর রোদে, বিশ্রামে, গোলমালে ।
> হ্রাসঃ ঠান্ডা খোলা বাতাসে, অধঃবায়ুতে, শীতল বাতাসে, শীতল পানীয়ে, শীতল স্থানে, মাঝরাতের পর, সঞ্চালনে, মুক্তবাতাসে, বেদনাযুক্ত স্থান চেপে শয়নে, উপবাসে।
♣ কারণঃ অত্যধিক তাপে শীত করে জ্বর, আঘাত ।
♣ ইচ্ছঃ খোলা বাতাস, মিষ্টি।
♣ অনিচছাঃ ডিম।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ রাস।
♣ শত্রুভাবাপন্নঃ রাস-টক, রাস-রেডিক্যান্স, অ্যাসেট-অ্যাসি, ক্যাল্ক, হিপার, পালস, সিপি, সাইলি, সালফ।

= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা ক্যালি সালফিউরিকাম প্রয়োগ করতে পারবো।