অ্যাপিস মেলিফিকা (Apis Mellifica)

DHMS (1st year ).
♣ সমনামঃ অ্যাপিয়াম ভাইরাস, হানি-বি, মৌমাছির বিষ।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক।
♣ সাইডঃ ডানপাশ, ডানপাশ হতে বামপাশ।
♣ কাতরতাঃ গরমকাতর।
♣ উপযোগিতাঃ গন্ডমালাধাতু বিশিষ্ট ( যাদের গলার গ্ল্যান্ড ফোলে), গ্রন্থি বা গ্ল্যান্ড বাড়ে ও শক্ত হয়।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ মন, মস্তিষ্ক, উদর, জরায়ু, চোখ, ডিম্বকোষ, কিডনি, মূত্রথলী, মূত্রযন্ত্র, গলনালি, সিরাস গ্ল্যান্ড, চামড়া, ডানদিকে, হৃদপিন্ড, রক্ত, শ্বাসযন্ত্র, শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি, কৈষিক ঝিল্লি।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ এ ওষুধটির দুটি নাম রয়েছেে – (১) মৌমাছি থেকে যেটি প্রস্তুত করা তাকে অ্যাপিস মিলিফিকা এবং (২) মক্ষিকার বিষ হতে যেটি প্রস্তুত করা হয় তাকে বলে অ্যাপিয়াস ভাইরাস। সুপরিচিত মৌমাছি হুল ফোটানোর ফলে জ্বালা, হুল ফুটানো ব্যথা, ছুরি দিয়ে কেটে যাওয়ার মতো ব্যথা তার সাথে অত্যাধিক ফুলে ওঠা এটির বিভিন্ন ক্ষেতে প্রয়োগের মূলসুর। এর সাথে স্পর্শে রয়েছেে অত্যানুভূতি।
♣ সারসংক্ষেপঃ গন্ডমালাধাতু বিশিষ্ট, জ্বালা, ফোলা, আরক্তিমতা, হুলবেঁধামতো যন্ত্রণা, উত্তপ্ততা, স্পর্শকাতরা। টাইট বা শক্ত অনুভূতি : আঁটসাটো কিছু পরতে অনিচ্ছা। শুয়ে থাকলে, গরমে, উষ্ণতায়, গরম ঘরে, আবরণে ও চাপে বাড়ে। ঠান্ডা পানিতে, খাদ্য : শীতল পানীয়ে , দুধে, ঋতুস্রাবকালে ও ঘুমের পরে উপশম। স্ভম্ভিতভাব, অন্যমনষ্ক, ঔদাসীনতা, অনীহা, উচ্চ চিৎকার করে, অশ্রুপূর্ণ ভাব, অপটুতা, আলস্য, কর্মব্যস্ত, খিটখিটে ও হিংসুটে। মূত্র-স্বল্পতা, মূত্রকষ্ট ও পিপাসাহীনতা। নিদ্রালুতা ও ঘুম ঘুম ভাব। রোগীর শোথের স্থান ও গায়ের চামড়া স্বচ্ছ ও মোমের মতো সাদাটে ; চামড়া পর্যায়ক্রমে শুকনো, গরম ও ঘামে। দুধ খাবার প্রবল ইচ্ছে।
♣ অনুভূতিঃ ১) বুকের রোগে সংকোচনের অনুভূতি থাকে ও শোতে অক্ষম।
২) তলপেটে অনুভূতি যেনো কিছু আঁটসাঁট এবং ভেঙ্গে ফেলবে যখন কোষ্টকাঠিনের মলত্যাগের সময় চাপ দেয়া হয়।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) চোখের চারপাশে ফোলার কারণে চোখের পাতা খুলতে পারে না।
২) চামড়ার চুলকানিযুক্ত ফোলা/অ্যালার্জি।
< বৃদ্ধিঃ প্রাতে, দুপুরবেলা, বেলা ৩টায়, সন্ধাকালে, মধ্য রাতের আগে, আর্দ্র আবহাওয়ায়, আহারের পরে, খাদ্য : শীতল পানীয়ে, শয়ে থাকলে, সঞ্চালনে, ঘুমের সময়ে ও পরে, গরমে, উষ্ণতায়, বিছানায় শুলে, গরমে ঘরে, স্টোভের গরমে, আবরণে, স্পর্শে ও চাপে, নড়াচড়ায়, বিছানার গরমে, গরম পানীয়ে, গরম আবহাওয়ায়, সঙ্গমের পরে।
> হ্রাসঃ ঠান্ডা পানিতে, খাদ্য : শীতল পানীয়ে, দুধে, ঠান্ডা বাতাসে, খোলা ও মুক্ত বাতাসে, মাথা পেছনে নোয়ালে, অনাবৃত হলে, গোসলে, কফ বের হলে, বসলে, চিৎ হয়ে শুলে, ঋতুস্রাবকালে ও ঘুমের পরে।
♣ কারণঃ দুঃখ, আতঙ্ক, ক্রোধ, ভয়, বিরক্তি, হিংসা, মন্দ সংবাদ শ্রবণে,মানসিক সক, গোলমাল, উদ্ভেদ প্রচাপনে। সঙ্গম বাসনা চাপা রাখা হেতু।
♣ ইচ্ছাঃ দুধ, অম্ল জিনিস, খোলা বাতাসে।
♣ অনিচ্ছাঃ পানীয়, আঁটসাটো কাপড়।
♣ শত্রুভাবাপন্নঃ রাস, ফস, সোরিন।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ ক্যান্থা, কার্বো-ভে, ইপি, অ্যাসিড-কার্বো, ল্যাকে, ল্যাক-অ্যাসি, লিডাম, নেট্র-মি, প্লান্টেগো, লবণ, পেঁয়াজ, মিষ্টি দ্রব্য, অ্যামোনিয়া, তেল।
♣ এটি ক্রিয়ানাশকঃ ক্যান্থা, আয়োড, চায়না, ডিজি।
♣ প্রয়োগঃ রক্তিমতা ও ফোলাসহ, হুলফোটানো ও জ্বালাকর ব্যথা। বিশেষ করে চোখে, চোখের পাতায়, কানে, মুখমন্ডলে, ঠোঁটে, জিবে, গলায়, মলদ্বারে ও অন্ডকোষে দেখা গেলে অ্যাপিস-মেল উউপযোগী ( এর সাথে ঠান্ডা বাহ্য প্রয়োগে উপশম– এ লক্ষণটি অবশ্যই থাকতে হবে)। —- ডা. হ্যারিং।
♣ সতর্কতাঃ গর্ভের প্রথম তিন মাসের মাঝে অ্যাপিস সতর্কতার সাথে প্রয়োগ করতে হবে। নিম্নশক্তিগুলো গর্ভস্রাব ঘটানোর সম্ভাবনা সৃষ্টি করে।
= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা অ্যাপিস-মেল প্রয়োগ করতে পারবো।
লেখক-Dr. Moin Uddin
সূত্র-অনলাইন কালেকশন
ডা. এইচ এম আলীমুল হক, আলহক্ব হোমিও ফার্মেসী, মুক্তিস্মরণী, চিটাগাংরোড, শিমরাইল মোড়, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। ০১৯২০-৮৬৬ ৬১০